1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
আবহমান গ্রামবাংলার ঐতিহ্য ছনের ঘর এখন বিলুপ্তির পথে - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভবানীগঞ্জ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত জগন্নাথপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে  আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে শেরপুর জেলা পুলিশের উদ্যাগে ‘গণিতকে করবো জয়”- প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গণিত উৎসব-২০২৬’ অনুষ্ঠিত দুর্গাপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত সাংবাদিকদের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান থেকে বাদ পরীমনি নিষিদ্ধ ফরেক্স X-FUSION TAG MARKETS দ্বারা ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা পাচারের আশঙ্কা! ফাঁদে পড়ে নিঃস্ব হওয়ার ঝুঁকিতে লাখো মানুষ। পর্বঃ ০১ “চুয়াডাঙ্গায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত।” ​ গাজীপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আমাদের জাতীয় ঐক্য, গণতন্ত্র, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার চেতনায় উজ্জীবিত করে। আল-আমিন হালদার যে মাঠে শেষ বল করেছিলেন, সেই মাঠেই শেষ বিদায়—বিরামপুরের ক্রীড়াঙ্গনে শোকের ছায়া চারঘাটে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

আবহমান গ্রামবাংলার ঐতিহ্য ছনের ঘর এখন বিলুপ্তির পথে

মো: মুকিম উদ্দিন
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৪
  • ৮৪ বার পঠিত

 মোঃ মুকিম উদ্দিন জগন্নাথপুর প্রতিনিধি

 একসময় গ্রামের প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় দেখা যেত ছনের ঘর। এসব ছনের ঘর ছিল স্বাস্থ্যসম্মত।
দুই দশক আগেও সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলাসহ বিভিন্ন স্থানে গরীব ও মধ্যবিত্তদের ছনের চালা ঘর দেখা গেছে। বিত্তবানদের বাড়িতে নির্মাণ করা হতো ছনের কাচারি ঘর বা বৈঠকখানা।
স্থানীয়রা জানান, আগে গ্রামের প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই সুন্দর ছাউনির পরিপাটি ছনের ঘর ছিল।

ঘরের দেয়াল, বেড়া তৈরিতেও অনেক সময় ছন ব্যবহৃত হতো। প্রতি বছর শুষ্ক মৌসুমে ছন সংগ্রহ করে শ্রমিক লাগিয়ে ঘরের ছাউনি দেওয়া হতো। এগুলো ছিল গ্রামীণ ঐতিহ্য। কেউ কেউ ছন কেটে শুকিয়ে ভার বেঁধে বাজারে নিয়ে বিক্রি করতেন। গ্রামের বিভিন্ন এলাকায় গড়ে উঠত ছনখলা। সেখানে ছনের অভয়ারণ্যের পাশাপাশি দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির পাখির আবাসস্থলও ছিল। ছনের চালার মধ্যে চড়ুই পাখিও বাসা বাঁধত। স্থানীয়দের মতে, ছনের চালা ঘর ছিল খুবই স্বাস্থ্যসম্মত।

সম্প্রতি জগন্নাথপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, এখন ঐতিহ্যের ধারক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে কয়েকটি ছনের ঘর। তবে ছনের ঘরে মৌসুমের পরিবর্তনের সঙ্গে আবহাওয়া পরিবর্তন হয়, যা আরামদায়ক। ছনের চালার ঘরগুলো আরামদায়ক ও স্বাস্থ্যসম্মত। গরমের সময় দিনের বেলাও ঘরে ঘুমানো যেত অনায়াসে। এখন গ্রামের বাড়িতে ছনের ঘর দেখাই যায় না। তবে বিত্তবান ও শৌখিন কেউ কেউ এখনও ঐতিহ্য ধরে রাখতে বাড়িতে ছনের ঘর তৈরি করেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park