1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
টেকনাফে তিন মাস ধরে বন্ধ সীমান্ত বাণিজ্য এতে বন্দরের প্রায় ১ কোটি টাকার ক্ষতির মুখে পরেছে - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফয়সল আমীন ​দেবহাটায় জামায়াতের কর্মী ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত: সৎ নেতৃত্বের মাধ্যমেই ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠন সম্ভব। দিরাই জারুলিয়া গ্রামে ১৪টি বসতঘর ও আসবাবপত্র পুড়ে ছাই,আনুমানিক ৪/৫ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি বেলকুচিতে প্রশাসনের অভিযানের পরও থামছে না ডাইং কারখানার দূষণ নারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মিনি ম্যারাথন প্রতিযোগিতা আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে আট দফা দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের সংবাদ সম্মেলন পাঁচবিবিতে ভারতীয় সিরাপ ও ইয়াবাসহ আটক ৩ পাঁচবিবিতে উচ্চতা ৪ ফুট তবু থেমে নেই জীবনযুদ্ধ ১৬ বছর ধরে পরিশ্রমে সংসার চালান আল-আমিন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কলকলিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মুহিত মিয়ার নির্বাচনী মতবিনিময় সভা  সাতক্ষীরায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত

টেকনাফে তিন মাস ধরে বন্ধ সীমান্ত বাণিজ্য এতে বন্দরের প্রায় ১ কোটি টাকার ক্ষতির মুখে পরেছে

শাহিন আলম টেকনাফ //
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই, ২০২৫
  • ২১৮ বার পঠিত

শাহিন আলম টেকনাফ //

রাখাইন রাজ্যে সংঘাতের প্রভাবে টানা গত তিন মাস ধরে কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রয়েছে। এতে স্থলব্দরে থাকা আলু, সিমেন্টসহ বিপুল পরিমান পানি জাতীয় পণ্য পচেঁ গেছে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে স্থলবন্দরের শতাধিক আমদানি-রপ্তানিকারক। এতে বুঝা বাণিজ্যে ব্যাপক ধস নেমেছে।

এদিকে সর্বশেষ গত ১২ এপ্রিল আরাকান আর্মি দখলে থাকা রাখাইন রাজ্যে মংডু থেকে ১৩৮ পিচের একটি কাঠের বোট এসেছিল। এরপর থেকে টেকনাফ-মংডু সীমান্ত বাণিজ্যে পণ্যে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রয়েছে। এছাড়া গত বছরের ডিসেম্বরে মিয়ানমার অংশের ২৭১ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পর চলতি বছরের জানুয়ারী ইয়াংগুন থেকে টেকনাফে স্থল বন্দরে আসার পথে চারটি পণ্যবাহী নৌযান আটক করে কমিশন দাবি করে আরাকান আর্মি। এরপর থেকে গত ছয় মাস ধরে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত বাণিজ্য বন্ধ ঘোষনা করে মিয়ানমারের জান্ত সরকার।

স্থলবন্দর ও কাস্টমস কর্মকর্তারা জানায়, টেকনাফ স্থলবন্দরে সীমান্ত বাণিজ্যে ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের আমদানিতে ১১০ কোটি টাকা রাজস্ব আয় হয়েছে। তার বিপরিতে রপপ্তান ক্ষেত্রে ৯ লাখ ৯৭ হাজার ডলার বৈদশিক মুদ্রা আয় হয়। তার আগে গত ২০২৩-২৪ অর্থ আমদানিতে ৪৪০ কোটি টাকা রাজস্ব অর্জন করে। এর বিপরীতে রপ্তানিতে ২ লাখ ২৪ হাজার ডলার বৈদশিক মুদ্রা আয় হয়। গত ২০২২-২৩ অর্থ বছরের আমদানিতে ৬৪০ কোটি টাকা রাজস্ব আয় হয়েছে। এর বিপরীতে রপ্তানিতে ২ লাখ ডলার বৈদশিক মুদ্রা আয় হয়। এর মধ্য গত জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত চার মাসে রাখাইন রাজ্যে সিমেন্ট রপ্তানি হয়েছে প্রায় ৪ হাজার ২৩৮ টন, আলু রপ্তানি হয়েছে ৩ হাজার ১৭৪ টন। সীমান্ত বাণিজ্য বন্ধ থাকায় সরকার প্রতিদিন ৪ কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে।

এ বিষয়ে টেকনাফ স্থলবন্দরের কাস্টম কর্মকর্তা মো. সোহেল উদ্দিন বলেন, ‘স্থল বন্দর অচল অবস্থা বিরাজ করেেছ। গত এপ্রিল থেকে আজ পর্যন্ত মিয়ানমার থেকে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ আছে। বন্দরকে সচল করার জন্য বিভিন্ন সরকারি কতৃপক্ষসহ আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তারই সুত্রে ধরে জেলায় সকল স্টেকহোল্ডার নিয়ে একটি বৈঠকও হয়েছে। তবে ইতি মধ্য রপ্তানিকৃত কিছু সব আলু পঁচে গেছে। এছাড়া সিমেন্টও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আশা করছি বন্দর কার্যক্রম ফের চালু হবে।’

সরেজমিনে গতকাল দেখা যায়, পুরো বন্দর খাঁ খাঁ করছে। রপ্তানিকৃত আলু পচঁন ধরে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে সবদিকে। টিনসেড একটি গুদামে পচেঁ আলু বস্তা বস্তা পরে আছে। নাফ নদীর জেটি ঘাটে নেই কোন পণ্যবাহি ট্রলারও। কাজ না থাকায় বেকারত্ব দিন পার করছে হাজারো শ্রমিকসহ আসদানি-রপ্তানি কারকের প্রতিনিধিরাও।
আমদানিকারক এক্সপ্রেস এজেন্সির প্রতিনিধি মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, ‘রাখাইন রাজ্যে যুদ্ধের পর গত তিন মাস ধরে পুরোপুরিভাবে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রয়েছে। যদিও তার আগে মংডুর সাথে ব্যবসা চালু ছিল,সেটিও বন্ধ। এর প্রভাবে স্থবন্দরের আমাদের আমদানিকৃত আলু পচেঁ গেছে। নষ্ট হয়ে যাচ্ছে সিমেন্টও। এতে শতাধিক ব্যবসায়ী বিপাকে পড়েছেন। জানিনা কবে আবার স্থলবন্দরের ব্যবসা সচল হবে। এর মধ্য অনেকে চট্রগ্রাম বন্দরে ব্যবসা চাল করছে।’
বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বন্দরের কয়েকটি গুদামে ২ হাজার ৭০০ বস্তা আলু, ২২ হাজার ৮৫০ বস্তা সিমেন্ট, ১ হাজার ৯০ বস্তা কোমল পানীয় পণ্য রয়েছে। এছাড়া চিপস, চানাচুর, বিস্কুট, প্লাস্টিক পণ্য মজুত রয়েছে। ইতিমধ্যে সব আলু নষ্ট হয়ে গেছে। কয়েক শ বস্তা সিমেন্টও নষ্ট হওয়ার পথে।
জানতে চাইলে টেকনাফ ইউনাইটেড ল্যান্ড পোর্ট লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক মো. জসিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘গত তিন মাস ধরে স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রয়েছে। এতে বন্দরের প্রায় ১ কোটি টাকার ক্ষতির মুখে পরেছে। ইতিমধ্য বন্দরে কার্যক্রম বন্ধ থাকায় আমাদের এখান জনবল অন্যখানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দিন বলেন, ‘গত তিন মাস ধরে স্থলবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করছি কিভাবে স্থলবন্দরে বাণিজ্যে চালু করা যায়।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park