
শাহিন আলম টেকনাফ //
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) গভীর রাতে পরিচালিত এ অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
গোপন সূত্রে তথ্য পাওয়ার পর টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি, একটি বিশেষ অভিযান পরিকল্পনা করেন। সেই অনুযায়ী, ২৭ অক্টোবর ভোররাতে নাজিরপাড়া বিওপি’র আওতাধীন নারিকেল কাঠি সংলগ্ন ‘সাইফুলের ঘের’ এলাকায় বিজিবির টহল দল কৌশলগত অবস্থান নেয়।
রাত আনুমানিক ২টার দিকে টহলদল ৪-৫ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে মিয়ানমার সীমান্ত থেকে নাফ নদী হয়ে ঘেরের পানির ভেতর দিয়ে বস্তা বহন করতে দেখে। বিজিবি সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করলে তারা দ্রুত বস্তাগুলো পানিতে ফেলে অন্ধকারের সুযোগে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে টহলদল ওই এলাকায় দীর্ঘ সময় তল্লাশি চালিয়ে পানিতে ভাসমান কয়েকটি বস্তা উদ্ধার করে। এসব বস্তা খুলে তল্লাশি করলে পাওয়া যায় ১,৮০,০০০ (এক লাখ আশি হাজার) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট।
বিজিবির তথ্যমতে, উদ্ধারকৃত ইয়াবাগুলোর প্যাকেটজাতকরণের ধরণ ও কোড থেকে ধারণা করা হচ্ছে এটি একটি আন্তর্জাতিক মাদকচক্রের চালান। ইতিমধ্যে চক্রটির স্থানীয় হোতাদের মধ্যে একজনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে।
পলাতক আসামীর নাম— জয়নাল আবেদীন (৩৩), পিতা: ইমান হোসেন, গ্রাম: খানকার ডেইল, ওয়ার্ড-০৯, টেকনাফ পৌরসভা, কক্সবাজার।
বিজিবি জানিয়েছে, মাদকদ্রব্য আইনে মামলা রুজু করে উদ্ধারকৃত ইয়াবা ও প্রমাণাদি টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হবে। পাশাপাশি চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
অভিযান সম্পর্কে টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি বলেন,সীমান্ত সুরক্ষা ও মাদক নির্মূলে বিজিবি সর্বদা প্রস্তুত। টেকনাফ ব্যাটালিয়নের মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।