
আকাশ হোসেন
আশাশুনি প্রতিনিধি:
আশাশুনির গাজীপুর আলিম মাদ্রাসার দুর্নীতি ও অনিয়ম থামছেনা। নিয়োগ বাণিজ্য ধামাচাপা দিতে আবারও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করিয়েছেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ।
মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান মাদ্রাসায় যোগদানের পর থেকে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠতে থাকে। তার দুর্নীতি, অনিয়ম ও হঠকারিতার ব্যাপারে অনেকবার পত্র-পত্রিকায় রিপোর্ট প্রকাশিত হলেও ম্যানেজে পারদর্শী হিসাবে পরিচিত অধ্যক্ষের কারাসামায় এক সময় সবকিছু ধামাচাপা পড়তে থাকে। তার বিরুদ্ধে এলাকাবাসী সোচ্চার থাকলেও ম্যানেজ পটিয়সী অধ্যক্ষ ২০২২ সাল থেকে ২৩ সালে ৫টি পদে নিয়োগ সম্পন্ন করেন। লক্ষ লক্ষ টাকার নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে তাদের মনোনীতদের নিয়োগদানে সক্ষম হলেও ১টি পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হয়নি। তার কাছ থেকে নেওয়া কয়েক লক্ষ টাকা হজম করতে আবারও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে।
অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, নিয়োগের ব্যাপারে আমি কমিটির সিদ্ধান্তে কাজ করেছি। ৫টি পদে নিয়োগের পর কমিটি আমার কাছে মাদ্রাসার সংস্কার কাজের জন্য ২৮ লক্ষাধিক টাকা দিয়েছে। টাকা দিয়ে মাদ্রাসার বিল্ডিং নির্মান ও সংস্কার কাজ করতেছি। আমার পুত্রকে নিয়োগ হওয়ার পর আমি প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে ৩ লক্ষ টাকার কাজ করিয়েছি। স্থানীয় মসজিদের ইমামকে নিয়োগ দেওয়ার চুক্তিতে ১০ লক্ষ টাকা অগ্রিম নেওয়া হয়েছে এমন অভিযোগের কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইমাম সাহেবকে নিয়োগদানের ব্যাপারে কোন টাকা লেনদেন হলে সেটা আমার জানার বাইরে। কমিটি এর সদুত্তর দিতে পারবেন বলে তিনি জানান।
এদিকে ইমাম সাহেব অগ্রিম সাড়ে ৭ লক্ষ টাকা দেন এবং বোর্ড খরচ বাবদ ২ লক্ষ টাকা বোর্ড বসলে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বোর্ড বসলে টাকা যার কাছে ছিল তিনি চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ায় ঐদিন টাকা দিতে পারেননি বলে অভিযোগ রয়েছে। ইমাম সাহেব চাকুরির ব্যবস্থা না হয় টাকা ফেরৎ পেতে দৌড়ঝাঁপ করছেন বলে সংশ্লিষ্ট কেউ কেউ জানান।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আতিয়ার রহমান জানান, এডহক কমিটি নিয়োগ দিতে পারবেনা, তবে যে সব প্রতিষ্ঠানের সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেখানে নিয়োগ দিতে পারবেন।