1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
ঐতিহাসিক পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস: সাতক্ষীরায় জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ। - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাসায়নিক দিয়ে কদবেল পাকানোর দায়ে ফল ব্যবসায়ীকে জরিমানা বিরামপুরে দুই কিলোমিটার হেঁটে ফুটপাতের দখল দেখলেন ইউএনও, ব্যবসায়ীদের সতর্কবার্তা দামুড়হুদায় ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে সুপারভাইজার ও তথ্যসংগ্রহকারীদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত পাঁচবিবিতে যুব দিবসে গাছের চারা বিতরণ ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের উদ্যোগে নদীভাঙন রোধে জিও ব্যাগ স্থাপন নিহত সাংবাদিক আলিফ ফকিরের স্ত্রীকে চাকরি দিলেন : ডেপুটি স্পিকার সাতক্ষীরায় বাসের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত। সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে জাতীয় যুব দিবস -২৬ উদযাপিত হয়েছে। গাঁওকান্দিয়া ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশী নুরুজ্জামান রিপন ​সাতক্ষীরা সীমান্তে আড়াই লাখ টাকার চোরাই মালসহ আটক ১

ঐতিহাসিক পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস: সাতক্ষীরায় জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ।

মোঃ সাইদুল বাসার সাতক্ষীরা
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৭৪ বার পঠিত

মোঃ সাইদুল বাসার সাতক্ষীরা

২৮ শে অক্টোবর ঐতিহাসিক পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরায় এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর সাতক্ষীরা জেলা আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল।

২৮ অক্টোবর বিকাল ৪টায় শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে নেতাকর্মীদের জমায়েত শুরু হয়। সেখান থেকে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ নিউমার্কেট চত্বর ও খুলনা রোড মোড় প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে এসে মিলিত হয়। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সাতক্ষীরা শহর জামায়াতের ইসলামের সেক্রেটারি মো. খোরশেদ আলম।

সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর শেখ নূরুল হুদা, সহকারী সেক্রেটারি ওবায়দুল্লাহ ও মো. ওমর ফারুক, শহর শিবির সভাপতি মেহেদি হোসেন, কর্মপরিষদ সদস্য এড. আজিজুল ইসলাম, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল বারী, অফিস সেক্রেটারি রুহুল আমিন, শহর আমীর জাহিদুল ইসলাম, সদর নায়েবে আমীর মো. আব্দুস সবুর, সদর আমীর মাওলানা মোশারফ হোসেন, সদর সেক্রেটারি মাওলানা হাবিবুর রহমান এবং শহর যুব বিভাগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আবু তালেব প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল ২০০৬ সালের ২৮শে অক্টোবরের ভয়াবহ স্মৃতির রোমন্থন করে বলেন, অতীতের নমরুদ-ফেরাউনকে হার মানানোর মতো তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোটা বাংলাদেশ থেকে সন্ত্রাসী বাহিনী ডেকে এনে লগি-বৈঠা ও মারণাস্ত্র হাতে তুলে দিয়ে জামায়াতের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে নৃশংস হত্যাকাণ্ড চালিয়েছিল। নিরীহ ১৪ জন ভাইকে নির্মমভাবে পিটিয়ে ও রক্তাক্ত করে লাশের ওপর উল্লাস করা হয়েছিল, যা পৃথিবীর রাজনীতির ইতিহাসে এক বিরল ও কালিমাসিক্ত অধ্যায়।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট আমলের দীর্ঘ ২০ বছর পেরিয়ে গেলেও সেদিনের নির্মম হত্যাকাণ্ডের কোনো বিচার হয়নি। বরং উল্টো ভিকটিম ও শহীদ পরিবারগুলোর লোকজনকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছে। ইসলামী আন্দোলনকে চিরতরে দমন করার অপপ্রয়াসে তৎকালীন সময়ে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম-উলামা ও ইসলামী আন্দোলনের প্রাণপুরুষদের সাজানো মামলায় কারাগারে আটকে রেখে তিলে তিলে শহীদ করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নেতারা বলেন, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর আওয়ামী লীগের আহ্বানে লগি-বৈঠা নিয়ে মানুষ হত্যার উৎসব হয়েছিল। রাজধানীর রাজপথ শহীদ মাসুম, শিফনসহ অসংখ্য নিরপরাধ নেতাকর্মীর রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল। বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শহীদ মাসুম ও শিফনসহ সারা দেশে অসংখ্য নেতাকর্মীকে যেভাবে বিচারবহির্ভূতভাবে ও ফাঁসি দিয়ে হত্যা করা হয়েছে, বাংলার মাটিতে সেই প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার এবং দৃশ্যমান রায় কার্যকর দেখতে চায় এ দেশের জনগণ।
সমাবেশ থেকে হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলা হয়, জুলাই-আগস্টের জনবিক্ষোভের পর নতুন বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের দোসরদের কোনো ষড়যন্ত্র সফল হতে দেওয়া হবে না। পরিশেষে একটি বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানানো হয়।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park