1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
রাজশাহীতে নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা ছিল আদালত চত্বর, আটক ৩৪ - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফয়সল আমীন ​দেবহাটায় জামায়াতের কর্মী ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত: সৎ নেতৃত্বের মাধ্যমেই ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠন সম্ভব। দিরাই জারুলিয়া গ্রামে ১৪টি বসতঘর ও আসবাবপত্র পুড়ে ছাই,আনুমানিক ৪/৫ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি বেলকুচিতে প্রশাসনের অভিযানের পরও থামছে না ডাইং কারখানার দূষণ নারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মিনি ম্যারাথন প্রতিযোগিতা আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে আট দফা দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের সংবাদ সম্মেলন পাঁচবিবিতে ভারতীয় সিরাপ ও ইয়াবাসহ আটক ৩ পাঁচবিবিতে উচ্চতা ৪ ফুট তবু থেমে নেই জীবনযুদ্ধ ১৬ বছর ধরে পরিশ্রমে সংসার চালান আল-আমিন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কলকলিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মুহিত মিয়ার নির্বাচনী মতবিনিময় সভা  সাতক্ষীরায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত

রাজশাহীতে নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা ছিল আদালত চত্বর, আটক ৩৪

মোঃমহাজামিল,স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই, ২০২৫
  • ২০০ বার পঠিত

‎
‎মোঃমহাজামিল,স্টাফ রিপোর্টার
‎কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ২০২৪ সালের জুলাই এর মাঝ থেকে শুরু হয় নির্বিচারে মানুষ হত্যা, গণগ্রেপ্তার, হামলা, মামলা ও গুম। এসবের প্রতিবাদে গতবছর ৩১ জুলাই সারাদেশে ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচির ডাক দেন জুলাই অভ্যুত্থানের নেতা-কর্মীরা। কর্মসূচিটি আদালত চত্বরের সামনে পালনের নির্দেশনা ছিল। দেশের বিভিন্ন জেলায় পুলিশি বাধা ও হামলা উপেক্ষা করে কর্মসূচি বাস্তবায়ন হলেও রাজশাহীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় কর্মসূচি ঠিকভাবে পালন করতে পারেননি শিক্ষার্থীরা।
‎
‎কর্মসূচি ঘোষণার খবরেই রাজশাহী মহানগর ও জেলাজুড়ে শুরু হয় গণগ্রেপ্তার। এ দিন আদালতের আশপাশের এলাকা থেকে ২৯ জনকে আটক করা হয়। এছাড়া জেলা পুলিশ আরও ৫ জনকেসহ মোট ৩৪ জনকে আটক করা হয়।২০২৪ সালের ৩১ জুলাই কি ঘটেছিল তা জানতে বাসসের পক্ষ থেকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মার্চ ফর জাস্টিস কর্মসূচি পালন করতে শিক্ষার্থীরা রাজশাহীর আদালত চত্বরে জড়ো হবেন এই খবর আগেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে পৌঁছে যায়। সকাল থেকেই পুলিশ, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিন (র‌্যাব) ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর বিপুল সদস্যকে আদালতের সামনে মোতায়েন করা হয়।
‎
‎পুলিশের পাশাপাশি নগর গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা সেখানে সাদা পোশাকে অবস্থান নেয়। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত আদালত সংলগ্ন এলাকায় ব্যাপক তৎপর ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অনেক নেতাকর্মীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সেদিন আদালতপাড়ায় পুলিশি তৎপরতার পাশপাশি নগরের প্রবেশ পথ ও বিভিন্ন এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি কার্যক্রম চালানো হয়।
‎
‎কোর্টের পাশে পুলিশের গাড়িতে হামলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা আরও বেড়ে যায়। নগরের মতিহার, বোয়ালিয়া ও রাজপাড়া থানা পুলিশ ২৯ জনকে বিভিন্ন স্থান থেকে আটক করে।
‎এদিকে, শিক্ষার্থীরা ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচি পালন করতে না পারলেও কোটা সংস্কার আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের কর্মসূচির প্রতি সমর্থন জানিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম। এ সময় তারা শিক্ষার্থীদের ৯ দফা মেনে নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। ৯ দফা না মানা হলে তারা সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবি জানাবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন।
‎
‎বিএনপিপন্থী শিক্ষকেরা মিছিল শেষে সমাবেশে বলেন, শিক্ষার্থীদের ৯ দফা মেনে নিন। অবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিন। লাশ নিয়ে সরকার রাজনীতি করছে। শিক্ষার্থীদের এই ৯ দফা দাবি না মানলে সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবি জানাবেন তারা। ছাত্র আন্দোলন পরাজিত হতে পারে না। তারা জয়ী হবেই।
‎
‎রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক মিশকাত চৌধুরী মিশু ৩১ জুলাইয়ের কর্মসূচি নিয়ে বাসস’কে বলেন, কর্মসূচি ঘোষণার পর পরই আমরা অনলাইনের মাধ্যমে সবাইকে রাজশাহীর আদালত চত্বরে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়েছিলাম। আদালত চত্বরে প্রোগামটি করবো এই খবর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী খবর পেয়ে যায়। এরপর আদালত চত্বরে বিপুল পরিমাণ পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়। কর্মসূচিস্থলে যেতে পথে ও বিভিন্ন স্থান থেকে প্রায় ৩০/৩৫ জনকে আটক করে পুলিশ ও ডিবি পুলিশ। পরিস্থিতি বিবেচনায় সেখানে আর কর্মসূচিটি পালনের জন্য যেতে পারিনি।
‎
‎মিশু বলেন, আমাদের যারা গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তাদের ছাড়ানোর জন্য আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বোয়ালিয়া, রাজপাড়া ও মতিহার থানায় গিয়েছিলেন। সেখানে আমাদের শিক্ষকরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসেছিলেন। স্যাররা কাউকে কাউকে ছাড়িয়ে আনতে পারলেও অনেককে চালান দিয়ে দেওয়া হয়। ৩১ জুলাই আমাদের জন্য খুবই দুর্বিসহ দিন ছিল। আমরা সব সময় গ্রেপ্তার আতঙ্কে ছিলাম।
‎
‎
‎
‎বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সম্মুখ সারির যোাদ্ধা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সালেহ হাসান নকীব বাসস’কে বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক আন্দোলনের সঙ্গে ছিলাম। যখন ঐক্যবদ্ধ হয়ে ভালো কোনো কাজ করা যায় তখন বিজয় সুনিশ্চিত হয়। আমরা বুঝতে পেরেছিলাম হাসিনার সরকার আর টিকবে না। তবে আন্দোলনের কয়দিন ছিল খুবই ভীতিকর ও কষ্টদায়ক।
‎
‎”সন্দেহভাজনভাবে অনেক নির্দোষকেও সাময়িক সময়ের জন্য আটক করা হয়।”
‎
‎
‎

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park