
সুমন চন্দ্র দে, মহেশখালী (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:
বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ী দ্বীপ ও বঙ্গোপসাগরে তীরবর্তী সমুদ্র ঘেরা কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলা। দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীতে ৮ ইউনিয়ন ও ১ পৌরসভায় জনসংখ্যা ৫ লক্ষাধিকের অধিক। একমাত্র উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, যেখানে পর্যাপ্ত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে মহেশখালী উপজেলার জনসাধারণ।
একটি মাত্র হাসপাতাল আছে তা হলো ৫০ শয্যা বিশিষ্ট, এরিয়ার জনসংখ্যানুপাতে এটা দিয়ে রোগীরা পর্যাপ্ত সেবা পাচ্ছে না। বর্তমান সময়ে উপজেলায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যাও বেড়েই চলেছে। যেখানে বেডের সংখ্যা পর্যাপ্ত না থাকায় অন্যান্য রোগীদের সাথে একই বেড়ে বা মেঝেতে বেডিং করে সেবা নিতে হচ্ছে। এছাড়াও শিশু ওয়ার্ডে একাধিক শিশু রোগী থাকায় এক বেডে ২/৩ জন করে স্বাস্থ্য সেবা নিচ্ছেন। ভর্তিকৃত রোগীর স্বজনরা বলেন, মহেশখালীর আপামর জনসাধারণের প্রাণের দাবি হয়ে উঠেছে ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল নিতান্তই প্রয়োজন। এমতাবস্থায় মহেশখালীবাসির প্রাণেরদাবি ৫ লক্ষাধিক জনগনের স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়াতে ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল দরকার।
পৌরসভা-১, বড় মহেশখালী, কুতুবজোম, হোয়ানক, কালারমারছড়া, ধলঘাটা, মাতারবাড়ি, শাপলাপুর ও ছোট মহেশখালী সবমিলিয়ে বৃহৎ এরিয়া।
অধিকাংশই সময় লক্ষ্য করা যাই, গর্ভবতী ও ডেলিভারি রোগীদের করুন অবস্থায় পড়তে হয়। রোগীদের বেটের সংকোলন না হয়ে ফ্লোরে পর্যন্ত ঠাঁই থাকেনা। তখন রোগীরা নিরুপায় হয়ে দিকবেদিক ছুটাছুটি করে তাদের আত্মচিৎকারে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠে।
এ ব্যাপারে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্হ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মাহফুজুল হকের সাথে মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মোবাইলে না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
মহেশখালী হাসপাতালের আর,এম,ও ডাঃ মোঃ আজমল হুদা শেহজাদ জানান, মহেশখালী হচ্ছে একটি দ্বীপ এলাকা মহেশখালী থেকে কক্সবাজারে রোগীদের আনা নেওয়া দুরহ ব্যাপার, মহেশখালীতে ৪ লক্ষাধিক জনগন তাই ৫০ পয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল দিয়ে রোগীরা কাঙ্খিত সেবা পাচ্ছেনা ১০০ শয্যা উন্নীত করা দরকার। পূর্বে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার জন্য অবহিত করা হয়েছিল। মহেশখালী হাসপাতাল বর্তমানে ৫০ শয্যা এখানে ও প্রচুর পরিমানে জনবল সংকট আছে।