1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
বেলকুচিতে প্রশাসনের অভিযানের পরও থামছে না ডাইং কারখানার দূষণ - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বেলকুচিতে প্রশাসনের অভিযানের পরও থামছে না ডাইং কারখানার দূষণ নারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মিনি ম্যারাথন প্রতিযোগিতা আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে আট দফা দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের সংবাদ সম্মেলন পাঁচবিবিতে ভারতীয় সিরাপ ও ইয়াবাসহ আটক ৩ পাঁচবিবিতে উচ্চতা ৪ ফুট তবু থেমে নেই জীবনযুদ্ধ ১৬ বছর ধরে পরিশ্রমে সংসার চালান আল-আমিন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কলকলিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মুহিত মিয়ার নির্বাচনী মতবিনিময় সভা  সাতক্ষীরায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত বাগমারায় সাংবাদিকের ফেসবুক আইডি হ্যাক করে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্র ​সাতক্ষীরা সীমান্তে অভিনব কায়দা: মলদ্বারে লুকিয়ে পাচারের সময় ১.৫৫ কোটি টাকার স্বর্ণসহ ভারতীয় নাগরিক আটক পাবিপ্রবিতে ডিবেটিং সোসাইটির কমিটি নিয়ে বিতর্ক, আলোচনায় শিবির সভাপতি

বেলকুচিতে প্রশাসনের অভিযানের পরও থামছে না ডাইং কারখানার দূষণ

বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬
  • ২২ বার পঠিত

বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি:
সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে প্রশাসনের একাধিক অভিযানের পরও বন্ধ হচ্ছে না অবৈধ ভাবে সুতা রং করার (ডাইং) কারখানাগুলোর দৌরাত্ম্য। নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে এসব কারখানায় জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর কেমিক্যাল বা রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হচ্ছে। শুধু তা-ই নয়, বিষাক্ত রাসায়নিক বর্জ্য সরাসরি ফেলা হচ্ছে খোলা জায়গায় ও জলাশয়ে। ফলে এলাকার পরিবেশ যেমন মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে, তেমনি চরম হুমকির মুখে পড়েছে স্থানীয় জীববৈচিত্র্য ও জনস্বাস্থ্য।

​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেলকুচির বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে কোনো প্রকার পরিবেশগত ছাড়পত্র ও ইটিপি প্লান (বর্জ্য শোধনাগার) ছাড়াই গড়ে উঠেছে এসব ডাইং কারখানা। প্রক্রিয়াজাতকরণের পর সুতায় ব্যবহৃত বিষাক্ত কেমিক্যাল মিশ্রিত বর্জ্য পানি সরাসরি আশপাশের কৃষিজমি, নালা-নর্দমা, পুকুর ও নদীতে গড়াচ্ছে। এতে করে জমির উর্বরতা শক্তি নষ্ট হচ্ছে এবং আশপাশের জলাশয়ের মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণী মারা যাচ্ছে।

​এলাকাবাসীর অভিযোগ, মাঝে মাঝে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযান চালিয়ে জরিমানা বা কারখানা সাময়িক বন্ধ করে দেওয়া হলেও কিছুদিন যেতে না যেতেই পুনরায় শুরু হয় একই কর্মকাণ্ড। দুর্গন্ধে আশপাশের মানুষের বসবাস করা দায় হয়ে পড়েছে। নলকূপ থেকে পানি তুলেও স্বস্তি নেই। কারখানার আশপাশের বাড়িগুলোর টিউবওয়েল পানিতেও মিলছে ক্ষতিকারক কেমিক্যালের মিশ্রিত পানি। যা ব্যবহার ও পান করার ফলে চর্মরোগ, শ্বাসকষ্টসহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দারা।

কয়েকজন ডাইং কারখানা মালিকের সাথে কথা হলে তারা জানান, এই এলাকার অর্থনিতির প্রধান চালিকা শক্তি হচ্ছে তাঁত শিল্প। এ শিল্পকে বাঁচাতে হলে ডাইং কারখানা টিকিয়ে রাখতে হবে।
তবে প্রশাসনের পক্ষ অভিযান না দিয়ে যদি সরকারি সহযোগিতায় ইটিপি প্লান (ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট) স্থাপন করা হয় তাহলে পরিবেশ দূষন হবে না। মানুষের সমস্যা হবে না। আমাদের তাঁত শিল্পটাকেও বাঁচানো যাবে বলে মনে করেন তারা।

এবিষয়ে সিরাজগঞ্জের পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক তুহিন আলম বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে অবৈধ ডাইং কারখানায় অভিযান পরিচালনা করে থাকি। কারখানা বন্ধ ও অর্থদন্ড প্রদান করা হয়। তবে এতে আসলে প্রকৃত ভাবে এই এলাকার সমস্যা সমাধান হচ্ছে না। আমরা বিষয়টি সম্পর্কে আমাদের উর্ধতন কর্মকর্তাদের অবহিত করেছি। আশা করছি তারা খুব দ্রুত এ সমস্যা সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park