1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
“কোথায় সবুজ?” — নিখোঁজের অভিযোগ থেকে শুরু দিনাজপুর পুলিশের নিখুঁত তদন্ত - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মিনি ম্যারাথন প্রতিযোগিতা আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে আট দফা দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের সংবাদ সম্মেলন পাঁচবিবিতে ভারতীয় সিরাপ ও ইয়াবাসহ আটক ৩ পাঁচবিবিতে উচ্চতা ৪ ফুট তবু থেমে নেই জীবনযুদ্ধ ১৬ বছর ধরে পরিশ্রমে সংসার চালান আল-আমিন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কলকলিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মুহিত মিয়ার নির্বাচনী মতবিনিময় সভা  সাতক্ষীরায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত বাগমারায় সাংবাদিকের ফেসবুক আইডি হ্যাক করে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্র ​সাতক্ষীরা সীমান্তে অভিনব কায়দা: মলদ্বারে লুকিয়ে পাচারের সময় ১.৫৫ কোটি টাকার স্বর্ণসহ ভারতীয় নাগরিক আটক পাবিপ্রবিতে ডিবেটিং সোসাইটির কমিটি নিয়ে বিতর্ক, আলোচনায় শিবির সভাপতি ​সাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ২০২৭ সালের ইংরেজি নববর্ষ প্রকাশনার উদ্বোধন।

“কোথায় সবুজ?” — নিখোঁজের অভিযোগ থেকে শুরু দিনাজপুর পুলিশের নিখুঁত তদন্ত

মোঃ ইব্রাহীম মিঞা, দিনাজপুর প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৩১ বার পঠিত

মোঃ ইব্রাহীম মিঞা, দিনাজপুর প্রতিনিধি:

২৩ সেপ্টেম্বর সকালে আটপুকুরহাট ব্যাংকে যাওয়ার কথা বলে বের হয়েছিলেন সাব্বির হোসেন সবুজ। দিন গড়িয়ে রাত, রাত পেরিয়ে পরদিন— পরিবার তার কোনো খোঁজ পাচ্ছিল না। ২৪ সেপ্টেম্বর থানায় করা হয় জিডি। ২৫ সেপ্টেম্বর জমা পড়ে এজাহার, ছয়জনের নাম উল্লেখ করে।

দিনাজপুর জেলা পুলিশ তখনই শুরু করে মাঠ পর্যায়ের অনুসন্ধান। পুলিশ সুপার মোঃ মারুফাত হুসাইন নির্দেশ দেন দ্রুত তদন্তে নেমে ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের। দায়িত্ব নেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোঃ আনোয়ার হোসেন। ফুলবাড়ী থানার ওসি’র নেতৃত্বে একাধিক টিম কাজ শুরু করে।

প্রাথমিক তথ্যসূত্র, সাক্ষ্য ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে চিহ্নিত হয় সন্দেহভাজন কয়েকজন। একের পর এক অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয় পাঁচজনকে। এরপর মূল সাফল্য আসে যখন এজাহারনামীয় আসামি আব্দুর হামেদকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।

রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে হামেদ হত্যার কথা স্বীকার করে এবং হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত বর্ণনা দেয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ১৮ অক্টোবর সকাল থেকে মাঠে নামে। তদন্তদল বরেন্দ্র প্রকল্পের একটি গভীর নলকূপের পাইপের ভেতর থেকে উদ্ধার করে বিচ্ছিন্ন মস্তক, আর তার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় হত্যায় ব্যবহৃত কোদাল ও হাসুয়া।

এই উদ্ধার শুধু একটি হত্যাকাণ্ডের রহস্যই উন্মোচন করেনি, বরং জেলা পুলিশের দক্ষতা ও দ্রুত পদক্ষেপের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। হত্যার নেপথ্যে ব্যক্তিগত ক্ষোভ ও হঠাৎ সৃষ্ট উত্তেজনাই কারণ বলে প্রাথমিকভাবে মনে করছে পুলিশ।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park