1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
ধোবাউড়া সাবরেজিস্টার অফিসে শ্রেণি জালিয়াতিতে সরকারি রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ। - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাগমারায় সাংবাদিকের ফেসবুক আইডি হ্যাক করে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্র ​সাতক্ষীরা সীমান্তে অভিনব কায়দা: মলদ্বারে লুকিয়ে পাচারের সময় ১.৫৫ কোটি টাকার স্বর্ণসহ ভারতীয় নাগরিক আটক পাবিপ্রবিতে ডিবেটিং সোসাইটির কমিটি নিয়ে বিতর্ক, আলোচনায় শিবির সভাপতি ​সাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ২০২৭ সালের ইংরেজি নববর্ষ প্রকাশনার উদ্বোধন। সাতক্ষীরায় ৩০০ বোতল ফেন্সিডিলসহ শীর্ষ মাদক কারবারি পল্টু গ্রেপ্তার রাসায়নিক দিয়ে কদবেল পাকানোর দায়ে ফল ব্যবসায়ীকে জরিমানা বিরামপুরে দুই কিলোমিটার হেঁটে ফুটপাতের দখল দেখলেন ইউএনও, ব্যবসায়ীদের সতর্কবার্তা দামুড়হুদায় ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে সুপারভাইজার ও তথ্যসংগ্রহকারীদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত পাঁচবিবিতে যুব দিবসে গাছের চারা বিতরণ ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের উদ্যোগে নদীভাঙন রোধে জিও ব্যাগ স্থাপন

ধোবাউড়া সাবরেজিস্টার অফিসে শ্রেণি জালিয়াতিতে সরকারি রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ।

তাসলিমা রত্না ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬
  • ৬০ বার পঠিত

তাসলিমা রত্না ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি

ময়মনসিংহ জেলার ধৌবাউড়া সাব রেজিস্ট্রি অফিসে জমির শ্রেণি জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে দলিল লেখক হাবিবুর রহমান। পিতা-ওহেদ আলী। গ্রাম-কড়ইগড়া, সনদ নং-৪৫৬১ এর বিরুদ্ধে। উপজেলার দক্ষিণমাইজপাড়া ইউনিয়নের কালিকাবাড়ী মৌজায় এক খতিয়ানের জমি ‘নামা’ থেকে ‘কান্দা’ দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একটি অসাধু চক্র। এতে সরকার বঞ্চিত হচ্ছে মোটা অঙ্কের রাজস্ব থেকে। জানা যায়, ২০২৬ সালের ১৪৫৪ নং দলিলের ২৪ শতাংশ জমি গত ২ জুন রেজিস্ট্রি করা হয়। সরকারি রেকর্ড ও ভলিউম অনুযায়ী ওই জমির শ্রেণি’নামা’। অথচ রেজিস্ট্রেশনের সময় কৌশলে শ্রেণি পরিবর্তন করে ‘কান্দা’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। রাজস্ব বিভাগের তথ্যমতে, কালিকাবাড়ী মৌজায় বর্তমানে প্রতি শতাংশ ‘নামা’ জমির সরকারি ফি ৮ হাজার ৯৮ টাকা।
অন্যদিকে, ‘কান্দা’ জমির ফি ৩ হাজার ৭১৩ টাকা। শ্রেণি পরিবর্তনের ফলে প্রতি শতাংশে সরকার প্রায় ৪ হাজার ৩৮৫ টাকা করে রাজস্ব হারিয়েছে। ২৪ শতাংশ জমিতে এই অনিয়মের কারণে সরকারের লক্ষাধিক টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের বক্তব্য: সভুক্তভোগী সোহেল মিয়া জানান, “আমি দলিল লেখককে বিশ্বাস করেছিলাম। কিন্তু তিনি নামা জমিকে কান্দা হিসেবে দেখিয়ে বুঝছি না। রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছেন তাও বুঝিনা গার্ডিয়ানকে জানান। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক দলিল লেখক আক্ষেপ করে বলেন, কিছু অসাধু দলিল লেখকের অনৈতিক কর্মকান্ডে দায়ভার পুরো পেশাজীবীদের ওপর এসে পড়ছে, যা অত্যন্ত লজ্জাজনক। দক্ষিণমাইজপাড়া ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা আব্দুল হালিম স্পষ্ট জানিয়েছেন, “ভূমি অফিসের ভলিউম বা খতিয়ানে জমিটি স্পষ্টভাবে ‘নামা’ শ্রেণিভূক্ত। দলিল লেখক হাবিবুর রহমান এর সাথে মঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। ধোবাউড়া সাব-রেজিস্ট্রার আজমেরী নির্ঝর গণমাধ্যমকে বলেন, “এমন ভুলের দায় শুধু আমার একার নয়, এর সঙ্গে দাতা-গ্রহিতা ও দলিল লেখক জড়িত। ‘লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।” উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: মোশারফ হোসাইন গণমাধ্যমকে বলেন, “অনিয়মের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। রাজস্ব আদায়ের জন্য জেলা কালেক্টর বরাবর দ্রুতই চিঠি পাঠানো হবে।” সচেতন মহলের দাব

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park