নজরুল ইসলাম হাবিবী ‘গুলি’ ‘গুলো’ ‘টি’ ‘টা’ ‘খানা’ আর ‘খানি’ সর্বদা এক শব্দে করে কানাকানি। ঐ আসে অতিথিরা টেবল খানা দাও তার আগে টেবলখানা ধুয়ে মুছে নাও।
–আব্দুস সালাম জীবন এত মধুর যে হয় বুঝিনি তা আগে তোমার পরশ পেতে হৃদয় দিবা-নিশি জাগে তোমার মুখের কথাগুলো মিষ্টি মধুর সুর হিয়ার সকল বেদনগুলো মুহুর্তে হয় দুর।
ডা কাজী আনোয়ার হোসেন বাঘাবারো ভাগ্যের চাকা স্রষ্টা ঘুরায় বিজ্ঞ লোকে চেষ্টা করে, ভাগ্য বলে আছি ধরায় ছুঁতে পারলে নাও তো ধরে। সত্য পথে ধৈর্য ধরে ভালবাসলে
মোহাম্মদ ওয়াসিম সাত-সকালে শিশির জমে সবুজ শ্যামল ঘাসে, গ্রামটি যেন ফিরল আবার নতুন দিনের বেশে। পশুপাখি সবাই মিলে ভাবে খানিক বসে, চাঙা করবে শরীর খানি মিষ্টি রোদে মিশে
শেখ মোমতাজুল করিম শিপলু : জন্মেছে যে মরুর বুকে জন্ম আরব দেশে, জাহেলিয়াত বিনাস করে নবী রাসুল বেশে। অনুভবে অনুক্ষণে বিচক্ষণে জানে, সুপথগামীর বিপদ না হয় বেহেশতের
মজনু মিয়া শরৎ আসে মিষ্টি হেসে তালের পিঠা নিয়ে, শরৎ ভাসে দূর আকাশে আলপনার ছাপ দিয়ে। শরৎ আসে কাশের বনে ফুটে কাশের ফুল, শরৎ যেন মিষ্টি হাওয়ায়
মীর ছালেহা এইতো জীবন, নিরন্তর বয়ে যায় ওপারের আশায় আর এপারে- সুখ-দুঃখ মিশ্রণের ভালবাসায়। যা চাই,না পেলেও হে অধিশ্বর! নেই কোনো অভিযোগ, শুধু প্রার্থণা, ওখানে রেখোনা তুমি অগোচর!
ডা কাজী আনোয়ার হোসেন বাঘাবারো বাঁদর জ্বালায় পিয়ারা খায় বাঁদর ধরতে হাঁকে , রাতে সনি গাছের তলায় চুপটি করে থাকে। বাঁদর এসে ঠিক খেয়ে যায় ধরতে নাহি
রাহেলা আক্তার পুচকি সোনা বায়না ধরলো খাবে তালের পিঠা, ভাদ্র মাসের তালের রসে খেতে ভারি মিঠা। পাঁকা তালের সুবাস ছড়ায় গন্ধে মৌ মৌ করে, লোভ সামলানো দায়
নার্গিস আক্তার জুই চামেলি, বকুল বনে ফুলের ছড়াছড়ি , মাটিতে খায় গড়াগড়ি মন রয় না যে বাড়ি। প্রহর শেষে প্রভাত এলো সূর্য তো ওঠেনি চলনা সখী বকুল