1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
নেতাজি কি সত্যি দেশে ফিরেছিলেন? - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সেন্টমার্টিনে বিদ্যুতের হাহাকার, দিনে মেলে মাত্র ৪ ঘণ্টা কয়েক দিন পরপর বাড়ে ইউনিটপ্রতি দাম ময়মনসিংহে বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিলেন রেঞ্জ ডিআইজি গাজীপুরের কালীগঞ্জে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ, আটক ৩ আলমডাঙ্গায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মহাব্বত আলীর দাফন সম্পন্ন । পাবনায় ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ৫ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার ৪ বিয়ের নামে অভিনব প্রতারণা, নিজের স্ত্রী’কে কখনো মেয়ে কখনো ভাইঝি বলে একাধিক বিয়ে দেন স্বামী! কৌশলে হাতিয়ে নেন লাখ লাখ টাকা। সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে শান্তিপূর্ণ ভাবে শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসব উদযাপিত। উল্লাপাড়ায় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে নাসির হোসেন, নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপনে প্রশাসনের সঙ্গে তদারকি খেলাধুলায় মনোবল বাড়াতে জোড়া খাসি উপহার দিলেন মেয়র পদপ্রার্থী জামাল উদ্দিন মাস্টার নিয়োগের অপেক্ষায় ১-১২ তম নিবন্ধিত শিক্ষকগণ, নেই নিয়োগের চুড়ান্ত ঘোষণা নেই, নিয়োগের বাঁধা কোথায়!

নেতাজি কি সত্যি দেশে ফিরেছিলেন?

বেবি চক্রবর্ত্তী, ভারত প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ৭৫ বার পঠিত

বেবি চক্রবর্ত্তী :- ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে সুভাষচন্দ্র বসু এক অনন্য নাম। তাঁর সাহস, দূরদর্শিতা এবং ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামের আহ্বান তাঁকে ভারতবাসীর হৃদয়ে অমর করে রেখেছে। কিন্তু স্বাধীনতার ইতিহাসের অন্যতম বড় রহস্য হলো—নেতাজি কি সত্যিই ১৯৪৫ সালের বিমান দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছিলেন, নাকি তিনি পরে গোপনে ভারতে ফিরে এসেছিলেন?

প্রায় আট দশক ধরে এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে চলেছেন ইতিহাসবিদ, গবেষক, সাংবাদিক এবং সাধারণ মানুষ। সরকারি তদন্ত, প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান, গুজব, নানা তত্ত্ব এবং রহস্যময় নথি এই বিতর্ককে আরও জটিল করেছে। এখানে আমরা নেতাজির অন্তর্ধান, তাঁর সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন এবং বিভিন্ন তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট বিশদে আলোচনা করব।

১৯৪৫ সালের তথাকথিত বিমান দুর্ঘটনা :-

১৯৪৫ সালের ১৮ আগস্ট জাপানের অধিকৃত তাইওয়ানের তাইহোকু (বর্তমান তাইপেই) বিমানবন্দর থেকে একটি জাপানি সামরিক বিমান উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পর দুর্ঘটনায় পড়ে। সরকারি বিবরণ অনুযায়ী, সেই বিমানে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ছিলেন।

দুর্ঘটনায় তিনি মারাত্মকভাবে দগ্ধ হন এবং কয়েক ঘণ্টা পরে একটি সামরিক হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন বলে দাবি করা হয়। তাঁর সহযাত্রী হাবিবুর রহমান পরে জানান যে তিনি নেতাজির শেষ মুহূর্তের সাক্ষী ছিলেন।

জাপানি কর্তৃপক্ষের দাবি ছিল, নেতাজির দেহ দাহ করা হয় এবং তাঁর অস্থিভস্ম টোকিওর রেনকোজি মন্দির-এ সংরক্ষিত রাখা হয়। কিন্তু এখান থেকেই শুরু হয় সন্দেহ।

কেন সন্দেহের সৃষ্টি হয়?

নেতাজির মৃত্যুর খবর প্রকাশিত হওয়ার পরও বহু মানুষ তা বিশ্বাস করতে পারেননি। এর কয়েকটি কারণ ছিল—

১. কোনো প্রত্যক্ষ মৃতদেহের প্রমাণ নেই

নেতাজির মৃতদেহ ভারতীয় জনগণ বা তাঁর পরিবারের কেউ দেখেননি। এমনকি কোনো নির্ভরযোগ্য ফটোগ্রাফও প্রকাশিত হয়নি।

২. পরস্পরবিরোধী সাক্ষ্য

বিমান দুর্ঘটনা সম্পর্কে বিভিন্ন সাক্ষীর বক্তব্যে অসঙ্গতি দেখা যায়। কেউ বলেছেন দুর্ঘটনা ভয়াবহ ছিল, কেউ বলেছেন তুলনামূলক কম ক্ষতি হয়েছিল।

৩. রাজনৈতিক পরিস্থিতি

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে জাপানের পরাজয় এবং ব্রিটিশদের কাছে আত্মসমর্পণের প্রেক্ষাপটে অনেকের ধারণা ছিল নেতাজি ইচ্ছাকৃতভাবে আত্মগোপন করেছিলেন।

৪. সোভিয়েত ইউনিয়নে যাওয়ার গুজব না সত্যি…?

অনেক গবেষকের মতে নেতাজির লক্ষ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নে পৌঁছানো। তাই বিমান দুর্ঘটনার খবরটি ছিল একটি ছদ্মবেশী পরিকল্পনার অংশ।

নেতাজি দেশে ফিরেছিলেন বলে যারা বিশ্বাস করেন, তাঁদের মধ্যে কয়েকটি প্রধান তত্ত্ব প্রচলিত।

১: সোভিয়েত ইউনিয়নে বন্দি ছিলেন

অনেক গবেষক মনে করেন বিমান দুর্ঘটনা সাজানো হয়েছিল এবং নেতাজি মাঞ্চুরিয়া হয়ে সোভিয়েত ইউনিয়নে প্রবেশ করেন। কারণ সেই সময় ভগৎরাম তলোয়ার রাশিয়ার হাতে বন্ধী ছিলেন। এই ভগৎরাম তলোয়ার ছিলেন একজন আজাদ হিন্দ ফৌজের গুপ্তচর এবং নেতাজির সহকর্মী। আজাদ হিন্দ ফৌজের যুদ্ধের সমস্ত অস্ত্রসস্ত্র বিদেশ থেকে এনে যুদ্ধে সাহায্য করেছিলেন। শুধু তাই নয় দেশের জন্য আন্তর্জাতিক গুপ্তচর হিসাবে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে বহু তথ্য দিয়ে সাহায্য করেছিলেন। এই সোভিয়েত রাশিয়ার জেলে বসে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জহরলাল নেহেরু এবং গান্ধীকে চিঠি লিখেছিলেন। রাশিয়া থেকে যুদ্ধের সমস্ত অস্ত্রসস্ত্র সরবরাহ করেছিলেন। সেই জন্য রাশিয়ার হাতে বন্দী ছিলেন ভগৎরাম তলোয়ার।

এই তত্ত্ব অনুযায়ী নেতাজি সোভিয়েত গোয়েন্দা সংস্থার হেফাজতে ছিলেন এবং পরে সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন।

তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো নির্ভরযোগ্য সরকারি নথি পাওয়া যায়নি।

২: গুমনামি বাবা বা ভগবানজি

নেতাজিকে ঘিরে সবচেয়ে আলোচিত তত্ত্ব হলো তথাকথিত “গুমনামি বাবা”।

উত্তর প্রদেশের ফৈজাবাদে বহু বছর ধরে এক রহস্যময় সন্ন্যাসী বসবাস করতেন। তিনি জনসমক্ষে খুব কম আসতেন এবং তাঁর পরিচয় গোপন রাখতেন।

তাঁর মৃত্যুর পর উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে পাওয়া যায়—

* নেতাজি সম্পর্কিত বহু নথি
* আজাদ হিন্দ ফৌজের স্মারক
* পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কিত তথ্য
* ব্যক্তিগত চিঠিপত্র

অনেকের দাবি, ওই ব্যক্তি আসলে নেতাজি ছিলেন।

কিন্তু বৈজ্ঞানিকভাবে এই দাবির চূড়ান্ত প্রমাণ প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

৩: ভারতে গোপন জীবনযাপন

কিছু মানুষ বিশ্বাস করেন নেতাজি স্বাধীনতার পর দেশে ফিরে এসেছিলেন কিন্তু রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক কারণে প্রকাশ্যে আসেননি।

এই তত্ত্বের সমর্থকরা দাবি করেন, তিনি বিভিন্ন ছদ্মনামে দীর্ঘদিন ভারতে অবস্থান করেছিলেন। তবে এ ধরনের দাবির পক্ষে দৃঢ় প্রমাণ নেই।

সরকারি তদন্ত কমিশনসমূহ:-

নেতাজির মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য ভারত সরকার একাধিক তদন্ত কমিশন গঠন করে।

শাহনওয়াজ কমিটি (১৯৫৬):-

শাহনওয়াজ খান-এর নেতৃত্বে গঠিত এই কমিটি বহু সাক্ষীর বক্তব্য গ্রহণ করে।

কমিটির সিদ্ধান্ত ছিল—

* ১৮ আগস্ট ১৯৪৫-এ বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছিল।
* নেতাজি সেই দুর্ঘটনায় মারা যান।

তবে কমিটির একজন সদস্য এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত ছিলেন না।

খোসলা কমিশন (১৯৭০) :-

জি. ডি. খোসলা-এর নেতৃত্বে গঠিত কমিশনও উপসংহারে পৌঁছায় যে বিমান দুর্ঘটনাতেই নেতাজির মৃত্যু হয়েছিল।

তবে সমালোচকরা বলেন, কমিশন বিকল্প তত্ত্বগুলোকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেয়নি।

মুখার্জি কমিশন (১৯৯৯–২০০৫):-

সবচেয়ে আলোচিত তদন্ত ছিল মনোজ কুমার মুখার্জি কমিশন। এই কমিশন দীর্ঘ তদন্তের পর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করে—

১. ১৯৪৫ সালের বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যু হয়েছে—এ কথা নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত নয়।
২. রেনকোজি মন্দিরে সংরক্ষিত অস্থিভস্ম নেতাজির নয়।
৩. তবে নেতাজি কোথায় গিয়েছিলেন বা পরে কী হয়েছিল সে বিষয়ে কমিশন কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিতে পারেনি।

ভারত সরকার পরবর্তীতে এই রিপোর্ট গ্রহণ করেনি।

নেতাজির পরিবার কী মনে করে?

নেতাজির পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও মতভেদ রয়েছে।

একাংশ মনে করেন বিমান দুর্ঘটনাতেই তাঁর মৃত্যু হয়েছিল।

অন্য অংশের বিশ্বাস, সরকার এখনো সব তথ্য প্রকাশ করেনি এবং নেতাজির অন্তর্ধান সম্পর্কে বহু নথি গোপন রয়েছে।

নথি প্রকাশ ও নতুন বিতর্ক :-

২০১৫ সালের পর পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং পরে ভারত সরকার নেতাজি-সংক্রান্ত বহু গোপন নথি প্রকাশ করে।

এই নথিগুলোতে—

* গোয়েন্দা নজরদারির তথ্য,
* আন্তর্জাতিক যোগাযোগ,
* বিভিন্ন কূটনৈতিক রিপোর্ট

প্রকাশ পেলেও নেতাজি দেশে ফিরেছিলেন কি না তার সুস্পষ্ট প্রমাণ মেলেনি।

বরং নথিগুলো দেখায় যে স্বাধীনতার পরও সরকার তাঁর সম্ভাব্য অবস্থান সম্পর্কে নানা তথ্য সংগ্রহ করছিল।

ইতিহাসবিদদের মতামত :-

অধিকাংশ মূলধারার ইতিহাসবিদ মনে করেন যে বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যুর তত্ত্বই তুলনামূলকভাবে বেশি গ্রহণযোগ্য।

তাঁদের যুক্তি—

* বহু জাপানি সাক্ষীর বয়ান রয়েছে।
* হাসপাতালের রেকর্ডের উল্লেখ আছে।
* সহযাত্রীদের সাক্ষ্য একে সমর্থন করে।

অন্যদিকে সংশয়বাদীরা বলেন—

* প্রত্যক্ষ প্রমাণ অনুপস্থিত।
* মৃতদেহের বৈজ্ঞানিক শনাক্তকরণ হয়নি।
* বহু সরকারি নথি দীর্ঘদিন গোপন রাখা হয়েছিল।

ফলে বিতর্ক এখনো শেষ হয়নি।

জনমানসে নেতাজির প্রত্যাবর্তনের বিশ্বাস :-

ভারতীয় সমাজে নেতাজি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন; তিনি এক কিংবদন্তি।

অনেক মানুষের কাছে তিনি এমন এক বিপ্লবী যিনি শেষ পর্যন্ত ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালিয়ে গিয়েছিলেন। তাই তাঁর মৃত্যু সম্পর্কে অনিশ্চয়তা মানুষের কল্পনাকে দীর্ঘদিন ধরে উসকে দিয়েছে।

বাংলা সাহিত্য, চলচ্চিত্র, গবেষণাগ্রন্থ এবং লোকমুখে আজও নেতাজির ফিরে আসার গল্প শোনা যায়।

তাহলে কি নেতাজি সত্যিই দেশে ফিরেছিলেন?

এই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর আজও ইতিহাস দিতে পারেনি।

বর্তমানে উপলব্ধ তথ্যের ভিত্তিতে বলা যায়—

* নেতাজির দেশে ফিরে আসার কোনো নিশ্চিত ও প্রমাণিত তথ্য নেই।
* বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যুর পক্ষে কিছু সাক্ষ্য ও নথি রয়েছে।
* আবার সেই তত্ত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করার মতো অসঙ্গতিও রয়েছে।
* মুখার্জি কমিশন বিমান দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর দাবিকে নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেনি।
* গুমনামি বাবা বা সোভিয়েত তত্ত্বের পক্ষেও চূড়ান্ত প্রমাণ নেই।

অর্থাৎ, নেতাজির শেষ পরিণতি আজও ভারতের অন্যতম বৃহৎ ঐতিহাসিক রহস্য।

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জীবন যেমন অসাধারণ, তাঁর অন্তর্ধানও তেমনই রহস্যাবৃত। ১৯৪৫ সালের বিমান দুর্ঘটনার সরকারি বিবরণ দীর্ঘদিন ধরে গ্রহণযোগ্য থাকলেও নানা প্রশ্ন ও অসঙ্গতি সেই বর্ণনাকে চ্যালেঞ্জ করেছে। দেশে প্রত্যাবর্তন, সোভিয়েত ইউনিয়নে অবস্থান কিংবা গুমনামি বাবা—প্রতিটি তত্ত্বই জনমনে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, কিন্তু কোনোটিই এখন পর্যন্ত অকাট্য প্রমাণ পায়নি।

ইতিহাসের বিচারে বলা যায়, নেতাজি দেশে ফিরেছিলেন—এমন দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই; আবার বিমান দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়েছিল—এই সিদ্ধান্তও শতভাগ সন্দেহমুক্ত নয়। তাই নেতাজির অন্তর্ধান আজও গবেষণার বিষয় এবং ভারতীয় ইতিহাসের অন্যতম অমীমাংসিত রহস্য।

নেতাজি নিজেই একবার বলেছিলেন—“তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব।” স্বাধীন ভারতের নাগরিকরা সেই স্বাধীনতা পেয়েছে, কিন্তু তাঁর জীবনের শেষ অধ্যায় আজও ইতিহাসের পাতায় এক অনুত্তরিত প্রশ্ন হয়ে রয়ে গেছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park