1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
কুড়িগ্রামের দুর্নীতিবাজ ডিডির বদলিতে খুশি জেলার মানুষজন - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দিরাইয়ে প্রবাসীর কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, সৎ ভাই-বোনসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে  মামলা সাতক্ষীরা জেলা সহ খুলনা বিভাগের সর্বোচ্চ সংখ্যাক জেলার দ্বায়িত্ব এখন এনসিপির প্রথম নারী সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিন ইরার কাঁধে। হরিপুর সীমান্তে ১৬৫ বোতল মদ উদ্ধার ময়মনসিংহ মেডিকেলের অব্যবহৃত সিরিঞ্জ-ক্যানুলা ময়লার গুদামে, উঠছে নানা প্রশ্ন সেন্টমার্টিনে বিদ্যুতের হাহাকার, দিনে মেলে মাত্র ৪ ঘণ্টা কয়েক দিন পরপর বাড়ে ইউনিটপ্রতি দাম ময়মনসিংহে বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিলেন রেঞ্জ ডিআইজি গাজীপুরের কালীগঞ্জে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ, আটক ৩ আলমডাঙ্গায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মহাব্বত আলীর দাফন সম্পন্ন । পাবনায় ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ৫ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার ৪ বিয়ের নামে অভিনব প্রতারণা, নিজের স্ত্রী’কে কখনো মেয়ে কখনো ভাইঝি বলে একাধিক বিয়ে দেন স্বামী! কৌশলে হাতিয়ে নেন লাখ লাখ টাকা।

কুড়িগ্রামের দুর্নীতিবাজ ডিডির বদলিতে খুশি জেলার মানুষজন

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি।।
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৫
  • ৩৭২ বার পঠিত

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি।।

দুর্নীতি, অনিয়ম ও বদলী বানিজ্যের মুল হোতা কুড়িগ্রাম জেলার  পরিবার পরিকল্পনার ডিডি মোদাব্বের হোসেনের  অবশেষে বদলি হয়েছে।বদলীর খবরে জেলাবাসী মাঝে স্বস্তি এসেছে এবং সাধারণ সেবাগ্রহীতারা খুশি হলেও আতংকিত ভুক্তভোগীরা। শান্তি মুলক ব্যবস্থা না নেয়ায় ডিডির বদলী হলেও সিন্ডিকেটের সহযোগীরা রয়েছে বহাল তবিয়তে। অভিযোগ রয়েছে ফ্যাস্টিট সরকারের আমলে পদোন্নতিপ্রাপ্ত  এই ডিডি নিয়োগ বাণিজ্য,বদলি বাণিজ্য, বরাদ্দের টাকা লুটপাট, ফিল্ড লেভেল থেকে মাসহারা উঠানো ও নারী কেলেঙ্কারি সহ বিভিন্ন অনিয়মের জড়িয়ে পড়েন। নানা অনিয়ম করে  সম্পদের পাহাড় গড়া এই ডিডির বিরুদ্ধে দুদকের তদন্ত  দীর্ঘ দিন থেকে দাবি করে আসছিলেন  সংশ্লিষ্টরা। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কুড়িগ্রাম জেলায় পরিবার পরিকল্পনা ডিডি হিসেবে যোগদান করার পর থেকে  শুরু করেন অনিয়ম আর বদলী বানিজ্যে। অফিসে থাকা, অফিসে খাওয়া। এসব কাজে সহায়তা করেন অফিসে নিয়োজিত কর্মচারীরা । জেলা অফিসে তার  মনের মতো কর্মকর্তা কর্মচারী নিয়ে গড়েছেন  সিন্ডিকেট।বিল ভাউচার থেকে শুরু করে  ওষুধ বিক্রি সবই চলে ওই সিণ্ডিকেটের মাধ্যমে। প্রথমে দু’একজন  প্রতিবাদ করলেই তাদের বদলী করা হত দুর্গম চরাঞ্চলে। ফলে প্রতিবাদহীন ইচ্ছে মতো লাগামহীন অনিয়ম করে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি টাকা। এছাড়া এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রয়েছে নারী কেলেঙ্কারি সহ বিভিন্ন ঘটনা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান  সুন্দরী নারী কর্মীদের অফিস সময়ের পরে অফিসের তার থাকার ঘরে ডেকে পাঠায়।কথা না শুনলে বদলী।কমপক্ষে ১০০ জন এর মত স্টাফকে বদলী করেন তার সময়ে।বদলী হওয়ার আগের মাসেই কমপক্ষে ১০ লাখ টাকার লেনদেন হয়।একাজে সহযোগিতা করেন তার অফিস সহকারী। এছাড়া বিভিন্ন তদবির ও বদলি বাণিজ্যের সাথে জড়িত উক্ত অফিসের পরিসংখ্যানবিদ মাহবুবুর রহমান মিম।প্রতিমাসে  তার অধস্থন কর্মকর্তারা মাসহারা  না দিলে র্কর্মকর্তাদের নাজেহাল করেন। ডাক্তার মঞ্জুর  ও পরিসংখ্যান সহকারী  মাহবুবুর রহমান মিম সহ সিন্ডিকেট গড়ে তুলে সহকারী পরিচালক সিসি  পদে নিয়োগ বাণিজ্য ৫ কোটি ও বদলী বানিজ্যে ১ কোটি  টাকা হাতিয়ে নেন। বহুবার অভিযোগ দেওয়ার পর ২০২৪ সালের ৩০ শে ডিসেম্বর পরিবার পরিকল্পনার অধিদপ্তর থেকে উপপরিচালকের একনায়কতন্ত্র বিষয়ে তদন্তের চিঠি প্রেরিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায়  ভুক্তভোগীরা  ২০২৫ সালের ৫ থেকে ৬ জানুয়ারি পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় আহবায়ক কমিটির কাছে তার বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণাদি সহ সাক্ষ্য দিতে গেলে উপপরিচালক আগেই ভুক্তভোগীদের চাকরি খেয়ে ফেলবেন বলে ভয় দেখান। জোরে জোরে বলতে থাকেন, তদন্ত কমিটি তার কেনা, রংপুর বিভাগীয় পরিচালক জনাব মোর্শেদ কামাল তার বন্ধু, অধিদপ্তরের প্রশাসন তার কেনা, মন্ত্রণালয় তার কেনা, বিগত সময়ে মহাপরিচালক পীরগঞ্জ বাড়ি নাকি তার আত্মীয়। নিজেকে শেখ হাসিনার জামাই ওয়াজেদ মিয়ার আত্মীয় বলে পরিচয় দেন।কিন্তু  ৫ই আগস্টের পর নিজেকে পরিচয় দেন সাবেক ছাত্রদল নেতা হিসেবে। এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে টেলিভিশন ,পেপার পত্রিকা সহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে তার অনিয়ম ও দুর্নীতির চিত্র। ভুক্তভোগী সহ বিভিন্ন পেশার  উক্ত কর্মকর্তার  বিরুদ্ধে  স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেন।সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে  কুড়িগ্রাম পরিবার পরিকল্পনা ডিডি মোদাব্বের হোসেনকে গত ১৪ই আগস্ট পঞ্চগড়ে বদলি করা হয়। অবশেষে এই দুনীতির রাঘব বোয়ালের ডিডির মোদাব্বের হোসেনের বদলিতে কুড়িগ্রামবাসী অত্যন্ত আনন্দিত।
এসব অভিযোগ অস্বীকার করে ডিডি মোদাব্বের হোসেন বলেন, বাংলাদেশে ডিডি পদ সৃষ্টি হওয়ার পর থেকে কেউ সারে ৪ বছর একজেলায় থাকতে পারে নাই। ভালো কজা করেছি বিদায় কর্তৃপক্ষ আমাকে এতদিন রেখেছে । নিয়ম অনুযায়ী আমার বদলি পঞ্চগড়ে হয়েছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park