1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
আন্দামানে জীবন্ত আগ্নেয়গিরি ব্যারেন দ্বীপ :- বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হরিপুর সীমান্তে ১৬৫ বোতল মদ উদ্ধার ময়মনসিংহ মেডিকেলের অব্যবহৃত সিরিঞ্জ-ক্যানুলা ময়লার গুদামে, উঠছে নানা প্রশ্ন সেন্টমার্টিনে বিদ্যুতের হাহাকার, দিনে মেলে মাত্র ৪ ঘণ্টা কয়েক দিন পরপর বাড়ে ইউনিটপ্রতি দাম ময়মনসিংহে বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিলেন রেঞ্জ ডিআইজি গাজীপুরের কালীগঞ্জে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ, আটক ৩ আলমডাঙ্গায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মহাব্বত আলীর দাফন সম্পন্ন । পাবনায় ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ৫ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার ৪ বিয়ের নামে অভিনব প্রতারণা, নিজের স্ত্রী’কে কখনো মেয়ে কখনো ভাইঝি বলে একাধিক বিয়ে দেন স্বামী! কৌশলে হাতিয়ে নেন লাখ লাখ টাকা। সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে শান্তিপূর্ণ ভাবে শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসব উদযাপিত। উল্লাপাড়ায় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে নাসির হোসেন, নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপনে প্রশাসনের সঙ্গে তদারকি

আন্দামানে জীবন্ত আগ্নেয়গিরি ব্যারেন দ্বীপ :-

বেবি চক্রবর্ত্তী, ভারত প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ১৩৬ বার পঠিত

বেবি চক্রবর্ত্তী:- ব্যারেন দ্বীপ ভারতের আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত। এটি আন্দামান সাগরে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলটির রাজধানী পোর্ট ব্লেয়ার থেকে প্রায় ১৩৮-১৪০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত। একটি জনমানবহীন দ্বীপ। এটি দক্ষিণ এশিয়া এবং ভারতের একমাত্র সক্রিয় বা জীবন্ত আগ্নেয়গিরি। এটি পোর্ট ব্লেয়ার প্রায় ১৪০ কিমি দূরত্ব এটি ভারতের একমাত্র সক্রিয় আগ্নেয়গিরি।

ব্যারেন দ্বীপ আন্দামান সাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ। এটি দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র সক্রিয় আগ্নেয়গিরি। সুমাত্রা থেকে মিয়ানমার পর্যন্ত আগ্নেয়গিরি শৃঙ্খলের একমাত্র সক্রিয় আগ্নেয়গিরি। এটি ভারতীয় কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের একটি অংশ।১৭৮৯ সালে দ্বীপের একটি
আগ্নেয়গিরির প্রথম বিস্ফোরণের নথি পাওয়া যায় ১৭৮৭ সালে। তারপর থেকে আগ্নেয়গিরি থেকে দশবারেরও বেশিবার অগ্নুৎপাতের ঘটনা ঘটেছে, সাম্প্রতিকটি ২০১৭ সালে ঘটেছে। ১৭৮৭ সালে প্রথম নথিভুক্ত বিস্ফোরণের পরে, আরও বিস্ফোরণ নথিভুক্ত করা হয় ১৭৮৯, ১৭৯৫, ১৮০৩-০৪ এবং ১৮৫২ সালে। প্রায় দেড় শতাব্দীর সুপ্ততার পরে এই দ্বীপে ১৯৯১ সালে ছয় মাস স্থায়ী অগ্নুৎপাত হয় এবং এর ফলে আরও ক্ষয়ক্ষতি হয়।

১৯৯১ সালের বিস্ফোরণটি দ্বীপের প্রাণিকুলের জন্য বিশেষ ক্ষতিকারক ছিল। ভারতের ভূতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের একটি দল ১৯৯৩ সালের ৮-৯ এপ্রিল ব্যারেন দ্বীপটি পরিদর্শন করে, প্রাণীজ প্রজাতির বণ্টন, অভ্যাস এবং প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরণের প্রভাবের মূল্যায়ন করতে। প্রতিবেদনে দেখা গেছে যে বিস্ফোরণে পাখির প্রজাতির সংখ্যা এবং তাদের জনসংখ্যা হ্রাস পেয়েছে। দলটি দ্বীপে ১৬টি প্রজাতির পাখিগুলির মধ্যে ৬টি পর্যবেক্ষণ করে। পাইড ইম্পেরিয়াল কবুতর (ডুকুলা বাইকোলার) পরিলক্ষিত প্রজাতির পাখি সকল প্রজাতির মধ্যে সর্বাধিক প্রচুর পরিমাণে ছিল। রাতে পরিচালিত একটি সমীক্ষায়, দলটি একটি ইঁদুর প্রজাতি (র্যাটাস রেটাস) এবং ৫১ প্রজাতির পোকামাকড়কে শনাক্ত করে। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে আগ্নেয়গিরি তখনও গ্যাস নির্গমন করছিল। ১৯৯৪-৯৫ সাল এবং ২০০৫-০৭ সালে অগ্নুৎপাত ঘটেছিল। যাকে পূর্ববর্তী ২০০৪ সালের ভারত মহাসাগরের ভূমিকম্পের সাথে যুক্ত বলে মনে করা হয়। ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি বাতিঘর সাম্প্রতিক বিস্ফোরণ দ্বারা ধ্বংস হয়ে গেছে।

এর অনূর্বর ভূদৃশ্য বিশাল অঞ্চল রয়েছে। জনহীন হলেও এটি স্বল্পসংখ্যক ছাগলগোত্রীয় প্রাণীর বিচরণক্ষেত্র। ব্যারেন দ্বীপে অতীতের লাভা প্রবাহের টপোগ্রাফি এবং দ্রুত বর্ধমান প্রবাল উদ্যানগুলি। এই দ্বীপটি আন্দামান সাগরের পূর্ব অঞ্চলে অবস্থিত। ব্যারেন দ্বীপ হল সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২,২৫০ মিটার উঁচুতে অবস্থিত একটি আগ্নেয়গিরির উদীয়মান শিখর। পাশাপাশি আন্দামান আগ্নেয়গিরি বলয়ের অংশ এই দূরবর্তী আগ্নেয়গিরি দ্বীপটি কেবল চার্টার নৌকা দ্বারাই যাতায়াত করা যায়। এর বিচ্ছিন্ন অবস্থান এবং জনবসতিহীন ভূখণ্ড এর অপরিশোধিত সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে তোলে। যা ভারতের একমাত্র সক্রিয় আগ্নেয়গিরির বিরল আভাস প্রদান করে।

ব্যারেন দ্বীপ পরিদর্শনের সেরা সময় ব্যারেন দ্বীপ পরিদর্শনের আদর্শ সময় হল অক্টোবর থেকে মার্চ এবং এপ্রিলের প্রথম দিকে এই সময়কাল মনোরম আবহাওয়া। এখানে শান্ত সমুদ্র দ্বারা চিহ্নিত। চার্টার নৌকাগুলির সাথে একটি মসৃণ এবং উপভোগ্য ভ্রমণের জন্য এটিকে উপযুক্ত করে তোলে। এই মাসগুলিতে, জলের উপরে এবং নীচে উভয় স্থানেই ছাইয়ের স্তূপের দৃশ্যমানতা চমৎকার থাকে এবং তীব্র বাতাস বা মৌসুমি স্রোতের অনুপস্থিতি নিরাপদ ভ্রমণ এবং নিরবচ্ছিন্ন দর্শনীয় স্থান দেখার জন্য আরও ভাল সুযোগ নিশ্চিত করে স্নোরকেলিং, শিকারে মাছ ধরা এবং দ্বীপের অনন্য আগ্নেয়গিরি – প্রাকৃতিক দৃশ্য পর্যবেক্ষণের মতো কার্যকলাপের অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি করে।

২০২৫ সাল থেকে ২০২৬ সালেও এই আগ্নেয়গিরি থেকে অগ্ন্যুৎপাত হয়েছে। এই দ্বীপটি মূলত অগ্ন্যুৎপাত এবং লাভা প্রবাহের জন্য পরিচিত, এবং এটি ভারতীয় ভূখণ্ডের আগ্নেয়গিরি শৃঙ্খলের সুমাত্রা থেকে মিয়ানমার পর্যন্ত একটি অংশ।

২০২১ সাল থেকে ২০২২ সাল। এরপর ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরেও এই আগ্নেয়গিরি থেকে লাভা উদগিরণ হয়েছে। এই দ্বীপটি জনমানবহীন বা মানুষের বসবাসের অযোগ্য। এই দ্বীপে আগ্নেয়গিরির ছাই – লাভা দেখা যায়। তবে এটি স্কুবা ডাইভিং এবং বোট ট্যুরের জন্য পরিচিত। ভারতীয় নৌবাহিনী এবং কোস্ট গার্ড এই সক্রিয় আগ্নেয়গিরিটি পর্যবেক্ষণ করে। পাশাপাশি মূলত একটি সমুদ্রগর্ভ থেকে জেগে ওঠা আগ্নেয়গিরি।

২০২৫ সাল থেকে ২০২৬ সালেও এই আগ্নেয়গিরি থেকে অগ্ন্যুৎপাত হয়েছে। এই দ্বীপটি মূলত অগ্ন্যুৎপাত এবং লাভা প্রবাহের জন্য পরিচিত। এটি ভারতীয় ভূখণ্ডের আগ্নেয়গিরি শৃঙ্খলের সুমাত্রা থেকে মিয়ানমার পর্যন্ত একটি অংশ। এটি একটি আগ্নেয় দ্বীপ। এছাড়াও নারকোন্ডাম আগ্নেয়গিরি ভারতের আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের অন্তর্গত উত্তর আন্দামান সাগরে অবস্থিত একটি ছোট আগ্নেয় দ্বীপ। এটি ভারতের একটি সুপ্ত আগ্নেয়গিরি। পোর্ট ব্লেয়ার থেকে প্রায় ১৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের পূর্বতম দ্বীপ হিসেবে পরিচিত। নারকোন্ডাম আগ্নেয়গিরি। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ উত্তর আন্দামান সাগর সুপ্ত আগ্নেয়গিরি। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় মিটার। এটি অ্যান্ডেসাইট শিলা দ্বারা গঠিত এবং এখানে বিপন্ন প্রজাতির নারকোন্ডাম হর্নবিল পাখি পাওয়া যায়। এটি একটি ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের জন্য প্রস্তাবিত স্থান।এটি ব্যারেন আইল্যান্ডের পর ভারতের দ্বিতীয় প্রধান আগ্নেয়গিরি দ্বীপ।
ব্যারেন আইল্যান্ড অগ্নুৎপাতের জন্য জনমানবহীন। এটি ভারতের সক্রিয় জলন্ত আগ্নেয়গিরি।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park