
মোঃ তারেক রহমান মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার ৪নং রূপবাটী ইউনিয়নে শুরু হয়েছে নির্বাচনী আমেজ। সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে রফিকুল ইসলামের নাম এখন সবচেয়ে বেশি আলোচিত। ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম, হাট-বাজার ও জনসমাগমস্থলে তার প্রার্থিতা নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক, শিক্ষামূলক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন রফিকুল ইসলাম। সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ানো, বিভিন্ন উন্নয়নমূলক উদ্যোগে সম্পৃক্ত থাকা এবং জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যে এলাকাবাসীর আস্থা অর্জন করেছেন।
রূপবাটী ইউনিয়ন শাহজাদপুর উপজেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইউনিয়ন। জনসংখ্যা ও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এ ইউনিয়নের নির্বাচনী গুরুত্বও বেশ বেশি। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ এবং মাঠপর্যায়ে সক্রিয় উপস্থিতির কারণে রফিকুল ইসলাম ইতোমধ্যে একটি শক্তিশালী জনভিত্তি গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছেন।
সম্ভাব্য প্রার্থী রফিকুল ইসলাম বলেন, “রূপবাটী ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই আমার মূল লক্ষ্য। জনগণ আমাকে সুযোগ দিলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও যুব উন্নয়নের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করবো।”
তিনি আরও বলেন, “আমি একটি আধুনিক, মাদকমুক্ত ও দুর্নীতিমুক্ত রূপবাটী ইউনিয়ন গড়ে তুলতে চাই। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে আমি ইউনিয়নবাসীর দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করছি।”
ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, এখনও নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণা না হলেও সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে ভোটারদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। উন্নয়ন, সুশাসন ও জনসম্পৃক্ততাকে কেন্দ্র করেই আগামী নির্বাচনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে উঠবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
অনেক ভোটারের ভাষ্য, রূপবাটী ইউনিয়নের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সৎ, যোগ্য ও কর্মঠ নেতৃত্বের বিকল্প নেই। সেই বিবেচনায় রফিকুল ইসলামের প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে।
আসন্ন নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত জনগণের রায়ই নির্ধারণ করবে কে হবেন রূপবাটী ইউনিয়ন পরিষদের আগামী দিনের কর্ণধার। তবে নির্বাচনী মাঠে রফিকুল ইসলামের সক্রিয় উপস্থিতি, জনসংযোগ এবং উন্নয়নের অঙ্গীকার তাকে ইতোমধ্যেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।