1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
কলকাতার বিভিন্ন রুটের বাস স্ট্যান্ড ও অটো স্ট্যান্ডে বি জে পি‌ র বিজয় মিছিল। - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হরিপুর সীমান্তে ১৬৫ বোতল মদ উদ্ধার ময়মনসিংহ মেডিকেলের অব্যবহৃত সিরিঞ্জ-ক্যানুলা ময়লার গুদামে, উঠছে নানা প্রশ্ন সেন্টমার্টিনে বিদ্যুতের হাহাকার, দিনে মেলে মাত্র ৪ ঘণ্টা কয়েক দিন পরপর বাড়ে ইউনিটপ্রতি দাম ময়মনসিংহে বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিলেন রেঞ্জ ডিআইজি গাজীপুরের কালীগঞ্জে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ, আটক ৩ আলমডাঙ্গায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মহাব্বত আলীর দাফন সম্পন্ন । পাবনায় ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ৫ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার ৪ বিয়ের নামে অভিনব প্রতারণা, নিজের স্ত্রী’কে কখনো মেয়ে কখনো ভাইঝি বলে একাধিক বিয়ে দেন স্বামী! কৌশলে হাতিয়ে নেন লাখ লাখ টাকা। সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে শান্তিপূর্ণ ভাবে শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসব উদযাপিত। উল্লাপাড়ায় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে নাসির হোসেন, নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপনে প্রশাসনের সঙ্গে তদারকি

কলকাতার বিভিন্ন রুটের বাস স্ট্যান্ড ও অটো স্ট্যান্ডে বি জে পি‌ র বিজয় মিছিল।

সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬
  • ১০২ বার পঠিত

সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা পশ্চিমবঙ্গ
৫ই মে মঙ্গলবার, বি জে পি র ফল ঘোষিত হওয়ার সাথে সাথে দিকে দিকে যখন বিজয় মিছিলে মেতে উঠেছিলেন বিজেপি কর্মীরা।
ঠিক গতকাল দুপুর বারোটা নাগাদ ধর্মতলা বাস অ্যসোসিয়েশনের তরফ থেকে একটি বিজয় মিছিল শুরু করেন ।

বিভিন্ন বাসের হেল্পার থেকে শুরু করে কন্ডাক্টার ও মালিকপক্ষ তরফ থেকে এই বিজয় মিছিল বের করেন। সারা ধর্মতলা বাস স্ট্যান্ড ঘুরে পুনরায় তারা অ্যাসোসিয়েশনের সামনে উপস্থিত হন, ডিজে গানের মধ্য দিয়ে এবং গেরুয়া আবিরে ভরে উঠে ধর্মতলা বাস স্ট্যান্ড চত্তর।

২০২৬-এ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ২৯৪ টি আসনের মধ্যে ২০৭ টি আসনে জয় লাভ করে। বিজেপির ফলাফল- কোচবিহারে ৮, আলিপুরদুয়ার ৫, জলপাইগুড়ি ৭, কালিম্পং ১, দার্জিলিং ৫, উত্তর দিনাজপুর 4, দক্ষিণ দিনাজপুরের চারটি। মালদহ ছটি, মুর্শিদাবাদে আটটি, নদীয়া ১৪, উত্তর ২৪ পরগনা ২৩ টি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ১০ টি, কলকাতায় ছটি, হাওড়ায় ৭টি, হুগলি ১৬টি, পূর্ব মেদিনীপুর ১৬ টি ,পশ্চিম মেদিনীপুর ১৩টি, ঝাড়গ্রাম চারটি, পুরুলিয়া নটি, বাঁকুড়া বারটি, পূর্ব বর্ধমান চৌদ্দটি, পশ্চিম বর্ধমান নটি, এবং বীরভূমে 11 টি।

তবে ২০২৬-এর নির্বাচনকে ঘিরে তৃণমূল কংগ্রেসের বেশ কয়েকটি নেতা ও নেত্রী বিজেপিকে ব্যঙ্গ করে বিভিন্ন কটুক্তি করে তোলেন, এবং বলেন বাংলায় আবার দিদি আসছে,
এমন কি বলেছিলেন রূপা গাঙ্গুলীকে উদ্দেশ্য করে, আমরা মধু নিতে বেরোইনি, আমরা মৌচাকে ঢিল ছুড়তে বেরিয়েছি। এবং এসি ঘরে বসে থাকি না, ৩৬৫ দিন মানুষের পাশে থাকি, তাই এসি ঘর থেকে বেরিয়ে কতটা ধুলো লাগাতে পারে দেখা যাক।, আর প্রার্থী রূপা গাঙ্গুলী খুব সুন্দর সুন্দর মিষ্টি কথা বলেন, কিন্তু এই মিষ্টি কথা যেন কারো ডায়াবেটিস হয়ে না যায়। এছাড়াও শুভাশিস চক্রবর্তী বলেছিলেন হিন্দুদের ভোট দেওয়া যাবে না, কল্কি সতর্ক থাকতে।

অহংকার ও হিংসা ও ব্যঙ্গ এনে দিলো পতন তৃণমূল কংগ্রেসকে।, আর যারা বলেছিলেন ব্যঙ্গ করে তাদেরকে আর দেখা যাচ্ছে না। বিজেপি দেখিয়ে দিয়েছে, ব্যঙ্গ করা কতটা নিচে নামাতে পারে।

অন্যদিকে দেখা গেলো, বিজেপি গণনা শেষ না হতে হতেই, বিভিন্ন বাস স্ট্যান্ড থেকে শুরু করে অটোস্ট্যান্ডের অটোয় অটোই বিজেপির পতাকা। কোন অটো বাদ নাই, আর সারা জায়গার অলিগলিতে একটাই নাম জয় শ্রী রাম।

তবে রাজ্য সভাপতি শ্রমিক ভট্টাচার্য অনেক আগেই জানিয়ে রেখেছিলেন, বিজয় মিছিল হোক কিন্তু আমাদের কর্মীরা যেন কোন কিছুর ঝামেলা না করেন। কিন্তু পার্টি কর্মীরা আনন্দ ধরে রাখতে না পেরে কোথাও কোথাও ছোটখাটো ঘটনা ঘটিয়েছেন এই নিয়ে অন্যান্য দলের কর্মীরা শ্রমিক ভট্টাচার্যের উদ্দেশ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা তুলে ধরেছেন

তারা বলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বেশ কিছু কর্মী ভোট গণনার কিছু আগে ঝামেলা করেছিল কিন্তু বিকেলের দিকে কিভাবে তারা বিজেপির ঝান্ডা নিয়ে অন্য দলের পার্টি অফিস ভাঙতে আসে।

কংগ্রেসের তরফ থেকে অভিযোগ করা হয়, বিজেপি রাজ্য সভাপতি শ্রমিক ভট্টাচার্য কথা দিয়ে কথা রাখতে পারলেন না, দশের এ
ক্যানাল সার্কুলার রোডে , নতুন বিজেপির কর্মীরা কংগ্রেসের পার্টি অফিস ভেঙে যায় এমনকি তালাও মেরে দেয়। তাহারা কয়েক ঘন্টা আগে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে বিজেপিকে আক্রমণ করছিলেন। ৭২ ঘণ্টা হতে না হতেই তারা বিজেপিতে কিভাবে আসলো। এই ধরনের ঘটনা কিভাবে ঘটাচ্ছে,

বিজয় মিছিল হোক, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় থাক এটাই আমরা আশা করব। সে যে দলেরই হোক না কেন।

আরেক দিকে সাধারণ মানুষ, বারবার একটা কথা তুলে ধরেছেন, আর যেন তৃণমূল কংগ্রেসের মত না ঘটে, সাধারণ মানুষ জাতে শান্তি-শৃঙ্খলা ভাবে থাকতে পারে, নারীরা সুরক্ষিত থাকে, অন্য সংস্কারে রাস্তা হয়, তাই আমরা নতুন সরকার গড়েছি, তারই হবে আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তেহিংসা রাহাজানি চুরি কোন কিছুই যেন না থাকে।

ইদানিং প্রশাসনিক তরফ থেকে একাংশ যথেষ্ট ভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন, যাহাতে কোনো রকম গন্ডগোলের সৃষ্টি না হয়। সাধারণ মানুষ শান্তিতে যেন বসবাস করতে পারে। এটাই আমাদের আবেদন বিজেপি সরকারের কাছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park