
মোসাঃ রুবিয়া বেগম(স্টাফ রিপোর্টার )
গাজীপুর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সফল সভাপতি, জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, পরিচ্ছন্ন রাজনিতিবিদ জননেতা #সাখাওয়াৎ_হোসেন_সবুজ ভাই কে কেন নেতৃত্বে প্রয়োজন???
এরশাদ বিরোদী ৯০এর আন্দোলনের রাজপথের সৈনিক , প্রায় ৪০ বছরের রাজনৈতিক জীবন অতিবাহিত করার পরও তাঁর সততা আদর্শ থেকে এক বিন্দু বিচ্যুতি ঘটেনি।। সুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে দল ক্ষমতায় থাকার পরও ওনার আর্থিক কোন সচ্ছলতার উন্নতি হয়নি বরং দলের প্রয়োজনে নিজের আর্থ সম্পদ সহ জীবনের একতৃতীয়াংশ বিলিয়ে দিয়েছেন।
কোড( আমি বিগত রাজনৈতিক জীবনে কখনোই দলের সুনাম অর্জন ছারা বিনষ্ট করিনি, আমি যদি যোগ্য হই দল আমাকে সম্মানিত করবেই, অর্থ দিয়ে কখনো পথ পদবী নিব না অর্থ দিয়ে কাউকে পদ পদবি দেবো না)
৫ তারিখে পর, দলের সুনাম বিনষ্ট হয় এমন কোন কাজ করা থেকে তিনি ও তাঁর সকল নেতা কর্মীদের বিরত রেখেছেন,
উদাহরনঃ লিখিত ওয়ার্ক অর্ডার/ ডকুমেন্ট/ চুক্তিনামা/থাকার পরও দলের সুনাম বিনষ্ট হতে পারে ভেবে ব্যবসা বাণিজ্য না করার নির্দেশ দিয়ে রেখেছেন।। (pv. কমেন্ট)
যেখানে ডর্জন ডর্জন নেতার ফেক্টোরি বাণিজ্য, স্ট্যান্ড বাণিজ্য, জমী বাণিজ্য, চাঁদা বাণিজ্য, মামলা বাণিজ্য, লবিং বাণিজ্য, ঘোষ, থানায় বিচার বাণিজ্য ইত্যাদিতে ব্যাস্ত সময় পার করতেছেন।
নিতি নেতৃত্বে আসলে কোন হাইব্রিড বিএনপি, আওমী বিএনপি, তৈলবাজ বিএনপি, চান্দাবাজ, স্ট্যান্ডবাজ, ফ্যাক্টরিবাজ, দলের সুনাম বিনষ্টকারী পদায়িত হওয়ার সম্ভাবনা নেই, দলের নিবেদিত প্রাণ ত্যাগী নেতা কর্মীরায় পদায়িত হবেন।
কারন : তিনি তৃণমূল থেকে রাজপথে বেড়ে ওঠা ত্যাগী পরিশ্রমী পরিচ্ছন্ন শুধু অর্থনৈতিক অসচ্ছলতার কারণে বারবার পদ বঞ্চিত গাজীপুরের রাজনীতিতে এক জীবন্ত কিংবদন্তি।।।
আমি প্রিয় নেতা প্রিয় ভাইয়ের ক্ষুদ্র এক কর্মী হিসাবে সাখাওয়াত হোসেন সবুজ ভাই কে শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে দেখতে চাই।