1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
মহেশখালীতে নতুন বাজার স্কুল ভবন যে কোনো মুহূর্তে ধসে পড়ার আশঙ্কা - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফয়সল আমীন ​দেবহাটায় জামায়াতের কর্মী ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত: সৎ নেতৃত্বের মাধ্যমেই ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠন সম্ভব। দিরাই জারুলিয়া গ্রামে ১৪টি বসতঘর ও আসবাবপত্র পুড়ে ছাই,আনুমানিক ৪/৫ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি বেলকুচিতে প্রশাসনের অভিযানের পরও থামছে না ডাইং কারখানার দূষণ নারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মিনি ম্যারাথন প্রতিযোগিতা আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে আট দফা দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের সংবাদ সম্মেলন পাঁচবিবিতে ভারতীয় সিরাপ ও ইয়াবাসহ আটক ৩ পাঁচবিবিতে উচ্চতা ৪ ফুট তবু থেমে নেই জীবনযুদ্ধ ১৬ বছর ধরে পরিশ্রমে সংসার চালান আল-আমিন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কলকলিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মুহিত মিয়ার নির্বাচনী মতবিনিময় সভা  সাতক্ষীরায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত

মহেশখালীতে নতুন বাজার স্কুল ভবন যে কোনো মুহূর্তে ধসে পড়ার আশঙ্কা

সুমন চন্দ্র দে, মহেশখালী (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ, ২০২৫
  • ৯৩ বার পঠিত

সুমন চন্দ্র দে, মহেশখালী (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

মহেশখালী উপজেলার বড় মহেশখালী ইউনিয়নের নতুন বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় -রানা প্লাজার মত যে কোন মুহূর্তে ধসে পড়ার আশঙ্কার মধ্যে রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এ নিয়ে প্রতিকার চেয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত আবেদন করা হয়েছে।

জানা গেছে- ত্রুটিপূর্ণ নির্মাণ কাজের কারণে ইতোমধ্যে স্কুল ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় প্রধান সড়ক দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল করলে ভবনের কাঠামো রীতিমতো কেঁপে ওঠে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্কুলটির শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি- এ অবস্থা চলতে থাকলে রানা প্লাজার মতো যে কোন মুহূর্তে বিদ্যালয় ভবনটি ভেঙ্গে বা ধসে পড়ে কোমলমতি ছাত্রছাত্রীদের প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে।

জানা যায়- বিদ্যালয়টি ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি বড় মহেশখালী ইউনিয়নের প্রাণ কেন্দ্র কুলাল পাড়া এলাকায় এবং প্রধান সড়কের পাশে অবস্থিত একটি ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ের সামনে রয়েছে একটি বিশাল খেলার মাঠ। আন্তঃপ্রাথমিক বিদ্যালয় ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) এ মাঠেই অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

স্কুলটির পুরাতন ভবন ভেঙ্গে ফেলার পর ২০০৪-২০০৫ অর্থ বছরে পিডিবি-২ এর অধীনে দুই কক্ষ বিশিষ্ট একটি ভবন নির্মাণ করা হয়। পরবর্তীতে ২০১৩ সালে ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ করে তৃতীয় তলায় আরো ৩টি কক্ষ নির্মাণ করা হয়। সে সময়ও বরাদ্দের অর্থ লোপাটের মাধ্যমে লোহার বদলে অনেকক্ষেত্রে বাঁশ ব্যবহার করে যেনতেন ভাবে এ ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে বলে বেশ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছিল, তখন এ নিয়ে সংবাদমাধ্যম খবর বেরোনোর পর নামমাত্র তদন্ত হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি বলে তথ্য রয়েছে। সে দুর্বল কাঠামোতে ভবন নির্মাণের কারণে আজ ভবনটির এ দশা বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন লোকজন।

সূত্র জানিয়েছে- ভবনে বর্তমানে অফিস কক্ষসহ মোট কক্ষ আছে মাত্র ৫টি। বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে প্রায় তিন শতাধিক। শিক্ষক আছেন ৮ জন ও কর্মচারী ১ জন। এক শিফট বিশিষ্ট স্কুল হওয়ায় প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়া চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এ ব্যাপারে চলতি বছরের গত ৩ মার্চ উপজেলা শিক্ষা অফিসার বরাবরে একটি লিখিত আবেদনও করা হয়েছে বলে বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে।

এদিকে ভবনের এ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার বিষয়টি শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের কাছে জানাজানি হতে থাকলে তাঁরাও উদ্বিগ্ন হয়ে হয়ে ওঠেছেন। এ অবস্থায় দ্রুত বিদ্যালয় ভবনটির বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন সচেতন মহল।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park