1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
বিরামপুর পৌরসভায় নকশা অনুমোদনে অতিরিক্ত অর্থ দাবির অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস প্রশাসকের; অভিযোগ অস্বীকার নক্সাকারের। - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মিনি ম্যারাথন প্রতিযোগিতা আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে আট দফা দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের সংবাদ সম্মেলন পাঁচবিবিতে ভারতীয় সিরাপ ও ইয়াবাসহ আটক ৩ পাঁচবিবিতে উচ্চতা ৪ ফুট তবু থেমে নেই জীবনযুদ্ধ ১৬ বছর ধরে পরিশ্রমে সংসার চালান আল-আমিন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কলকলিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মুহিত মিয়ার নির্বাচনী মতবিনিময় সভা  সাতক্ষীরায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত বাগমারায় সাংবাদিকের ফেসবুক আইডি হ্যাক করে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্র ​সাতক্ষীরা সীমান্তে অভিনব কায়দা: মলদ্বারে লুকিয়ে পাচারের সময় ১.৫৫ কোটি টাকার স্বর্ণসহ ভারতীয় নাগরিক আটক পাবিপ্রবিতে ডিবেটিং সোসাইটির কমিটি নিয়ে বিতর্ক, আলোচনায় শিবির সভাপতি ​সাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ২০২৭ সালের ইংরেজি নববর্ষ প্রকাশনার উদ্বোধন।

বিরামপুর পৌরসভায় নকশা অনুমোদনে অতিরিক্ত অর্থ দাবির অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস প্রশাসকের; অভিযোগ অস্বীকার নক্সাকারের।

মোঃ ইব্রাহীম মিঞা, দিনাজপুর প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
  • ৭৬ বার পঠিত

মোঃ ইব্রাহীম মিঞা, দিনাজপুর প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের বিরামপুর পৌরসভায় গৃহনির্মাণের নকশা অনুমোদন প্রক্রিয়ায় বিলম্ব, অনিয়ম ও অতিরিক্ত অর্থ দাবির অভিযোগ উঠেছে পৌরসভার নক্সাকার এস এম রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পৌর প্রশাসকের দপ্তরে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন এক ভুক্তভোগী।

লিখিত অভিযোগে মোছাঃ লাবণী খাতুন দাবি করেন, গৃহনির্মাণ ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি উত্তোলনের জন্য প্রয়োজনীয় নকশা অনুমোদনের আবেদন করার পরও দীর্ঘ সময় ধরে কোনো অগ্রগতি হয়নি। সরকারি ফি পরিশোধের পরও “মিটিং বাবদ” অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, নকশা অনুমোদনের জন্য একাধিক স্বাক্ষরের কথা বলে প্রতি স্বাক্ষরে ১০ হাজার টাকা করে দাবি করা হয়। একই সময়ে আবেদন করা অন্য একজনের নকশা অনুমোদন হলেও তার আবেদন দীর্ঘদিন ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে। এতে গৃহনির্মাণ কাজ ও ব্যাংক ঋণ প্রক্রিয়া জটিলতার মুখে পড়েছে বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে বিরামপুর পৌরসভার নক্সাকার এস এম রবিউল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমাকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এসব বলা হচ্ছে।”

স্থানীয়দের মতে, নাগরিক সেবার গুরুত্বপূর্ণ খাত হিসেবে পৌরসভার নকশা অনুমোদন প্রক্রিয়ায় আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

এ বিষয়ে বিরামপুর পৌরসভার প্রশাসক তানজিনা খাতুনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park