
মোঃ মুকিম উদ্দিন সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাজীবন এইচ এস সি পর্যন্ত। বর্তমানে তিনি আর পড়াশোনা করেন না; ব্যবসার পাশাপাশি সাহিত্যচর্চা করে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে তিনি অসংখ্য কবিতা লিখেছেন।
তরুণ এই কবির লেখায় প্রেম, বিরহ, অভিমান, প্রকৃতি, মানবিক সম্পর্কের টানাপোড়েনের পাশাপাশি সমাজের নানা অসঙ্গতি ও শোষণের চিত্র ফুটে ওঠে। সহজ ভাষায় জীবন ও সমাজের নানা বিষয়কে তুলে ধরার চেষ্টা করেন তিনি।
মিজানুর রহমান মিজান এর ‘প্রিয় জন্মভূমি’ কবিতায় কৃষি, নদী, খাল বিল পল্লী বাংলার রূপকথার প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করে ভালোবাসা, বিচ্ছেদ, অভিমান এবং জীবনের পরিবর্তনশীল সম্পর্কের গল্প তুলে ধরা হয়েছে। অন্যদিকে তার কবিতায় সামাজিক গুনাবলীর চিত্র তুলে ধরেছেন তিনি।
প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাজীবন এইচ এস সিতে উর্ত্তীন হয়ে বিএ প্রথম বর্ষে থেমে গেলেও সাহিত্যচর্চার প্রতি তাঁর আগ্রহ থেমে যায়নি। নিজের অভিজ্ঞতা, অনুভূতি ও চারপাশের সমাজকে পর্যবেক্ষণ করে তিনি নিয়মিত কবিতা লিখে যাচ্ছেন। ব্যবসার পাশাপাশি সাহিত্যচর্চাকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় রয়েছে তাঁর।
নিচে তরুণ কবি মিজানুর রহমান মিজান এর একটি কবিতা তুলে ধরা হলো–
প্রিয় জন্মভূমি
মিজানুর রহমান মিজান
প্রিয় জন্মভূমি স্বর্গসম তুমি
মা -মাটির গন্ধে মিশে আছে-
প্রকৃতির এই অপরূপ লীলাভূমি।
কৃষক যখন কৃষি কাজে ব্যস্ত সময়
কাটে।
কৃষাণী তখন গৃহখানি নতুন সাজে
আটে।
পল্লী মায়ের আঁচল পাতা সবুজ
ঘাসের দেশে,
আমার পল্লী জননী রয় অপার্থিব
বেশে।
গৃহপালিত পশু পাখির মিষ্টি কলতানে
ভোরের সূর্য স্বর্গ নামায় মাটির কানে
কানে।
ফসলি জমি খাল- বিলে ঘেরা ছোট্ট
গ্রাম-
যেথায় কৃষক কৃষাণী ঝরায় গায়ের
ঘাম।
রাতদিন খাটে তারা ফসল ফলাতে
অভাবের সংসারে সুখের আলো
জ্বালাতে।
উৎপাদিত পণ্যের পায় না ন্যায্য দাম,
তবুও শ্রমে ঘামে উজ্জ্বল রাখে দেশের
নাম।
বাবার স্নেহ মায়ের আদর ও মধুর
বকুনী,
স্মৃতিতে অম্লান সব শ্বাশ্বত কাহিনী।
হৃদয় জুড়ে আছো তুমি থাকবে
চিরদিনই।
প্রিয় জন্মভূমি স্বর্গেসম তুমি ।