1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
বিরামপুরে কুকুরের আক্রমণে আহত ছাগলগুলোর পাশে দাঁড়ালেন অফিস টাইমের পরেও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মিনি ম্যারাথন প্রতিযোগিতা আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে আট দফা দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের সংবাদ সম্মেলন পাঁচবিবিতে ভারতীয় সিরাপ ও ইয়াবাসহ আটক ৩ পাঁচবিবিতে উচ্চতা ৪ ফুট তবু থেমে নেই জীবনযুদ্ধ ১৬ বছর ধরে পরিশ্রমে সংসার চালান আল-আমিন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কলকলিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মুহিত মিয়ার নির্বাচনী মতবিনিময় সভা  সাতক্ষীরায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত বাগমারায় সাংবাদিকের ফেসবুক আইডি হ্যাক করে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্র ​সাতক্ষীরা সীমান্তে অভিনব কায়দা: মলদ্বারে লুকিয়ে পাচারের সময় ১.৫৫ কোটি টাকার স্বর্ণসহ ভারতীয় নাগরিক আটক পাবিপ্রবিতে ডিবেটিং সোসাইটির কমিটি নিয়ে বিতর্ক, আলোচনায় শিবির সভাপতি ​সাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ২০২৭ সালের ইংরেজি নববর্ষ প্রকাশনার উদ্বোধন।

বিরামপুরে কুকুরের আক্রমণে আহত ছাগলগুলোর পাশে দাঁড়ালেন অফিস টাইমের পরেও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা

মোঃ ইব্রাহীম মিঞা, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই, ২০২৫
  • ৮০ বার পঠিত

মোঃ ইব্রাহীম মিঞা, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় আবারও প্রমাণ হলো—সরকারি চাকরি শুধুই দায়িত্ব নয়, তা একান্ত মানবিকতার জায়গা থেকেও হতে পারে। 
সোমবার (২৯ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা ৩১ মিনিট, অফিস টাইম শেষ হলেও উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেনারি হাসপাতালের কর্মকর্তা বিপুল কুমার চক্রবর্তী তার দায়িত্ববোধ থেকে একচুলও সরে আসেননি।
এই সময়ে পৌরশহরের বনখঞ্জা, ভাল্লুকমাড়ি ও দেবীপুর এলাকা থেকে আসা কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, একটি কুকুরের দল হঠাৎ তাদের পাঁচটি ছাগলের ওপর আক্রমণ করে। তন্মধ্যে একটির মৃত্যু হয়েছে, বাকি চারটি গুরুতর আহত। এমন অবস্থায় দ্রুত তারা প্রাণিসম্পদ দপ্তরে ছুটে গেলে, বিপুল কুমার চক্রবর্তী তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সেবা প্রদান শুরু করেন। পাশে দাঁড়ান স্বেচ্ছাশ্রমেও।
একজন ভুক্তভোগী বলেন,আমরা ভেবেছিলাম অফিস তো শেষ, ডাক্তার পাব না। কিন্তু বিপুল স্যার ছিলেন। তিনি নিজ হাতে পশুগুলোকে ইনজেকশন দেন, সেলাইন লাগান। উনি না থাকলে ছাগলগুলো মরেই যেত।
কর্মকর্তার এই তৎপরতা শুধু একজন সরকারি কর্মচারী হিসেবে নয়, একজন প্রকৃত সেবকের মানবিকতা প্রকাশ করে। সাধারণত অনেক দপ্তরে অফিস টাইম শেষ হওয়ার পর সেবা পাওয়া কঠিন, কিন্তু বিপুল কুমার চক্রবর্তী ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন।
বনখঞ্জা এলাকার স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন,উনার মতো যদি প্রত্যেকটা উপজেলায় একজন করে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা থাকতেন, তাহলে গরু-ছাগলের ছোট ছোট রোগ নিয়ে আর গ্রামে আতঙ্ক হতো না।
বিভিন্ন প্রাণিসেবাপ্রার্থী ও গ্রামবাসীর মতে, শুধু চিকিৎসা নয়, বিপুল কুমার চক্রবর্তী তাদের পাশে দাঁড়িয়ে একধরনের আশ্বাসও দেন যে তারা একা নয়।
এই দায়িত্বশীলতা, আন্তরিকতা ও সেবামনভাবনা থেকে অন্যান্য উপজেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারাও অনুপ্রাণিত হবেন—এমনটাই প্রত্যাশা করেন ভুক্তভোগীরা।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park