
সুমন চন্দ্র দে, কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কায়দাবাদ এলাকায় ইয়াবা সেবন ও বিক্রির অভিযোগে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। রশিদ আহমদ ও মোস্তাক আহমদ নামে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কায়দাবাদ এলাকায় ইয়াবা সেবন ও সরবরাহের কারণে তরুণ সমাজসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। তাদের দাবি, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, মৃত শামসুল আলমের ছেলে রশিদ আহমদ এবং মৃত করমালীর ছেলে মোস্তাক আহমদ কায়দাবাদ এলাকার বাসিন্দা। তাদের মধ্যে রশিদের বিরুদ্ধে ইয়াবা সেবনের এবং মোস্তাকের বিরুদ্ধে ইয়াবা বিক্রি ও সেবনের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া মোস্তাকের বিরুদ্ধে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ততারও অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কয়েকজন। তবে এসব অভিযোগের স্বতন্ত্র সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, এলাকায় মাদকের বিস্তার ঠেকাতে নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি প্রয়োজন। অভিযোগগুলো তদন্ত করে মাদক সরবরাহের উৎস শনাক্তের দাবি জানান তিনি।
আরো একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে জড়িতদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে এর নেতিবাচক প্রভাব পরিবার ও সমাজে পড়তে পারে। তারা মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারের পাশাপাশি অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।
এ বিষয়ে মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আব্দুস সুলতান বলেন, মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদকবিরোধী অভিযান পুলিশের পক্ষ থেকে অব্যাহত রয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, কায়দাবাদ এলাকায় মাদকের বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি বাড়ানো এবং অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হোক।