1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
জগন্নাথপুরে বাড়ছে শৈত্যপ্রবাহ আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারন  - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১১:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভবানীগঞ্জ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত জগন্নাথপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে  আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে শেরপুর জেলা পুলিশের উদ্যাগে ‘গণিতকে করবো জয়”- প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গণিত উৎসব-২০২৬’ অনুষ্ঠিত দুর্গাপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত সাংবাদিকদের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান থেকে বাদ পরীমনি নিষিদ্ধ ফরেক্স X-FUSION TAG MARKETS দ্বারা ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা পাচারের আশঙ্কা! ফাঁদে পড়ে নিঃস্ব হওয়ার ঝুঁকিতে লাখো মানুষ। পর্বঃ ০১ “চুয়াডাঙ্গায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত।” ​ গাজীপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আমাদের জাতীয় ঐক্য, গণতন্ত্র, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার চেতনায় উজ্জীবিত করে। আল-আমিন হালদার যে মাঠে শেষ বল করেছিলেন, সেই মাঠেই শেষ বিদায়—বিরামপুরের ক্রীড়াঙ্গনে শোকের ছায়া চারঘাটে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

জগন্নাথপুরে বাড়ছে শৈত্যপ্রবাহ আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারন 

মুকিম উদ্দিন
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২ জানুয়ারি, ২০২৫
  • ১৮৪ বার পঠিত

 মোঃ মুকিম উদ্দিন জগন্নাথপুর প্রতিনিধি

 শৈত্যপ্রবাহের কারনে জবুথবু সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর। সূর্যের মুখ দেখা যাচ্ছে না তেমন।মাঝে মধ্যে একবেলা দেখা মিললেও কনকনে শীতে কাহিল হয়ে পড়েছে উপজেলাসহ আশপাশের এলাকা। কুয়াশায় ঢাকা পড়েছে আকাশ। হাড় কাঁপানো শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারনের চেষ্টা করছে ছিন্নমুল মানুষ। কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে উপজেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চল। উপজেলার ছিন্নমূল মানুষের অবস্থা বর্ণনাতীত। গরীব, অসহায় অনেক ছিন্নমূল মানুষ গরম কাপড়ের অভাবে শীতে খুব কষ্ট ভোগ করছেন। মধ্য রাত থেকে পাতা, খড়, পুরানো কাগজ, কাপড় জ্বালিয়ে শীত নিবারন করছেন অনেকেই। অনেই আবার সন্ধ্যা থেকে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারন করতে দেখা যায়। সরকারি এবং বেসরকারি পর্যায়ে এখনো শীতার্তদের মাঝে তেমন গরম কাপড় বিতরণ করা হয়নি। ভুক্তভোগীদের দাবী শীত নিবারনে গরম কাপড় বিতরণে বিত্তবানদের এগিয়ে আসা দরকার।

উপজেলার স্থানীয় মোহাম্মদগঞ্জ বাজারের পল্লী চিকিৎসক ডাক্তার পংকজ কান্তি দাস বলেন, শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে রোটা ভাইরাসজনিত ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ার প্রকোপ বাড়ে। সাধারণত শিশুরা এতে বেশি আক্রান্ত হয়। তাই শিশুদের প্রতি বিশেষ যত্ন নিতে হবে। বিশুদ্ধ পানি পান করাতে হবে। ঠান্ডা লাগলে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। বয়স্কদের ক্ষেত্রেও একই ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। তাছাড়া নিয়মিত মাস্ক পড়লেও ঠান্ডাজনিত রোগ হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park