1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
চলে গেলেন কবি মার্জেনা চৌধুরী - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভবানীগঞ্জ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত জগন্নাথপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে  আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে শেরপুর জেলা পুলিশের উদ্যাগে ‘গণিতকে করবো জয়”- প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গণিত উৎসব-২০২৬’ অনুষ্ঠিত দুর্গাপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত সাংবাদিকদের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান থেকে বাদ পরীমনি নিষিদ্ধ ফরেক্স X-FUSION TAG MARKETS দ্বারা ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা পাচারের আশঙ্কা! ফাঁদে পড়ে নিঃস্ব হওয়ার ঝুঁকিতে লাখো মানুষ। পর্বঃ ০১ “চুয়াডাঙ্গায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত।” ​ গাজীপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আমাদের জাতীয় ঐক্য, গণতন্ত্র, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার চেতনায় উজ্জীবিত করে। আল-আমিন হালদার যে মাঠে শেষ বল করেছিলেন, সেই মাঠেই শেষ বিদায়—বিরামপুরের ক্রীড়াঙ্গনে শোকের ছায়া চারঘাটে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

চলে গেলেন কবি মার্জেনা চৌধুরী

রাকিবুল আওয়াল পাপুল
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ৮৭ বার পঠিত

রাকিবুল আওয়াল পাপুল, শেরপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

কবি মার্জেনা চৌধুরী মারা গেছেন (ইন্না নিল্লাহি
বুধবার বিকেলে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে ৫টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৪৯ বছর। তিনি স্বামী, ২ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মার্জেনা শেরপুরের নকলা উপজেলার মধ্যনকলা (ডাকাতিয়াকান্দা) গ্রামের মৃত হুরমুজ আলীর ৮ সন্তানের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ সন্তান ছিলেন।
  
পরিবার সূত্র জানা গেছে, মার্জেনার মরদেহ নকলার গ্রামের বাড়িতে জানাজা শেষে পারবারিক গোরস্থানে দাফন করা হবে।
 
মার্জেনা চৌধুরী নকলার নিজ বাড়ির অদূরে ডাকাতিয়াকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে নকলা পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে (পূর্বনাম নকলা গার্লস স্কুল) এ ভর্তি হন। সেখান থেকে এসএসসি পাসের পর নকলা হাজী জালমাহমুদ কলেজ (বর্তমানে সরকারি) থেকে এইচএসসি ও স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। শিক্ষার্থী থাকা অবস্থাতেই তিনি লেখালেখি শুরু করেন। তৎকালীন জনপ্রিয় পত্রিকা ‘সাপ্তাহিক শেরপুর’ ও ‘সাপ্তাহিক মদিনা’ পত্রিকায় তার অসংখ্য লেখা প্রকাশ হয়েছে। তার প্রথম কবিতা ‘একুশ আমার’ যা নব্বই দশকের সব শ্রেণির পাঠকের মনে স্থান করে নিয়েছিল।

এরপরে তার লেখাগুলোকে বই আকারে প্রকাশের লক্ষ্যে শুরু করেন কবিতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি। তার লেখা গ্রন্থের মধ্যে— বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস প্রাচীন ও মধ্যযুগ, কবি কায়কোবাদ, শহীদের কারবালা (কাব্যগ্রন্থ), কয়েকটি তারা (কাব্যগ্রন্থ) এসব ছিল উল্লেখযোগ্য।
 
শৈশবকালের জীবন কাটানো নিজ গ্রামের বৈচিত্রকে কেন্দ্র করে লেখা তার সর্বশেষ কাব্যগ্রন্থ ‘শঙ্খ নদীর নীল পদ্ম’।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park