
শাহিন আলম টেকনাফ //
কক্সবাজারের টেকনাফে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর বিশেষ অভিযানে দুই কিশোরকে মানব পাচারের হাত থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় এক পাচারকারীকে আটক করা হয়।
বিজিবি জানায়, সম্প্রতি সীমান্ত দিয়ে মানব পাচারের একটি চক্র সক্রিয় হওয়ার খবর পায় তারা। চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে কক্সবাজার থেকে দুই কিশোরকে মিয়ানমারে পাচারের চেষ্টা চলছিল। এ তথ্যের ভিত্তিতে ২ বিজিবি অধিনায়কের পরিকল্পনা ও নেতৃত্বে বিভিন্ন অভিযান দল মাঠে নামে।
রবিবার রাতে পাচারকারীরা ভুক্তভোগী কিশোরদের নিয়ে বরইতলীতে অবস্থান করলে বিজিবি সাড়াশী অভিযান চালায়। এসময় দুই কিশোরকে উদ্ধার এবং পাচারকারী মো. রাসেদ (১৮) কে আটক করা হয়। তবে নুর হাসান (৩০) নামে আরেক পাচারকারী পালিয়ে যায়।
আটক আসামি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে অবস্থানরত পাচারকারী আমিনের সহযোগিতায় বাংলাদেশি নাগরিকদের অবৈধভাবে সীমান্ত পার করানো হয়। পরবর্তীতে তাদের মালয়েশিয়া পাঠানোর ব্যবস্থা করে এ চক্র। স্থানীয়দের বরাতে জানা গেছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ও মানব পাচারে জড়িত থেকে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে।
উদ্ধার হওয়া দুই কিশোর হলেন মো. মাহিম (১৫), পিতা,আইয়ুব খান, কক্সবাজার লাল দিঘিরপাড়,মো. সোহেল (১৬), পিতা- জসিম, কক্সবাজার লাল দিঘিরপাড়।
বিজিবি জানায়, আটককৃত পাচারকারীকে সোমবার সকালে স্থানীয় থানায় হস্তান্তর করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পালাতক আসামিকেও শিগগির গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।
বিজিবির টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি বলেন সীমান্ত নিরাপত্তা, মানব ও মাদক পাচারসহ যেকোনো অপরাধ দমনে বিজিবি সবসময় জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে। ভবিষ্যতেও জাতীয় নিরাপত্তা ও জনস্বার্থে বিজিবির বিশেষ অভিযান চলমান থাকবে।”