1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
বিরামপুরে প্রেমের টানাপোড়েনের অবসান: অনশন শেষে গভীর রাতে বিয়ে, মোহরানা সাড়ে ৩ লাখ টাকা। - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বেলকুচিতে প্রশাসনের অভিযানের পরও থামছে না ডাইং কারখানার দূষণ নারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মিনি ম্যারাথন প্রতিযোগিতা আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে আট দফা দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের সংবাদ সম্মেলন পাঁচবিবিতে ভারতীয় সিরাপ ও ইয়াবাসহ আটক ৩ পাঁচবিবিতে উচ্চতা ৪ ফুট তবু থেমে নেই জীবনযুদ্ধ ১৬ বছর ধরে পরিশ্রমে সংসার চালান আল-আমিন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কলকলিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মুহিত মিয়ার নির্বাচনী মতবিনিময় সভা  সাতক্ষীরায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত বাগমারায় সাংবাদিকের ফেসবুক আইডি হ্যাক করে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্র ​সাতক্ষীরা সীমান্তে অভিনব কায়দা: মলদ্বারে লুকিয়ে পাচারের সময় ১.৫৫ কোটি টাকার স্বর্ণসহ ভারতীয় নাগরিক আটক পাবিপ্রবিতে ডিবেটিং সোসাইটির কমিটি নিয়ে বিতর্ক, আলোচনায় শিবির সভাপতি

বিরামপুরে প্রেমের টানাপোড়েনের অবসান: অনশন শেষে গভীর রাতে বিয়ে, মোহরানা সাড়ে ৩ লাখ টাকা।

মোঃ ইব্রাহীম মিঞা,বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৮৭ বার পঠিত

মোঃ ইব্রাহীম মিঞা,বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের বিরামপুরে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন করা এক কলেজছাত্রীর ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। তবে নাটকীয় এই ঘটনার শেষ হয় গভীর রাতে বিয়ের মধ্য দিয়ে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল থেকে বিরামপুর উপজেলার ১নং মুকুন্দপুর ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামে প্রেমিক ফিরোজ কবিরের বাড়ির সামনে খড়ের পালার উপর অবস্থান নেন মাহাবুবা আক্তার মিম (১৭) নামে এক কলেজছাত্রী। চার বছর ধরে প্রেমের সম্পর্কের পর বিয়ের প্রলোভনে শারীরিক সম্পর্ক হলেও বিয়ে না করায় তিনি এ অনশন কর্মসূচি শুরু করেন।

ঘটনার পর থেকেই প্রেমিক ফিরোজ কবির বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানা যায়। এতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

অনশনরত অবস্থায় মাহাবুবা আক্তার মিম জানান, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে দীর্ঘদিন সম্পর্ক বজায় রাখার পর এখন তাকে এড়িয়ে যাচ্ছেন ফিরোজ। নিরুপায় হয়ে তিনি প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নিতে বাধ্য হন।

এদিকে ফিরোজের বাবা আব্দুল কাদের দাবি করেন, তার ছেলে নিখোঁজ এবং বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, মেয়ের পক্ষ থেকেই ছেলেকে আটকে রাখার চেষ্টা করা হয়েছিল।

ঘটনার প্রেক্ষিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেন। বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম সরকার জানান, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং আপাতত বিষয়টি সামাজিকভাবে সমাধানের চেষ্টা চলছে।

দীর্ঘ নাটকীয়তার পর গভীর রাত প্রায় ২টার দিকে ছেলের নিজ বাড়িতেই মেয়ের মায়ের উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। এসময় সাড়ে তিন লাখ টাকা মোহরানা নির্ধারণ করা হয়। স্থানীয় একজন আলেমের মাধ্যমে বিয়ে পড়ানো হয় এবং সহজ আয়োজনের মধ্য দিয়ে ওলিমা হিসেবে বিস্কুট বিতরণ করা হয়।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলেও শেষ পর্যন্ত বিয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park