1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
অসুস্থ স্বামী সন্তানকে কম্বলে জড়িয়ে কেঁদে কেঁদে রাত পার করেছেন মাস্তারা বেগম - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মিনি ম্যারাথন প্রতিযোগিতা আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে আট দফা দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের সংবাদ সম্মেলন পাঁচবিবিতে ভারতীয় সিরাপ ও ইয়াবাসহ আটক ৩ পাঁচবিবিতে উচ্চতা ৪ ফুট তবু থেমে নেই জীবনযুদ্ধ ১৬ বছর ধরে পরিশ্রমে সংসার চালান আল-আমিন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কলকলিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মুহিত মিয়ার নির্বাচনী মতবিনিময় সভা  সাতক্ষীরায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত বাগমারায় সাংবাদিকের ফেসবুক আইডি হ্যাক করে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্র ​সাতক্ষীরা সীমান্তে অভিনব কায়দা: মলদ্বারে লুকিয়ে পাচারের সময় ১.৫৫ কোটি টাকার স্বর্ণসহ ভারতীয় নাগরিক আটক পাবিপ্রবিতে ডিবেটিং সোসাইটির কমিটি নিয়ে বিতর্ক, আলোচনায় শিবির সভাপতি ​সাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ২০২৭ সালের ইংরেজি নববর্ষ প্রকাশনার উদ্বোধন।

অসুস্থ স্বামী সন্তানকে কম্বলে জড়িয়ে কেঁদে কেঁদে রাত পার করেছেন মাস্তারা বেগম

মোঃ ইব্রাহীম মিঞা, বিরামপুর(দিনাজপুর)প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১৮১ বার পঠিত

বাংলা নববর্ষের চৈত্র মাসের শেষ রাতে বৈশাখ মাস শুরুর আগের রাতে ঝড়বৃষ্টিতে উড়ে যায় দশের সহযোগিতায় তৈরি মাস্তারা বেগমের ছোট্ট কুঁড়ে ঘরের টিন। ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির পানি ঘরে প্রবেশ করায় অসুস্থ স্বামী ও দুই সন্তানকে কম্বল দিয়ে জড়িয়ে ঘরের এক কোণে কেঁদে কেঁদে রাত পার করেছেন মাস্তারা বেগম। ঘটনাটি ঘটেছে গত রবিবার রাতে দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার জোতবানী ইউনিয়নের কচুয়া মির্জাপুর এলাকায়।

রবিবার (১৩ এপ্রিল) আনুমানিক রাত আড়াইটার সময় ঝড় ও বৃষ্টির কারণে উপজেলার জোতবানী ইউনিয়নের কচুয়া মির্জাপুর এলাকায় মাস্তারা বেগমের ছোট্ট কুঁড়ে ঘরের টিন উড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ঘরের টিন উড়ে যাওয়ায় ঘরের ভেতরে ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির পানি ঢোঁকায় সমস্ত কাপড় ও আসবাবপত্র ভিজে যায়।ঐ অবস্থায় স্বামী সিরাজুল ইসলাম ও ২ সন্তানকে কম্বলে জড়িয়ে ধরে কেঁদে কেঁদে রাত পার করেছেন মাস্তারা বেগম। স্বামী সিরাজুল ইসলাম (৩৬) মুকুন্দপুর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের চকদূর্গা গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে। সিরাজুল ইসলাম ও স্ত্রী মাস্তারা বেগমের ২ মেয়ে ১ ছেলে সন্তান।বড় মেয়ের বিয়ে দিয়ে খুব কষ্ট করে কৃষি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। সিরাজুল ইসলামের পায়ের পাঁজরের হাড় ক্ষয়ে যাওয়ায় অসুস্থতার কারণে এখন আর কৃষি কাজ করতে পারেননা। অভাবের তাড়নায় বর্তমানে জোতবানি ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের কচুয়া মির্জাপুর শালবাগান মোড় এলাকায় স্কুল সংলগ্ন বনের জায়গায় বসবাস করছেন। এলাকাবাসীর সহযোগিতায় আনুমানিক দেড় শতাংশ জায়গায় টিন দিয়ে তৈরি কুঁড়ে ঘরে বসবাস করছেন।গত রাতে ঝড়বৃষ্টিতে উড়ে যায় ঘরের টিন এতে করে ভিজে যায় কাপড়, চোপড় সহ প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র। রাস্তার পাশে সেই কাপড় চোপড় ও প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র শুকানোর দৃশ্য দেখে মাস্তারা বেগমের সাথে কথা বললে তিনি কেঁদে কেঁদে তার অসহায় অবস্থার কথা বলেন।

এবিষয়ে জোতবানি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আঃ রাজ্জাক মন্ডলের সাথে কথা বললে তিনি পরিবারটিকে সহযোগিতা করবে বলে আস্বস্ত করেন।

বিরামপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রোকনুজ্জামান এর সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি বলেন, ঝড় বৃষ্টি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park