
সুমন চন্দ্র দে, মহেশখালী (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
প্রায় অর্ধযুগ ধরে একই কর্মস্থলে থাকা মহেশখালী পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) নুর মোহাম্মদ’কে অবশেষে ফেনীতে বদলি করা হয়েছে। ‘সচিব’ হিসেবে পৌর এলাকায় পরিচিত এই চট্টগ্রামের আনোয়ারার বাসিন্দা নুর মোহাম্মদ বিরুদ্ধে আওয়ামীলীগের নেতাদের ইন্ধনে সরকারি কাজে নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে বিভিন্ন অনিয়ম ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে। অপর দিকে তাঁর বদলি আদেশ স্বপদে বহাল তবিয়তে রাখতে উপর মহলে সিন্ডিকেটে মাঠে রয়েছে বলে জানা যায়।
সম্প্রতি চট্টগ্রাম বিভাগের স্থানীয় সরকার পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মুহাম্মদ আনোয়ার পাশা স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই বদলির আদেশ জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, নুর মোহাম্মদ’কে আদেশ জারির ১০ দিনের মধ্যে তার নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। এছাড়া, তার বকেয়া বেতনসহ ভবিষ্য তহবিল (পিএফ) ও আনুতোষিক (জিএফ) বাবদ প্রাপ্য সমুদয় পাওনাদি নতুন কর্মস্থলে স্থানান্তর নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট পৌরসভার প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মহেশখালী পৌরসভার দুর্নীতি বাজ সচিব নুর মোহাম্মদ এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম,কাজের মান যাচাই বাচাই নাকরে বিল দেয়া,বিভিন্ন ঘুষ লেনদেন অফিসের কর্মচারীদের সাথে খারাপ আচরণ সহ ইত্যাদির বিরুদ্ধে বর্তমানে দুদুকে তদন্ত চলমান। একটি সুবিধা ভোগী মহল তার বদলি ঠেকাতে তদবির করে যাচ্ছে বলে শুনা যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, উক্তপদে চাঁদপুর সদর পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ মফিজ উদ্দিন হাওলাদার’কে দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মহেশখালী পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জানান, তিনি সরকারি বদলির আদেশ কে তোয়াক্কা না করে মহেশখালীর শপদে বহাল থাকার জন্য তদবির ও পাঁয়তারা করে আসছে।
স্থানীয় ছাত্র জনতা জানান, জুলাই আগস্ট আন্দোলনের পেক্ষাপটে বদলে গেছে অনেক কিছু। বিদায় নিয়েছে ফ্যাসিস্ট সরকার বহাল তবিয়তে রাখতে চায়। বদলি কৃত পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা নুর মোহাম্মদ বহু দুর্নীতি ও অপকর্মের সহায়ক।