_আর. এম. কারিমুল্লাহ (পশ্চিমবঙ্গ, ভারত) আষাঢ় শ্রাবনে মেঘ বালিকা ফোটাঁয় ফোটাঁয় নামে- বাধা দিয়ে পালিয়ে যাই সকল কাজ কামে । সাদা সাদা কাশফুল গুলো ফুটে নদীর চরে –
মজনু মিয় দমক চমক দেখিয়ে যে কাড়তে চায় মন জরিনা, আসলে তো দেখছি ভেবে কাজের কাজ তার কিছু না। অর্থ বেশ আর ক্ষমতা তার এমন কথার দিন যে
দিও ক্ষমা কর শাহরিন বিনতে রবিউল দুনিয়ার এই রঙ্গিন সংসারে, আমি তখন থাকবো না পরে। নাম খানি ও মুছে যাবে, ঘর হবে অন্ধকার কবরে। আছে যত প্রিয়জন আমার,
আসাদুজ্জামান খান মুকু যমুনার তীরে আঁধারেতে ঘিরে বাজে বনমালী বাঁশি, রাধার নয়নে লাজে ক্ষণে ক্ষণে জাগে তারে ভালোবাসি। যমুনার জলে ঢেউ খেলে চলে বহিয়া দখিনা বায়, রাধিকা
গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি আব্দুল কাদের ঝরছে টানা বৃষ্টির ফোঁটা সকাল দুপুর সাঁঝে বৃষ্টি এলে বাড়ে কষ্ট সবার হৃদয় মাঝে । মনে লাগে ভয়ের কারণ একলা ঘরে বসে বৃষ্টি
আম্মুর আড়ি মোহাম্মদ ওয়াসিম বৃষ্টি এলো ঝুম ঝুমা ঝুম মন বলেছে হেঁসে, ইচ্ছে মতো ভিজতে হবে খেলার মাঠে এসে। ইলশেগুঁড়ি রূপ নিয়েছে মাঠ হয়েছে কাঁদা, খুব করে তাই
আমি কে??? হালিমা সুলতানা সব শেষে আমি ছায়াহীন কায়াহীন এক খন্ড মাটি। অতৃপ্ত চোখে চেয়ে দেখি আমার আমি ছাড়া সবই পর। অতি যত্নে গড়া দেহের মাঝে যার অস্তিত্ব সেও
আরকি হবে লুট শেখ মোমতাজুল করিম শিপলু জলমহাল আর খাসের জমি লুটেপুটে খা, হরিলুটের রামরাজত্বে ঘায়ের পরে ঘা। বনজঙ্গল আর পর্বতমালা কেটে হচ্ছে সার, সাদা পাথর মাটি বালি
কাজী আনোয়ার হোসেন বাঘাবারো বাবা সলিম বলে খোকা পার্থনাটা আগে তার পর হালকা নাস্তা করে স্যারের পড়া পড়, পড়া মুখস্থ করে পড়াটা লিখলে ঠুটোঁস্হ যে হয় অংক করো বুঝে বুঝে
অতীত বর্তমান হালিমা সুলতানা আবার একটা যুদ্ধ চাই, আত্মার মাঝে শান্তি নাই। মানুষ রূপে মানুষ কই? পশুর দেহে আঁকড়ে রই। কুকুর গেলো শেয়ালটা এলো, লাউয়ের নামই কদু তবে? হায়নারা সব