1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
ধসে পড়ল কুতুবদিয়ার লেমশীখালী–কৈয়ারবিল সংযোগ সেতু, বিচ্ছিন্ন সড়ক যোগাযোগ; চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ। - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফয়সল আমীন ​দেবহাটায় জামায়াতের কর্মী ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত: সৎ নেতৃত্বের মাধ্যমেই ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠন সম্ভব। দিরাই জারুলিয়া গ্রামে ১৪টি বসতঘর ও আসবাবপত্র পুড়ে ছাই,আনুমানিক ৪/৫ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি বেলকুচিতে প্রশাসনের অভিযানের পরও থামছে না ডাইং কারখানার দূষণ নারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মিনি ম্যারাথন প্রতিযোগিতা আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে আট দফা দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের সংবাদ সম্মেলন পাঁচবিবিতে ভারতীয় সিরাপ ও ইয়াবাসহ আটক ৩ পাঁচবিবিতে উচ্চতা ৪ ফুট তবু থেমে নেই জীবনযুদ্ধ ১৬ বছর ধরে পরিশ্রমে সংসার চালান আল-আমিন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কলকলিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মুহিত মিয়ার নির্বাচনী মতবিনিময় সভা  সাতক্ষীরায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত

ধসে পড়ল কুতুবদিয়ার লেমশীখালী–কৈয়ারবিল সংযোগ সেতু, বিচ্ছিন্ন সড়ক যোগাযোগ; চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ।

সুমন চন্দ্র দে, কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬
  • ৪৪ বার পঠিত

সুমন চন্দ্র দে, কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলার লেমশীখালী ও কৈয়ারবিল ইউনিয়নের সংযোগকারী পিলটকাটা খালের ওপর নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ সেতুর একটি অংশ ধসে পড়েছে। এতে দুই ইউনিয়নের মধ্যে সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে এবং স্থানীয় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

৬ জুলাই (সোমবার) সকালে হঠাৎ সেতুর একটি অংশ ভেঙে পড়ে। দুর্ঘটনা এড়াতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেতু দিয়ে সব ধরনের যানবাহন ও সাধারণ মানুষের চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।

স্থানীয়দের জানান, প্রতিদিন এই সেতু ব্যবহার করে হাজারো মানুষ যাতায়াত করেন। সেতুটি ধসে পড়ায় শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও রোগীদের চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি কৃষিপণ্য, মাছ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহনেও দেখা দিয়েছে বড় ধরনের সংকট। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত সেতুটি পুনর্নির্মাণ অথবা বিকল্প চলাচলের ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধুমাত্র বৃষ্টির কারণে একটি সঠিকভাবে নকশা ও নির্মিত সেতু ধসে পড়ার কথা নয়। তবে টানা ভারী বর্ষণে খাল বা নদীর পানির প্রবাহ বৃদ্ধি পেলে পিলারের নিচের মাটি সরে যেতে পারে, যাকে প্রকৌশলবিদ্যায় স্কাওর (Scour) বলা হয়। এতে সেতুর ভিত্তি দুর্বল হয়ে কাঠামোগত ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

এ ছাড়া দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণের অভাব, রডে মরিচা, কংক্রিটে ফাটল, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী, নকশাগত ত্রুটি, নির্মাণে অনিয়ম কিংবা ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত ওজনের যানবাহন চলাচলের মতো কারণও সেতু ধসের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। ভারী বৃষ্টি এসব বিদ্যমান দুর্বলতাকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারে।

তবে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের মতে, সেতুটি ঠিক কী কারণে ধসে পড়েছে, তা নিশ্চিত হতে প্রকৌশলগত তদন্ত ও ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত বিশ্লেষণ প্রয়োজন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park