
সঞ্জয় চন্দ্র দাস
তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ
কুমিল্লা জেলা তিতাস উপজেলা কলাকান্দি ইউনিয়ন মাছিমপুর বাজারে হাসান মাহমুদ অপু গং এবং আনিছ সরকার গংদের মধ্যে ৭ই জানুয়ারি মুঙ্গল বার দুপরের দিকে দুই দফা মারামারির ঘটনা ঘটে এতে উভয়পক্ষের ৬ জন আহত।
আহতরা হলেন মাছিমপুর গ্রামের মো: লিল মেম্বার, মো: হাসান মাহমুদ অপু,মোসামৎ রাশিদা, মো: বিল্লাল, মো: আনিছ সরকার মো: হানিফ সরকার আহতদের মধ্যে মো: লিল মেম্বার আশংকা জনক হওয়ায় উপজেলা স্ব্যাস্থ কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত ডাক্তার উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা প্রেরন করেন।
এ বিষয়ে মাছিমপুর বাজারের ব্যাবসায়ী মো: আনিছ সরকার বলেন মাছিমপুর বাজারে আশার আলো নামক একটি সঞ্চয় ও ঋনদান সমবায় সমিতি রয়েছে উক্ত সমিতির সভাপতি মাছিমপুর গ্রামের মো: অপু, উক্ত সমিতিতে মাছিমপুর বাজারের একাধিক ব্যাবসায়ী সঞ্চয় জমা রেখেছে বিশেষ করে আমার মার্কেটের একাধিক ব্যাবসায়ী সঞ্চয় জমা রেখেছেন মেয়াদ শেষে ব্যাবসায়ীদের টাকা ফেরৎ দিচ্ছে না ব্যাবসায়ীরা টাকা না পেয়ে আমার কাছে সহোযোগিতা চেয়েছে তাই আমি বাজারের সভাপতি মো: হাবিব সরকার ও সেক্রেটারি ইকবাল হোসেন বাবুল ভাই-কে জানাই তাদেরকে জানানোর পরও অপু টাকা দিচ্ছে না বরং আজকে অপু এবং তার ভাই ভাগিনা ও বোনেরা সংঘবদ্ধ হয়ে আমার ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা করে আমাকে এবং আমার ভাইকে আহত করে আমার দোকানের ক্যাশ থেকে ৭লক্ষ টাকা নিয়ে যায় আমি এ বিষয়ে আইনের আশ্রয় নিব।
অপরদিকে হাসান মাহমুদ অপুর বোন বলেন আমার আব্বা নামাজ পড়ে বাসায় আসার সময় মাছিমপুর পূর্ব বাজার ব্রীজের উপর আনিছ গংরা সংঘবদ্ধ হয়ে দেশী অস্ত্র নিয়ে আমার বাবার উপর হামলা করে এবং রাম দা দিয়ে আমার বাবার মাথায় কুপ মারে আমার বড় বোন বাবার নিকট গেলে আমার বোনকে মাথায় আগাত করে আমার ভাগিনার ছেলে ১৫ বছর বয়স বিল্লালকে আহত করে এখন আমার বাবার অবস্থা আশংকা জনক তিতাসে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক আমার বাবার উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা প্রেরন করেছে।
উভয় পক্ষের মারামারির খবর পেয়ে তিতাস থানা পুলিশ সাথে সাথে ঘটনাস্থলে এসে উভয় পক্ষের উত্তেজনা কর অবস্থা নিয়ন্ত্রণে আনে।