1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
উল্লাপাড়ায় বাঙ্গালা কাজী সাইদুর রহমান সৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্ন কর্মী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফয়সল আমীন ​দেবহাটায় জামায়াতের কর্মী ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত: সৎ নেতৃত্বের মাধ্যমেই ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠন সম্ভব। দিরাই জারুলিয়া গ্রামে ১৪টি বসতঘর ও আসবাবপত্র পুড়ে ছাই,আনুমানিক ৪/৫ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি বেলকুচিতে প্রশাসনের অভিযানের পরও থামছে না ডাইং কারখানার দূষণ নারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মিনি ম্যারাথন প্রতিযোগিতা আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে আট দফা দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের সংবাদ সম্মেলন পাঁচবিবিতে ভারতীয় সিরাপ ও ইয়াবাসহ আটক ৩ পাঁচবিবিতে উচ্চতা ৪ ফুট তবু থেমে নেই জীবনযুদ্ধ ১৬ বছর ধরে পরিশ্রমে সংসার চালান আল-আমিন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কলকলিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মুহিত মিয়ার নির্বাচনী মতবিনিময় সভা  সাতক্ষীরায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত

উল্লাপাড়ায় বাঙ্গালা কাজী সাইদুর রহমান সৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্ন কর্মী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ

মোঃ কোরবান আলী রিপন, উল্লাপাড়া উপজেলা প্রতিনিধি সিরাজগঞ্জ
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৯৭ বার পঠিত

মো:কোরবান আলী রিপন উল্লাপাড়া,সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার বাঙ্গালা কাজী সাইদুর রহমান সৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের ০২/০৮/২০২৩ ইং তারিখে আব্দুল মান্নান নামের একজনকে পরিচ্ছন্ন কর্মী হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয় এবং ০৬/০৮/২০২৩ ইং তারিখে এই আব্দুল মান্নানকে এমপিও ভুক্ত করার আবেদন করা হয়।কিন্তু নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু ব্যক্তি অভিযোগ করেন যে এই নিয়োগে পরিচ্ছন্ন কর্মী হিসেবে যাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে সে সম্পূর্ণ জাল সার্টিফিকেট দিয়ে ততকালীন সভাপতি আফসার আলী ও প্রধান শিক্ষক রহমতুল আলমের মাধ্যমে বড় অংকের টাকার বিনিময়ে এই নিয়োগ নিয়েছে। সেটার উপর ভিত্তি করে আমরা যখন বাঙ্গলা কাজী সাইদুর রহমান সৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ে যাই তখন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রহমতুল আলম আমাদেরকে বলে আব্দুল মান্নান এর নিয়োগ সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক ভাবে দেওয়া হয়েছে এবং আমরা আব্দুল মান্নান এর থেকে সার্টিফিকেট এবং স্কুলের উপস্থিতি ও বেতন রশিদও নিয়েছি।কিন্তু আমরা যারা তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়েছিলাম বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমাদের শুধু মৌখিক ভাবে সব বলেছে কিন্তু আমরা যখন প্রধান শিক্ষককের থেকে আব্দুল মান্নান এর সার্টিফিকেট দেখতে চাই তখন তিনি আমাদের সেটা দেখাতে সম্পূর্ণ না করে দেয়। তিনি বলেন এটা আমাদের দেখাবেননা আমরা যখন আব্দুল মান্নান অষ্টম শ্রেণীতে তার রোল কত ছিলো জানতে চাই তখন প্রধান শিক্ষক বলে সার্টিফিকেটে রোল দেওয়া নাই কিন্তু ঐ স্কুলের আরেকজন সহকারী শিক্ষক আমাদের সাথে চ্যালেঞ্জকরে বলে আব্দুল মান্নান এর সকল কাগজপত্র সঠিক এবং তার রোল নাম্বারও সার্টিফিকেটে আছে আমরা সেই শিক্ষককে বার বার বলা সত্ত্বেও আমাদের রোল নাম্বার বা কাগজ কোন কিছু না দেখিয়ে তর্কে জরিয়ে যায়।উক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক বলেন যে স্কুল থেকো সার্টিফিকেট দিয়েছে সেখান থেকে তথ্য নেন।প্রধান শিক্ষক রহমতুল আলম সাংবাদিকদের কোন তথ্য না দিয়ে উল্টো সাংবাদিকদের আইডি কার্ড এর ছবি তুলে আমরা কেমন সাংবাদিক সে তথ্য যাচাই করার কথা বলে বিভিন্ন জায়ায় সে আইডি কার্ড এর ছবি পাঠায় এবং উল্লাপাড়া প্রেশ ক্লাবের কয়জন সাংবাদিক এর নাম বলে বলেন যে তারা উক্ত প্রধান শিক্ষকের পরিচিত আমরা কেমন সাংবাদিক তাদের থেকে সে এটা যাচাই করবে। এর মধ্যে আব্দুল মান্নান সাংবাদিক দেখে দ্রুত স্কুল ত্যাগ করে। একপর্যায়ে প্রধান শিক্ষক এবং স্কুলের দারোয়ান সাংবাদিকদের উপর চড়াও হয়।এ বিষয়ে আমরা জানতে পারি সেই সার্টিফিকেট দিয়েছে রৌহাদহ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে।আমরা রৌহাদহ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো:,মোমিনুল ইসলামের সাথে মোবাইল ফোনে কথা বললে তিনি ব্যস্ততা দেখিয়ে স্কুলের গিয়ে তথ্য নিতে বলে ফোন কেটে দেয়। তারপর আমরা রৌহাদহ উচ্চ বিদ্যালয়ে গেলে প্রধান শিক্ষককে না পেয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন শিক্ষকের সাথে কথা বলি এবং আব্দুল মান্নান এর সার্টিফিকেট এর ব্যাপারে জানতে চাইলে সে বলে আমার কাছে কোন তথ্য নাই।এর পর উক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকের সাথে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি আমাদের আশ্বস্ত করে বলেন আমি বাইরে আছি আপনি ফোনে যোগাযোগ করে অন্য একদিন প্রতিষ্ঠানে আসেন আমি বিস্তারিত তথ্য দিয়ে আপনাদের সহায়তা করবো ইনশাআল্লাহ। কিন্তু আমরা পরে সেই শিক্ষক মোমিনুল ইসলামের সাথে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি এই তথ্য আমাদের দিতে সম্পূর্ণ না করে দিয়ে বলেন যেখানে নিয়োগ দিয়েছে সেখান থেকে তথ্য নেন এবং তাকে আর এই বিষয় ফোন দিতে না করে দিয়ে ফোন কেটে দেয়।এখন প্রশ্ন হলো কেন দুইটা প্রতিষ্ঠানে থেকে আব্দুল মান্নান এর সার্টিফিকেট এর তথ্য দিতে তালবাহানা করেছে? তাইলে কি টাকার বিনিময়ে জাল সার্টিফিকেট দিয়ে যে চাকরি করছে সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষ এই অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রশাসন কোন পদক্ষেপ নেবে কি?

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park