
মোঃ মুকিম উদ্দিন জগন্নাথপুর প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের জগদীশপুর গ্রামের কাচা মিয়ার বাড়িতে ঢুকে তার আত্মীয় এছান আলীর কাছে স্ত্রীর অধিকার পেতে রূপা আক্তার নামের এক নারী ১৫ দিন যাবত অবস্থান নিয়েছেন।
অবস্থান নেওয়া নারী রূপা আক্তার নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার আরশ মিয়ার মেয়ে । রূপা আক্তার কাচা মিয়ার বাড়িতে অবস্থানের পর পরই কৌশলে তার স্বামী এছান আলী বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে। রূপা আক্তার জানান, দুই বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ে হওয়ার পর তারা স্বামী স্ত্রী হিসাবে তার পিতার বাড়ী ও নারায়ণগঞ্জের আড়াই হাজার উপজেলায় ভাড়া বাসায় একসাথে বসবাস করেন। তার স্বামীর পিতা মারা যাওয়ার পর স্বামীর খালা কাচা মিয়ার স্ত্রী তার স্বামীকে লালন পালন করেন। সে বিয়ের পর কাচা মিয়ার বাড়ীতে তিনবার বেড়াতে আসে। হঠাৎ করে তার স্বামী তাকে কোন কিছু না জানিয়ে বাড়ীতে চলে আসে। তাই তিনি স্বামীর খোঁজে এখানে আসলে তার খালা ও আত্মীয় স্বজনের সহযোগিতায় সে বাড়ী থেকে পালিয়ে যায়। তাই কোনো উপায়ন্তর না পেয়ে স্ত্রীর অধিকার আদায়ে এই বাড়িতে অবস্থান করছে এবং এর মীমাংসা না হওয়া পর্যন্ত সেখানেই অবস্থান করবে বলে জানায়।
এবিষয়ে কাচা মিয়া জানান, আমার স্ত্রীর ছোট বোন জলিকা জলিকা বেগম এর স্বামী মারা যাওয়ার পর আমার স্ত্রী তার ছোট বোন জলিকা বেগম এর ছেলে এছান আলীকে লালন পালন করে। সে আমাদেরকে অবগত না করে রূপা আক্তারকে বিবাহ করে। রূপা বর্তমানে আমার বাড়িতে আছে। মেয়ের বয়স ছেলের বয়সের চেয়ে বেশী হওয়ায় এছানের মা ছেলের বউ হিসেবে মেনে নিচ্ছেনা তাই তার সংসারে নিতে চায়না।