
আব্দুল হাকিম সবুজ
কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:
৯ই মার্চ সোমবার দৈনিক ইনকিলাব ও প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকায় কুড়িগ্রাম জেলার শীর্ষ নেতৃবৃন্দ কে নিয়ে মিথ্যা বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ পরিবেশন করা হয়।
উক্ত সংবাদ টি কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দের দৃষ্টিগোচর হলে জেলা বিএনপির দলীয় প্যাডে তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেন।
বিবৃতিতে জানানো হয়
কুড়িগ্রাম জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি প্রকল্পের কাজের অনিয়মের অভিযোগ এনে কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহবায়ক মোস্তাফুজুর রহমান মোস্তফা,কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সোহেল সোহাইন কায়কোবাদ ও কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক হাসিবুল ইসলাম হাসীব কে জড়িয়ে মিথ্যা অসত্য কাল্পনিক সংবাদ পরিবেশন করা হয়
উক্ত সংবাদে কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফার বিষয়ে বলা হয় তার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের অধীনে জেলার রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়াল ডাঙ্গা ইউনিয়নে তিস্তা নদীর তীর সংরক্ষণ কাজে ১ কোটি ৩৭ লক্ষ টাকা ব্যয়ে জিও ব্যাগ টেক্সটাইলের কাজ করা হচ্ছে।
উক্ত কাজের শর্ত ও বিধি ভঙ্গ করে নিম্ন মানের কাজ করায় ইতিমধ্যে ৬ হাজার জিও ব্যাগ বাতিল করেন কুড়িগ্রাম পাউবো কর্তৃপক্ষ।
এছাড়াও ৬ হাজার জিও ব্যাগ বাতিল করায় কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির শীর্ষ তিন নেতা গত ৫ই মার্চ ২০২৬ইং কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসানের অফিসে গিয়ে ৬হাজার জিও ব্যাগ বাতিল করায় ক্ষোভ প্রকাশ করে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের অভিযোগও আনেনে উক্ত প্রতিবেদনে।
অথচ জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসানের অফিসে যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের অভিযোগ আনা হয় মুলত কুড়িগ্রাম জেলা একটি নদী মাত্রিক জেলা প্রতি বছর বন্যায় নদী ভাঙ্গন লেগেই থাকে।
নদী ভাঙ্গনরোধে বিএনপি সরকারের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ হিসাবে জেলার বিভিন্ন নদ-নদী ভাঙ্গনরোধে বিএনপি সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পরামর্শ করার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসানের অফিসে যান।
জেলা বিএনপির বিবৃতিতে আরও জানানো হয় গত ৯ই মার্চের দৈনিক ইনকিলাব ও দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে ব্যক্তিগত আক্রোশের জেরে প্রকৃত তথ্য উপাত্ত যাচাই-বাছাই না করে জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতাদের জড়িয়ে মনগড়া ও কাল্পনিক সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে যা একজন সাংবাদিক হিসাবে অপেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েছেন।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে জেলা বিএনপির আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাফার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান তিস্তা নদীর তীর রক্ষার কাজ করছে অথচ এই কাজের সাথে কোন রকম সংশ্লিষ্টতা জেলা বিএনপির আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফার নেই।
এমনকি সংবাদে জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দের সাথে কোন রকম যোগাযোগ না করে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়েই মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদ পরিবেশন করে একজন অপেশাদার সাংবাদিক হিসেবে ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার হীন মন-মানুসিকতার পরিচয় দিয়েছেন।
মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করায় জেলা বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে মর্মে ভবিষ্যৎ এই ধরনের ভুলের পুনরাবৃত্তি ঘটলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বিবৃতিতে জানানো হয়।