
মোঃমহাজামিল,রাজশাহী
এমপি মিলনের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির মাঝেই রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অব্যাহত রয়েছে অবৈধ পুকুর খনন ও কৃষিজমির উর্বর মাটি বিক্রির রমরমা ব্যবসা। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের একের পর এক অভিযান ও সতর্কবার্তার পরও গভীর রাতে এক্সকাভেটর (ভেকু) দিয়ে জমি কেটে ট্রাকযোগে মাটি বিক্রি করা হচ্ছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়নে রাতভর চলছে পুকুর খননের কাজ। কৃষিজমির উপরিভাগের উর্বর মাটি কেটে বিক্রি করায় জমির উৎপাদনক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কাও বাড়ছে।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “রাত হলেই ভেকুর শব্দে ঘুমানো যায় না। প্রশাসন অভিযান চালালেও কয়েকদিন পর আবার আগের মতোই শুরু হয়।” তাদের দাবি, হাতে গোনা ৩–৪ জনের একটি সিন্ডিকেট পুরো ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছে। ভেকু সরবরাহ ও পরিবহনে জড়িতদের আইনের আওতায় আনলেই এই অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করা সম্ভব।
সচেতন মহলের প্রশ্ন, বারবার অভিযোগ ও অভিযানের পরও কেন মূল হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে? তারা কি আইনের ঊর্ধ্বে—এমন প্রশ্নও ঘুরপাক খাচ্ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।