1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
শাহ পরীর দ্বীপের ৫ জেলেকে ফেরত দেয়নি আরাকান আর্মি - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নারী পুরুষ সমান অধিকার না-কি বৈষম্য বিভেদ আর অশান্তির আস্তা কুড়ে ঘর। চারঘাটে সরকারি সেবাদানকারী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সংলাপ অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফয়সল আমীন ​দেবহাটায় জামায়াতের কর্মী ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত: সৎ নেতৃত্বের মাধ্যমেই ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠন সম্ভব। দিরাই জারুলিয়া গ্রামে ১৪টি বসতঘর ও আসবাবপত্র পুড়ে ছাই,আনুমানিক ৪/৫ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি বেলকুচিতে প্রশাসনের অভিযানের পরও থামছে না ডাইং কারখানার দূষণ নারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মিনি ম্যারাথন প্রতিযোগিতা আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে আট দফা দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের সংবাদ সম্মেলন পাঁচবিবিতে ভারতীয় সিরাপ ও ইয়াবাসহ আটক ৩ পাঁচবিবিতে উচ্চতা ৪ ফুট তবু থেমে নেই জীবনযুদ্ধ ১৬ বছর ধরে পরিশ্রমে সংসার চালান আল-আমিন

শাহ পরীর দ্বীপের ৫ জেলেকে ফেরত দেয়নি আরাকান আর্মি

শাহিন আলম টেকনাফ //
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৬৭ বার পঠিত

শাহিন আলম টেকনাফ //

টেকনাফের নাফ নদীতে মাছ শিকারে যাওয়া ৫ জেলেকে এখনো ফেরত দেয়নি মিয়ানমারের আরাকান আর্মি। নিখোঁজদের পরিবারে চলছে শোকের মাতম। বিজিবি বলছে, মাছ শিকারের সময় সীমান্তের বিষয়ে জেলেদের আরো সর্তক হওয়া দরকার।

টেকনাফের সীমান্তবর্তী জীবন-জীবিকার বড় মাধ্যম নাফ নদী। আর সেই নাফ নদীতে গত মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) সকালে মাছ শিকারের সময় স্পীড বোটে এসে অস্ত্রের মুখে নৌকা সহ ৫ জেলেকে ধরে নিয়ে যায় আরাকান আর্মি।

এরই মধ্যে চার দিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও এখানো জেলেদের কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। নিখোঁজ জেলের পরিবার নিখোজ জেলেরা হলের, শাহপরীর দ্বীপ জালিয়াপাড়ার জেলে মোহাম্মদ ইলিয়াছ তাঁর দুই ছেলে আক্কল আলী ও নুর হোসেন, কালু মিয়ার ছেলে সাবের হোসেন এবং নুর হোসেনের ছেলে সাইফুল ইসলাম। জেলেদের কোন সন্ধান না পাওয়ায় শোকের মাতক চলছে নিখোঁজদের পরিবারে।

এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ এহসান উদ্দিন জানান, জেলে নিখোঁজের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট বাহিনীকে অবহিত করা হয়েছে। আশা করা যায় দ্রুত সময়ের মধ্যে জেলেদের ফেতর পাওয়া যাবে।

এ প্রসঙ্গে কক্সবাজারের রামু’র বিজিবি সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘অনেক সময় দেখা যায় জেলেরা মাছ শিকার করতে করতে মিয়ানমারের জল সীমায় চলে যায়। আর তখনই মিয়ানমারের ওপারে থাকা বাহিনী তাদের ধরে নিয়ে যায়। তাই জেলেদের সবসময় সতর্ক করা হয় যেন মাছ ধরার সময় মিয়ানমারের জলসীমায় না যায়। মিয়ানমারের কারো কোন ক্ষমতা নাই এই পার থেকে জেলেদের ধরে নিয়ে যাওয়া। তাই জেলেদের সতর্ক থাকা জরুরী।

দেড় বছর ধরে নাফ নদীর ওপারের মিয়ানমার অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে সশস্ত্র বিদ্রোহী সংগঠন আরাকান আর্মি। সীমান্তবর্তীর জীবন জীবিকার মাধ্যম নাফ নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বারবার ঝুঁকিতে পড়ছেন স্থানীয়রা। প্রশাসনের কাছে তাদের প্রত্যাশা নিরাপদ নাফ নদী ও জীবন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park