1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
চট্টগ্রামে স্ত্রীকে হত্যার পর ১১ টুকরা করে স্বামী, গ্রেপ্তার করেছে (র‌্যাব) ‎ - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাগমারায় সাংবাদিকের ফেসবুক আইডি হ্যাক করে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্র ​সাতক্ষীরা সীমান্তে অভিনব কায়দা: মলদ্বারে লুকিয়ে পাচারের সময় ১.৫৫ কোটি টাকার স্বর্ণসহ ভারতীয় নাগরিক আটক পাবিপ্রবিতে ডিবেটিং সোসাইটির কমিটি নিয়ে বিতর্ক, আলোচনায় শিবির সভাপতি ​সাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ২০২৭ সালের ইংরেজি নববর্ষ প্রকাশনার উদ্বোধন। সাতক্ষীরায় ৩০০ বোতল ফেন্সিডিলসহ শীর্ষ মাদক কারবারি পল্টু গ্রেপ্তার রাসায়নিক দিয়ে কদবেল পাকানোর দায়ে ফল ব্যবসায়ীকে জরিমানা বিরামপুরে দুই কিলোমিটার হেঁটে ফুটপাতের দখল দেখলেন ইউএনও, ব্যবসায়ীদের সতর্কবার্তা দামুড়হুদায় ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে সুপারভাইজার ও তথ্যসংগ্রহকারীদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত পাঁচবিবিতে যুব দিবসে গাছের চারা বিতরণ ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের উদ্যোগে নদীভাঙন রোধে জিও ব্যাগ স্থাপন

চট্টগ্রামে স্ত্রীকে হত্যার পর ১১ টুকরা করে স্বামী, গ্রেপ্তার করেছে (র‌্যাব) ‎

রাজু শেখ
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১২ জুলাই, ২০২৫
  • ৩৩২ বার পঠিত

‎স্টাফ রিপোর্টার মোঃ রাজু শেখ
‎
‎চট্টগ্রামের বায়েজিদে স্ত্রী ফাতেমা আক্তারকে হত্যা করে ১১ টুকরো করার ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি মো. সুমনকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে (র‌্যাব)
‎
‎শনিবার সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
‎
‎সম্মেলনে র‌্যাব-৭ চট্টগ্রামের অধিনায়ক লে. কর্ণেল মো. হাফিজুর রহমান জানান: চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামীর রৌফাবাদ এলাকায় স্ত্রীকে নৃশংসভাবে হত্যা করে মরদেহ ১১ টুকরো করে গুম করার চেষ্টায় সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
‎
‎গত শুক্রবার রাতে র‌্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা, র‌্যাব-৭ ও র‌্যাব-৯, সিলেটের যৌথ অভিযানে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার বিজয়নগর থানার ফুলবাড়িয়া এলাকা থেকে সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
‎
‎র‌্যাব-৭ আরো জানায় : গত ৯ জুলাই রৌফাবাদ পাহাড়িকা হাউজিং সোসাইটির একটি ফ্ল্যাট বাসার ভেতরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে স্ত্রীকে হত্যা করে মরদেহ ১১ টুকরো করে ঘরের বিভিন্ন জায়গায় ফেলে রেখে এবং গুম করার চেষ্টা করেন সুমন।
‎
‎পরে সিকিউরিটি গার্ড মশিউর রহমান দুর্গন্ধ ও অস্বাভাবিক নড়াচড়া এবং পানির ফ্ল্যাসের শব্দ শুনে ১০ম তলায় সুমনের ভাড়ায় থাকা ফ্ল্যাটে গিয়ে ডাকাডাকি করে। এর প্রায় ৩০ মিনিটি পর দরজা খুলে এবং এলোমেলো কথাবার্তা বলে সুমন।
‎
‎পরে মশিউর জোর করে সুমনের বাসায় ঢুকে রুমের বিভিন্ন জায়গায় রক্তের দাগ, বাথরুমের ভেতরে রক্তামাখা কাপড় এবং কমোডে মাংস দেখতে পেয়ে বাহির থেকে তালা দিয়ে স্থানীয়দের সহায়তার জন্য নিচে যান। এ সময় সুমন বাসার গ্রিল ভেঙ্গে পালিয়ে যান। পরে সিকিউরিটি গার্ড মশিউর এবং স্থানীয়রা বায়েজিদ থানা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ফাতেমার শরীরের অংশ এবং খাটের নিচ থেকে পায়ের অংশ উদ্ধার করে।
‎
‎ এই হত্যাকাণ্ডে ফাতেমার বড় ভাই মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানায় সুমনের নাম উল্লেখ করে ১০ জুলাই একটি মামলার করেন।
‎
‎
‎র‌্যাব জানায় : ফাতেমার সঙ্গে ১০ বছর আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় সুমনের। তাদের একটি সন্তান রয়েছে। সুমন কর্মসংস্থানের জন্য সৌদি আবর যান এবং ভিসা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে গত ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে দেশে ফিরে এসে চট্টগ্রাম মহানগরীতে নিজের কেনা একটি পিকআপ গাড়ি চালাতে শুরু করেন। দেশে ফিরে আসার পর হতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া বিবাদ লেগে থাকত। একাধিকবার উভয় পরিবারের মধ্যে আপোষ মিমাংসা করা হয়।
‎
‎
‎গত ৯ জুলাই রাতে অজ্ঞাতনামা ছয় থেকে সাতজন যুবক তার বাসায় আসাকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে সুমন বাসায় থাকা দুটি ধারালো ছুড়ি দিয়ে স্ত্রীর শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করে গুরুত্বর জখম করে মৃত্যু নিশ্চিত করে। পরে তার মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে ১১ টুকরো করে বাথরুমের কমোডে দিয়ে পানির ফ্ল্যাসের সঙ্গে ভাসিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে বলে স্বীকার করেছে র‌্যাবের কাছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park