
তাসলিমা রত্না ময়মনসিংহ
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার ভাটিচর নওপাড়া এলাকায় দিনের দুপুরে শশুর বাড়ির ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযুক্ত মোঃ হাজু মিয়া (৪৫) এর নামে ময়মনসিংহের বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে মামলা করেছেন এক সৌদী প্রবাসীর স্ত্রী মোছাঃ সাথী আক্তার (২৩)।
জানা গেছে, অভিযুক্ত হাজু মিয়া সম্পর্কে ওই সৌদি প্রবাসীর স্ত্রীর চাচা শশুর হয়। সাথীর প্রবাসী স্বামীর কাছথেকে গরুর ব্যবসার জন্য টাকা নেয় হাজু মিয়া। প্রতি সপ্তাহে ব্যবসার লাভের অংশ দিতে আসে বাড়িতে। সেই সুবাদে প্রবাসী এই পরিবারের সাথে হাজু মিয়ার গভীর একটি সম্পর্ক গড়ে উঠে।
ভুক্তভোগী সৌদী প্রবাসীর স্ত্রী সাথী আক্তার বলেন,
গত (১০ মার্চ ২০২৫) সোমবার বেলা ১২টার দিকে আমার সম্পর্কে চাচা শশুর মোঃ হাজু মিয়া গরুর ব্যবসার লাভের টাকা দিতে আসে আমার শশুর বাড়িতে। আমাকে জিগ্যেস করে বাড়িতে কাউকে দেখতে পাচ্ছি না। আমি বলি আমার শশুর শাশুরি বেড়াতে গেছে। উক্ত কথা শুনেই হাজু মিয়া বলে আমার শরিরটা ভালো লাগতেছে না, আমি একটু বসি। আমি সরল মনে তাকে বসতে বলে সংসারের কাজকর্মে লিপ্ত হয়ে যাই। সুযোগ বুঝে ঘরে থাকা তরকারি কাটার দা আমার গলায় ধরে বলে কোন চিৎকার চেঁচামিচি করলে গলায় ধরা দা দিয়ে টান মারব এবং আমাকে মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে আমার ইচ্চার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। আমি ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে লাজলজ্জার ভয়ে কাউকে কিছু বলি নাই। পরে বুঝতে পারি আমি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে গেছি। বিষয়টি হাজু মিয়া কে জানালে আমাকে একটি বড়ি খাওয়াইলে আমি শারিরীকভাবে ভিষণ অসুস্থ হয়ে যাই।
পড়ে আমি জীবন বাঁচানোর জন্য আমার শশুর শাশুড়ী সহ আমার পিতা মাতাকে জানাই। পরবর্তীতে ময়মনসিংহ গিয়ে ডিএমসি করে আমি প্রাণে বেঁচে যাই।
আসামী হাজু মিয়া একজন লম্পট ও নারী লোভী। হাজু মিয়ারর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ঐ নারী ও স্থানীয় সর্বস্তরের জনগণ। এমন ঘটনা যেনো আর কোনো নারীর জীবনে না ঘটে।