1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
চট্টগ্রামে মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় কুপিয়ে জখম, ১৫ দিন পর ঈমন দাশের মৃত্যু - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সেন্টমার্টিনে ৩০০ হোটেল, ফায়ার ছাড়পত্র শূন্য! পাঁচবিবিতে দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন পত্রিকার প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ​সাতক্ষীরায় ‘দৈনিক সাতক্ষীরা খবর’ পত্রিকার শুভ উদ্বোধন। নারী পুরুষ সমান অধিকার না-কি বৈষম্য বিভেদ আর অশান্তির আস্তা কুড়ে ঘর। চারঘাটে সরকারি সেবাদানকারী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সংলাপ অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফয়সল আমীন ​দেবহাটায় জামায়াতের কর্মী ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত: সৎ নেতৃত্বের মাধ্যমেই ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠন সম্ভব। দিরাই জারুলিয়া গ্রামে ১৪টি বসতঘর ও আসবাবপত্র পুড়ে ছাই,আনুমানিক ৪/৫ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি বেলকুচিতে প্রশাসনের অভিযানের পরও থামছে না ডাইং কারখানার দূষণ নারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মিনি ম্যারাথন প্রতিযোগিতা আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে

চট্টগ্রামে মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় কুপিয়ে জখম, ১৫ দিন পর ঈমন দাশের মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার মোঃ রাজু শেখ।
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১০৯ বার পঠিত

‎
‎স্টাফ রিপোর্টার: মোঃ রাজু শেখ
‎চট্টগ্রামে মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত ঈমন দাশ (২৬) চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৫ দিন পর মৃত্যুবরণ করেছেন।
‎
‎জানা যায়, গত ২৯ নভেম্বর রাতে ঈমন দাশের বাড়ির সামনে মরিয়ম ক্লাব সংলগ্ন এলাকায় কয়েকজন মাদক বিক্রেতা মাদক বিক্রি করতে গেলে তিনি বাধা দেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাদক বিক্রেতাদের সঙ্গে ঈমনের হাতাহাতি ও বাকবিতণ্ডা হয়। এরই জেরে পরদিন ৩০ নভেম্বর ভোর আনুমানিক পাঁচটার দিকে প্রতিশোধ নিতে সংঘবদ্ধভাবে ঈমন দাশের ওপর হামলা চালানো হয়।
‎
‎প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র কিরিচ দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ঈমন দাশকে গুরুতর জখম করে। হামলায় তার হাতের আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং হাত পা ভেঙ্গে দেয়।
‎
‎ঈমন দাশের মা জানান:
‎“আমার ছেলের বাসার সামনে মাদক বিক্রি করতে চাইলে সে বাধা দেয়। সেই ঘটনার জের ধরে ভোরবেলা ওরা আমার ছেলেকে কুপিয়ে হাত-পা ভেঙ্গে দেয়।”
‎
‎আহত অবস্থায় প্রথমে ঈমন দাশকে সিএনজিযোগে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে আইসিইউ প্রয়োজন হওয়ায় তাকে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। কয়েকদিন চিকিৎসার পর পুনরায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে টানা ১৫ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ১৪ ডিসেম্বর ভোর সাড়ে চারটার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
‎
‎মৃত ঈমন দাশের বাবা বলেন:
‎“আমার ছেলেকে বাঁচাতে গেলে পাঁচ থেকে ছয় জন আমাকে কিরিচ নিয়ে তাড়া করে। আমি এই ঘটনার সঠিক বিচার চাই।”
‎
‎ঈমন দাশের স্ত্রী কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন:
‎“ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি আমার স্বামী মাটিতে পড়ে আছে, ওরা তখনও ক্রিস দিয়ে কোপাচ্ছিল। আমার স্বামী শুধু ‘পানি, পানি’ বলে চিৎকার করছিল। পরে আমরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই।”
‎
‎তিনি আরও জানান, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের নাম উল্লেখ করে বলেন—নয়ন, হালিম, আজিম ও শরিফ।
‎তিনি এসব অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
‎
‎এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। নিহতের পরিবার দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও কঠোর শাস্তির জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park