1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
ছয় বছর ধরে বিধবার ভাতা যাচ্ছে ইউপি সদস্যের মোবাইলে! তদন্তে সত্যতা - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাগমারায় সাংবাদিকের ফেসবুক আইডি হ্যাক করে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্র ​সাতক্ষীরা সীমান্তে অভিনব কায়দা: মলদ্বারে লুকিয়ে পাচারের সময় ১.৫৫ কোটি টাকার স্বর্ণসহ ভারতীয় নাগরিক আটক পাবিপ্রবিতে ডিবেটিং সোসাইটির কমিটি নিয়ে বিতর্ক, আলোচনায় শিবির সভাপতি ​সাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ২০২৭ সালের ইংরেজি নববর্ষ প্রকাশনার উদ্বোধন। সাতক্ষীরায় ৩০০ বোতল ফেন্সিডিলসহ শীর্ষ মাদক কারবারি পল্টু গ্রেপ্তার রাসায়নিক দিয়ে কদবেল পাকানোর দায়ে ফল ব্যবসায়ীকে জরিমানা বিরামপুরে দুই কিলোমিটার হেঁটে ফুটপাতের দখল দেখলেন ইউএনও, ব্যবসায়ীদের সতর্কবার্তা দামুড়হুদায় ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে সুপারভাইজার ও তথ্যসংগ্রহকারীদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত পাঁচবিবিতে যুব দিবসে গাছের চারা বিতরণ ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের উদ্যোগে নদীভাঙন রোধে জিও ব্যাগ স্থাপন

ছয় বছর ধরে বিধবার ভাতা যাচ্ছে ইউপি সদস্যের মোবাইলে! তদন্তে সত্যতা

মো: সালাউদ্দীন - দেবীগঞ্জ (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১১০ বার পঠিত

মো: সালাউদ্দীন – দেবীগঞ্জ (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে এক বিধবার ভাতার টাকা প্রায় ছয় বছর ধরে ইউপি সদস্যের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে যাওয়ার অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়। তদন্তে ওই নম্বরে নিয়মিত ভাতার টাকা পাঠানো এবং পরে তা উত্তোলনের তথ্য পাওয়া গেছে।

টেপ্রীগঞ্জ ইউনিয়নের বানেশ্বরপাড়া এলাকার মোছাঃ রহিমা বেগমের বিধবা ভাতার টাকা তার নিজের মোবাইল নম্বরে না গিয়ে ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ আব্দুল খালেকের ব্যবহৃত নম্বরে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর প্রশাসনের নজরে আসে।

অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মোঃ আব্দুল খালেক টেপ্রীগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সর্বশেষ কমিটির সহ-সভাপতি এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এরপর গত ৩০ আগস্ট দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইন্দ্রজীৎ সাহা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ আবু রায়হানকে বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। নির্দেশনার পর তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে গত ৮ সেপ্টেম্বর প্রতিবেদন জমা দেন তিনি।

তদন্তকারী কর্মকর্তা ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ আবু রায়হান বলেন, যে নম্বরটিকে ঘিরে মূল অভিযোগ, সেটির ট্রাঞ্জেকশন হিস্ট্রি যাচাই করে দেখা গেছে, নিয়মিত ওই নম্বরে ভাতার টাকা যেত এবং নিয়মিতভাবে সেই টাকা উত্তোলন করা হতো।

তবে তদন্তের বিস্তারিত বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।

এর আগে রহিমা বেগম অভিযোগ করেন, তিনি সর্বশেষ ২০২০ সালের জুলাই মাসে বিধবা ভাতার টাকা উত্তোলন করেন। এরপর ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে জিটুপি পদ্ধতিতে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ভাতার টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা চালু হলে তিনি আর কোনো টাকা পাননি। পরে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে যোগাযোগ করে জানতে পারেন, তার নামে বরাদ্দ করা ভাতার টাকা একটি অপরিচিত নগদ নম্বরে পাঠানো হচ্ছে।

উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত রহিমা বেগমের বিধবা ভাতার টাকা এমআইসি সফটওয়্যারের মাধ্যমে ০১৯১৭-৩৬৭৪৯২ নম্বরে পাঠানো হয়েছে। সর্বশেষ ২০২৬ সালের মে মাসেও তার নামে ১ হাজার ৯৬১ টাকা ওই নম্বরে পাঠানো হয়। অফিস সূত্রে গত ছয় বছরে প্রায় ৪০ হাজার টাকা ভাতা পাঠানোর তথ্য পাওয়া যায়।

অনুসন্ধানে ওই নম্বরে ইউপি সদস্য মোঃ আব্দুল খালেকের জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য দিয়ে নগদ অ্যাকাউন্ট খোলার তথ্যও পাওয়া যায়।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি সদস্য আব্দুল খালেক দাবি করেছিলেন, কীভাবে তার নম্বর সেখানে গেছে তা তিনি জানেন না। তার দাবি ছিল, ওই সিম চার বছর আগে হারিয়ে গেছে। তবে সিম হারানোর বিষয়ে কোনো সাধারণ ডায়েরি করেননি বলেও তিনি জানিয়েছিলেন।

এদিকে তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর এখন প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছেন ভুক্তভোগী রহিমা বেগম।

এ বিষয়ে দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইন্দ্রজীৎ সাহা বলেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদন পেয়েছি। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park