এম,মছিবুর রহমান বাবুল, উপজেলা প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম
বাংলাদেশের স্বাধীনতার অর্জনের দীর্ঘ ৫৩ বছর পর্দাপণ করলেও দেশের যে সকল উন্নয়ন হয়েছে তাহা সঠিক পথে কিংবা গুরুত্বপূর্ণ কোন জায়গায় কাজ হয়েছে কিনা তাহাতে খতিয়ে দেখা জরুরি, তাহা নাহলে দক্ষিণ চট্টগ্রাম অঞ্চলে এখনো কাঁচা রাস্তা দিয়ে নতুবা ভাঙ্গা ছোড়া সিঙ্গেল ইটের মধ্যে দিয়ে সাধারণ মানুষ নিয়মিত যাতায়াত করে যাচ্ছে, সেই রকম শত শত রাস্তার মতো বোয়াল খালি উপজেলার খিতাপচর গ্রামের ৫নং ওয়ার্ডের একটা দীর্ঘ অনেক পুরাতন রাস্তা আবদুল আজিজ শাহ সড়ক নামে খুবই পরিচিত, এক সময় সেই রাস্তা দিয়ে পটিয়া উপজেলার দক্ষিণ শেষ খরণখাইন,মুকুট নাইট এবং হাবিলাপ দ্বীপ গ্রামের মানুষ পায়ে হেটে বেংগুরা রেল স্টেশনের মাধ্যমে কর্মস্থল ও ব্যবসা বানিজ্যের জন্য শহরে যাতায়াত করতো, অন্যদিকে বাজার করতে মানুষ সব সময় ঐ রাস্তায় সহজে আসা যাওয়া করে থাকে। নব্বই দশকের আগে এই ৫নং ওয়ার্ডের পশ্চিমে আরেকটা রাস্তা ছিলো, সেটা এক সময় কৃষি কাজে আসা যাওয়া চলতো,তখন কিছু ব্যক্তি বর্গের তকদিরে রাস্তাটার কাজ ইটের মেরামত হলে পরবর্তী সময়ে সরকারের নজরে পড়ায় উক্ত রাস্তার ভালো মতো মেরামতের ব্যবস্হা হয়,যাহাতে গ্রামের কিছু অংশ মানুষ যাতায়াত করতে পারে, একই গ্রামের পূর্ব দিকে ঠিক বেংগুরা বাজার থেকে একটা পাড়ার এলাকা দিয়ে একটা রাস্তা বাহির করলে বিশেষ ব্যক্তির তদারকিতে সেটাও মোটামুটি কার্পেটিং হয়,তাহাতে ও কিছু অংশ মানুষ যাতায়াত করে, কিন্তু সেই গ্রামের মধ্যস্হ রাস্তাটা এখনো দীর্ঘ সময় কোনো সরকারের নজরে পরছে না, অথচ ঐ রাস্তা দিয়ে শত শত ছাত্র ছাত্রী স্কুল ও মাদ্রাসায় যাতায়াত করে, সামান্য বৃষ্টি হলে পাশে পুকুরের পানির সাথে সমান হয়ে যায়,যার ফলে মানুষের যাতায়াতের পথ বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়ে পড়েছে। বর্তমান অন্তবর্তী কালীন সরকারের নিকট এই বৃহত্তর এলাকা বাসির প্রার্থনা যেনো এই পূরাতন রাস্তাটা যাতে মানুষ সুন্দর করে এবং সহজে যাতায়াতের জন্য একটা ব্যবস্হা করে দেওয়া হয়।