1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
মহেশখালী-কক্সবাজার নৌ-রুটে সিট্রাকের বেপরোয়া যাত্রীবহন- দ্রুত ব্যবস্থা চায় যাত্রীরা - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফয়সল আমীন ​দেবহাটায় জামায়াতের কর্মী ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত: সৎ নেতৃত্বের মাধ্যমেই ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠন সম্ভব। দিরাই জারুলিয়া গ্রামে ১৪টি বসতঘর ও আসবাবপত্র পুড়ে ছাই,আনুমানিক ৪/৫ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি বেলকুচিতে প্রশাসনের অভিযানের পরও থামছে না ডাইং কারখানার দূষণ নারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মিনি ম্যারাথন প্রতিযোগিতা আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে আট দফা দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের সংবাদ সম্মেলন পাঁচবিবিতে ভারতীয় সিরাপ ও ইয়াবাসহ আটক ৩ পাঁচবিবিতে উচ্চতা ৪ ফুট তবু থেমে নেই জীবনযুদ্ধ ১৬ বছর ধরে পরিশ্রমে সংসার চালান আল-আমিন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কলকলিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মুহিত মিয়ার নির্বাচনী মতবিনিময় সভা  সাতক্ষীরায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত

মহেশখালী-কক্সবাজার নৌ-রুটে সিট্রাকের বেপরোয়া যাত্রীবহন- দ্রুত ব্যবস্থা চায় যাত্রীরা

সুমন চন্দ্র দে, মহেশখালী (কক্সবাজার) প্রতিনিধি 
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৪ জুন, ২০২৫
  • ১৭৬ বার পঠিত

সুমন চন্দ্র দে, মহেশখালী (কক্সবাজার) প্রতিনিধি :
মহেশখালী-কক্সবাজার ফেরিঘাটে ও নৌপথে সিট্রাক চলাচলে আবারও দেখা দিয়েছে বেপরোয়া অনিয়ম।  নির্ধারিত সীমার বাইরে অতিরিক্ত যাত্রী, নেই টিকিটে স্বচ্ছতা—দ্রুত ব্যবস্থা চায় যাত্রীরা

১৪ জুন (শনিবার) সকাল ১১টার নির্ধারিত ট্রিপে অতি বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে অতিরিক্ত যাত্রী নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সিট্রাকে যাত্রীরা খুবই ভীতিকর পরিস্থিতিতে গন্তব্যে পৌঁছেছেন বলে জানান স্থানীয় যাত্রীরা।

সময়সূচি উপেক্ষা করে ট্রিপটি নির্ধারিত সময়ের আগেই ছেড়ে দেয় কর্তৃপক্ষ। ধারণা করা হচ্ছে, ওই সিট্রাকে প্রায় ৪ শতাধিকের অধিক যাত্রী তোলা হয়েছিল, যেখানে অনুমোদিত যাত্রীসংখ্যা সর্বোচ্চ ২৫০ জন।

এছাড়াও বিকাল ৫টায় নির্ধারিত ট্রিপেও অতিরিক্ত যাত্রী নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মহেশখালী গোরকঘাটা জেটি ঘাটে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মহেশখালী থেকে কক্সবাজারে বিকাল ৫টায় নির্ধারিত ট্রিপেও সিট্রাকে অতিরিক্ত যাত্রী পরিলক্ষিত হয়েছে। সিট্রাকের উপরে নীচে এবং চারিদিকে যাত্রী আর যাত্রী। সিট্রাকের ভিতরে পা ফেলার জন্য কোন জায়গা বাকী নেই। গরমে অতিষ্ঠ শিশুরা কান্না আর কান্না।

স্থানীয় যাত্রীদের অভিযোগ, ফেরিঘাটে টিকিট বিক্রিতে নেই কোনো স্বচ্ছতা কিংবা নির্ধারিত নীতিমালা। ফলে একদিকে যেমন অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই হচ্ছে, অন্যদিকে যাত্রীরা ঠকছেন সেবা থেকে। অনেকে দাবি করছেন, যাত্রী তোলার ক্ষেত্রে নিয়মের তোয়াক্কা না করেই গন্তব্যে যাত্রা করছে এসব সিট্রাক, যা বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।

স্থানীয় এক যাত্রী জানান, আমাদের মহেশখালী জনগণের প্রাণের দাবী ছিলো মহেশখালী – কক্সবাজার নিরাপদে নৌপথ পারাপার। বর্তমানে সিট্রাক আসায় নৌপথে নিরাপদ মনে হলেও অতিরিক্ত যাত্রী ও নিয়মনীতি না মানায় নিরাপদ মনে করছি না!  এইভাবে চলতে থাকলে যাত্রী’র নিরাপত্তা অনিশ্চিত ও ভোগান্তি পোহাতে হবে।

দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ ও নিয়মিত নজরদারির দাবি জানিয়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। তারা বলেন, “এইভাবে চলতে থাকলে যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আমরা নিরাপদ যাত্রা চাই।”

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park