
সাব্বির আহমেদ, ইবি প্রতিনিধি
ইবি: সমন্বিত গুচ্ছভুক্ত দেশের ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ‘এ’ (বিজ্ঞান) ইউনিটের অধীনে আর্কিটেকচারের ব্যাবহারিক (ড্রয়িং) পরীক্ষায় নির্ধারিত সময়ের পূর্বে কক্ষ না খোলার অভিযোগ উঠেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) কেন্দ্রে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেল তিনটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনের প্রথম ও দ্বিতীয় তলার চারটি কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, শুক্রবার বিকেল তিনটা থেকে চারটা পর্যন্ত এ ব্যাবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট পূর্বে দুপুর আড়াইটায় কক্ষগুলো খুলে দেওয়ার কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ে কক্ষ খোলা সম্ভব না হওয়ায় পরীক্ষার্থীদের মধ্যে উৎকণ্ঠা দেখা দেয়। এ ঘটনায় পরীক্ষার্থীদের মধ্যে সাময়িক উদ্বেগ ও ভোগান্তির সৃষ্টি হয়।
পরে পরীক্ষা শুরুর মাত্র চার মিনিট আগে বিকেল ২টা ৫৬ মিনিটে প্রক্টরিয়াল বডির উপস্থিতিতে তালা ভেঙে দ্রুত পরীক্ষার্থীদের কক্ষে প্রবেশ করানো হয় এবং নির্ধারিত সময় থেকে ৫ মিনিট বৃদ্ধি করা হয়।
এসময় ইবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামানসহ প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে ‘এ’ ইউনিটের সমন্বয়কারী অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান বলেন, আজকে নামাজের দিনে কর্মচারীদের অনেকেই খেতে গিয়েছিল। যার ফলে কিছুটা সময় বিলম্বিত হয়েছে। যদিও আমরা শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে ৫ মিনিট সময় বাড়িয়ে দিয়েছি, এর পরেও সিট প্লানিং কমিটি ও শৃঙ্খলায় দায়িত্বপ্রাপ্তদের সচেতন হওয়া উচিত ছিল বলে আমি মনে করি।
এ বিষয়ে গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের পরীক্ষা কমিটির সচিব ও ইবির ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমি অবগত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট বিভাগের সভাপতিদের জানানো হয়। পরে তারা তালা ভেঙে শিক্ষার্থীদেরকে কক্ষে প্রবেশ করায়।
এদিকে, আর্কিটেকচার ব্যাবহারিক পরীক্ষা ইবি কেন্দ্রে ২০৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উপস্থিত হয়েছেন ১০০ জন। উপস্থিতির হার ছিল ৪৭ দশমিক ৮৫ শতাংশ।