
শাহিন অলম টেকনাফ//
কক্সবাজার টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের মন্ডল পাড়া এলাকার সুনামধন্য ব্যবসায়ী ও সাবেক মেম্বার হাবিবুর রহমান ও মরিয়ম বেগমের কন্যা। তিনি ঢাকায় আইন পেশায় যোগ দিয়ে আরেকটি গর্বিত অধ্যায় শুরু করলেন দেশের নতুন প্রজন্মের এক উদ্যমী তরুণী।
ফারজানা আক্তারের পিতা হাবিবুর রহমান ও মাতা মরিয়ম বেগম , কালো ব্লেজার এবং সাদা ব্যান্ড পরিয়ে দেন মা-বাবার পাশে দাঁড়িয়ে। তার আত্মবিশ্বাসী হাসি এবং গর্বিত বাবা-মায়ের চোখে আনন্দ ও গর্বের ঝলক স্পষ্ট।
তিনি,শাহ ওয়ালীউল্লাহ স্কুল, গুলজার বেগম স্কুল, কলেজ ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ,অনার্স এলএলবি,এল এল এম মাস্টার্স প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি।
তরুণ এই আইনজীবী ফারাজানা আক্তার জানান,বাবার হাতে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবীর ব্যান্ড পরে খুবই আনন্দিত আমার বাবাও আনন্দিত – আমি এই জায়গায় পৌঁছতে পেরেছি । আমি প্রথমে চট্টগ্রাম জর্জ কোর্টের আইনজীবী হয়েছি বর্তমানে ঢাকা হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী হয়েছি সব কিছু আমার বাবার মার কারণে সম্ভব হয়েছে । আমার বাবা সব সময় আমার পাশে ছিলেন ।
আমাকে সব সময় পড়া লিখা করার জন্য উৎসাহ দিয়েছেন । মানুষটি নিঃশব্দে, অক্লান্ত পরিশ্রম করে গেছেন, সব সময় ছায়ার মতো পাশে থেকেছেন, আপনাদের সবার দোয়া ও ভালোবাসা কামনা করছি – যেন এই দায়িত্বশীল পেশার মর্যাদা আমি সারাজীবন অটুটভাবে রক্ষা করতে পারি।” আমার বাবা মার হাতে ব্যান্ডটা পড়তে পেরে সত্যি কৃতজ্ঞ ।
জানতে চাইলে অ্যাডভোকেট ফারজানা আক্তারের পিতা সুনামধন্য ব্যবসায়ী ও সাবেক মেম্বার হাবিবুর রহমান বলেন
এই অর্জন শুধু ব্যক্তি নয়, পরিবার ও সমাজের জন্যও এক ইতিবাচক বার্তা বহন করে। নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষার গুরুত্ব এবং পারিবারিক সমর্থনের ভূমিকায় তরুণ প্রজন্মের জন্য এটি হতে পারে এক অনুপ্রেরণার গল্প – যেখানে আত্মবিশ্বাস, অধ্যবসায় এবং পরিবারকে সাথে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।