1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
খুলনায় যমুনা টেলিভিশনের প্রতিনিধি লাঞ্ছিত হন। - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০১:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাগমারায় সাংবাদিকের ফেসবুক আইডি হ্যাক করে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্র ​সাতক্ষীরা সীমান্তে অভিনব কায়দা: মলদ্বারে লুকিয়ে পাচারের সময় ১.৫৫ কোটি টাকার স্বর্ণসহ ভারতীয় নাগরিক আটক পাবিপ্রবিতে ডিবেটিং সোসাইটির কমিটি নিয়ে বিতর্ক, আলোচনায় শিবির সভাপতি ​সাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ২০২৭ সালের ইংরেজি নববর্ষ প্রকাশনার উদ্বোধন। সাতক্ষীরায় ৩০০ বোতল ফেন্সিডিলসহ শীর্ষ মাদক কারবারি পল্টু গ্রেপ্তার রাসায়নিক দিয়ে কদবেল পাকানোর দায়ে ফল ব্যবসায়ীকে জরিমানা বিরামপুরে দুই কিলোমিটার হেঁটে ফুটপাতের দখল দেখলেন ইউএনও, ব্যবসায়ীদের সতর্কবার্তা দামুড়হুদায় ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে সুপারভাইজার ও তথ্যসংগ্রহকারীদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত পাঁচবিবিতে যুব দিবসে গাছের চারা বিতরণ ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের উদ্যোগে নদীভাঙন রোধে জিও ব্যাগ স্থাপন

খুলনায় যমুনা টেলিভিশনের প্রতিনিধি লাঞ্ছিত হন।

শাহাদাত হোসেন নোবেল :খুলনা
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৮ জুলাই, ২০২৪
  • ১১৯ বার পঠিত

শাহাদাত হোসেন নোবেল :খুলনা
খুলনা জেলা পরিষদে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে যমুনা টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি রাশেদ নিজাম লাঞ্ছিত হন। গতকাল সোমবার (৮ জুন) দুপুরে খুলনা জেলা পরিষদের ভূমি ও দোকান বন্দবন্তের অনিয়মের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে শারিরিক ভাবে লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন যমুনা টিভির বিশেষ প্রতিনিধি রাশেদ নিজাম। খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহবুবুর রহমানের কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনায় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের নিকট লিখিত অভিযোগ এবং খুলনা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছে ভূক্তভোগী সাংবাদিক রাশেদ নিজাম। তবে লাঞ্ছিত করার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহবুবুর রহমান।
জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, খুলনার চুকনগরে জেলা পরিষদের স্থানে মার্কেট নির্মাণ হচ্ছে। সেখানে দোকান বরাদ্দ নিয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ আছে। যার বড় অংশের সঙ্গে খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহবুবুর রহমান জড়িত আছে মর্মে জানতে পারি। আমি ক্যামেরাম্যানসহ আজ দুপুর ১২টার দিকে জেলা পরিষদে তার কক্ষে সাক্ষাৎকার নিতে যাই। এসময় তিনি হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে আমাকে এবং আমার ক্যামেরাম্যানকে শারীরিকভাবে আঘাত করেন। ধাক্কা দিয়ে রুম থেকে বের করে দেন এবং ক্যামেরার মেমোরি কার্ড ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করে এবং আমাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেন। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছি এবং নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেছি।
অভিযোগ অস্বীকার করে খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহবুবুর রহমান বলেন, লাঞ্ছিতের কোন ঘটনা ঘটেনি। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, কসম দিয়ে বলছি এমন কোন ঘটনা ঘটেনি। নেগেটিভলি আমাদের বিরুদ্ধে আসছে ওরা। তাই তারা একটা মিথ্যা কথা বলে পজিশন ক্রিয়েট করছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park