1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
বিরামপুরে ভুয়া এনজিওর নামে সামাজিক বনায়নের টাকা আত্মসাৎ, উপকারভোগীদের অভিযোগ - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মিনি ম্যারাথন প্রতিযোগিতা আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে আট দফা দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের সংবাদ সম্মেলন পাঁচবিবিতে ভারতীয় সিরাপ ও ইয়াবাসহ আটক ৩ পাঁচবিবিতে উচ্চতা ৪ ফুট তবু থেমে নেই জীবনযুদ্ধ ১৬ বছর ধরে পরিশ্রমে সংসার চালান আল-আমিন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কলকলিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মুহিত মিয়ার নির্বাচনী মতবিনিময় সভা  সাতক্ষীরায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত বাগমারায় সাংবাদিকের ফেসবুক আইডি হ্যাক করে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্র ​সাতক্ষীরা সীমান্তে অভিনব কায়দা: মলদ্বারে লুকিয়ে পাচারের সময় ১.৫৫ কোটি টাকার স্বর্ণসহ ভারতীয় নাগরিক আটক পাবিপ্রবিতে ডিবেটিং সোসাইটির কমিটি নিয়ে বিতর্ক, আলোচনায় শিবির সভাপতি ​সাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ২০২৭ সালের ইংরেজি নববর্ষ প্রকাশনার উদ্বোধন।

বিরামপুরে ভুয়া এনজিওর নামে সামাজিক বনায়নের টাকা আত্মসাৎ, উপকারভোগীদের অভিযোগ

মোঃ ইব্রাহীম মিঞা, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২১৭ বার পঠিত

 

মোঃ ইব্রাহীম মিঞা, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার চরকাই রেঞ্জে সামাজিক বনায়ন প্রকল্পের উপকারভোগীদের টাকা থেকে ৮ লক্ষাধিক টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, কথিত এনজিও কর্মী এনামুল হক, অবসরপ্রাপ্ত মালী আয়েন উদ্দিন ও বর্তমান সদর বিট কর্মকর্তা মো. সুলতান হোসেনের যোগসাজশে এ দুর্নীতি সংঘটিত হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বড়বাইলশিরা গ্রামের মৃত আব্বাস আলীর ছেলে এনামুল হক নিজেকে বন্ধ হয়ে যাওয়া এনজিও পল্লীবন্ধু পরিষদ এর নির্বাহী পরিচালক পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দপ্তর থেকে বিশেষ সুবিধা আদায় করছেন। বিশেষ করে বন বিভাগের সামাজিক বনায়ন প্রকল্প থেকে তিনি লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, চরকাই রেঞ্জের বিভিন্ন সড়কে সৃজিত বাগানে নাম অন্তর্ভুক্তির কথা বলে এনামুল হক ও আয়েন উদ্দিন শত শত সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ২–৩ হাজার টাকা করে নিয়েছেন। এমনকি প্রায় দুই বছর আগে রাস্তার ধারে সৃজিত বাগানের গাছ বিক্রির অর্থ বিতরণের সময় উপকারভোগীদের চেক বইয়ে অগ্রিম ব্লাইন্ড স্বাক্ষর নেওয়া হয়। প্রতিজন মেইন ডিড ওয়ালাদের নিকট থেকে ৪০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও ১৫ হাজার টাকা কেটে মাত্র ২৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। ১৫ জন মেইন ডিড ওয়ালাদের কাছে থেকে ৫৮ হাজার টাকার মধ্যে ২৮ হাজার টাকা কেটে নিয়ে ৩০ হাজার টাকা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগীরা জানান, যারা টাকা দিতে রাজি হননি, প্রায় ৪০ জন উপকারভোগীর নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্তই করা হয়নি। ফলে ৭৯ জন উপকারভোগীর কাছ থেকে মোটামুটি ৮ লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে তাদের দাবি।

বড়বাইলশিরা গ্রামের সাইদুল মাস্টার বলেন, “অগ্রিম টাকা না দেওয়ায় আমাদের অনেকের নামই বাদ দেওয়া হয়েছে।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিট কর্মকর্তা সুলতান হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি কাউকে টাকা দিতে বলিনি, সাবডিড বলে কিছু নেই।” তবে স্থানীয়রা দাবি করেছেন, বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত করলে এ বিষয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসবে।

ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park