1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
বালু উত্তোলনে পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা; জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চাইল মহেশখালী প্রেসক্লাব। - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফয়সল আমীন ​দেবহাটায় জামায়াতের কর্মী ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত: সৎ নেতৃত্বের মাধ্যমেই ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠন সম্ভব। দিরাই জারুলিয়া গ্রামে ১৪টি বসতঘর ও আসবাবপত্র পুড়ে ছাই,আনুমানিক ৪/৫ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি বেলকুচিতে প্রশাসনের অভিযানের পরও থামছে না ডাইং কারখানার দূষণ নারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মিনি ম্যারাথন প্রতিযোগিতা আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে আট দফা দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের সংবাদ সম্মেলন পাঁচবিবিতে ভারতীয় সিরাপ ও ইয়াবাসহ আটক ৩ পাঁচবিবিতে উচ্চতা ৪ ফুট তবু থেমে নেই জীবনযুদ্ধ ১৬ বছর ধরে পরিশ্রমে সংসার চালান আল-আমিন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কলকলিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মুহিত মিয়ার নির্বাচনী মতবিনিময় সভা  সাতক্ষীরায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত

বালু উত্তোলনে পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা; জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চাইল মহেশখালী প্রেসক্লাব।

সুমন চন্দ্র দে, কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬
  • ৭৬ বার পঠিত

সুমন চন্দ্র দে, কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি:

মাতারবাড়ি সমুদ্রবন্দর অ্যাক্সেস সড়ক প্রকল্পে বালু সরবরাহের জন্য মহেশখালীর উপকূলীয় চ্যানেল থেকে পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়াই বালু উত্তোলনের অভিযোগ তুলে তা বন্ধের দাবিতে কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে মহেশখালী প্রেসক্লাব।

৩ জুন (বুধবার) দুপুরে মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমারান মাহমুদ ডালিমের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক বরাবর এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, মাতারবাড়ি পোর্ট অ্যাক্সেস রোড প্রকল্পের আওতায় হামিদারদিয়া ও ঠাকুরতলা মৌজা এলাকার উপকূলীয় চ্যানেল থেকে বিপুল পরিমাণ বালু উত্তোলনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তবে এ কার্যক্রম বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন এবং পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক বিধিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে দাবি করেছে প্রেসক্লাব।

প্রেসক্লাবের নেতারা জানান, প্রকল্পের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান Tokyu-MIL Joint Venture প্রথমে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (BIWTA)-এর মাধ্যমে বালু উত্তোলনের উদ্যোগ নিলেও জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে তা বন্ধ হয়ে যায়। পরে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে পুনরায় বালু উত্তোলনের অনুমোদন নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।

স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়, বালু উত্তোলনের ক্ষেত্রে প্রকল্পের প্রকৃত চাহিদা, নির্ধারিত রয়্যালটি এবং পরিবেশগত প্রভাব যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি। ফলে একদিকে যেমন রাষ্ট্রীয় রাজস্ব ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, অন্যদিকে পরিবেশগত বিপর্যয়ের ঝুঁকিও তৈরি হয়েছে। নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কম হারে রয়্যালটি আদায় করা হলে রাষ্ট্র শত শত কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়।

এতে আরও বলা হয়, পরিবেশ অধিদপ্তর ইতোমধ্যে লিখিতভাবে জানিয়েছে যে, পরিবেশগত ছাড়পত্র গ্রহণ ছাড়া কোনো ধরনের ড্রেজিং বা বালু উত্তোলন কার্যক্রম পরিচালনা করা আইনবিরোধী। উপকূলীয় চ্যানেল থেকে ব্যাপকহারে বালু উত্তোলনের ফলে নদীভাঙন বৃদ্ধি, বসতভিটার ক্ষতি, জলপ্রবাহের স্বাভাবিকতা ব্যাহত হওয়া, জীববৈচিত্র্যের ক্ষয় এবং উপকূলীয় ভূমিক্ষয়ের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

মহেশখালী প্রেসক্লাবের নেতারা বলেন, “মহেশখালীর তিন দিকজুড়ে বিস্তৃত উপকূলীয় পরিবেশ অত্যন্ত স্পর্শকাতর। অপরিকল্পিত ও পরিবেশবিধি উপেক্ষা করে বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে পরিবেশ ও জনজীবনের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।” এছাড়াও ঠাকুরতলা মৌজায় পড়ায়,  আদিনাথ মন্দিরের আশপাশের উপকূল ও পাহাড়ের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তারা পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়া পরিচালিত সব ধরনের বালু উত্তোলন কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধ, সংশ্লিষ্ট অঙ্গীকারনামা ও কার্যাদেশ বাতিল এবং উপকূলীয় পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও জনস্বার্থ রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

স্মারকলিপি প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন মহেশখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি জয়নাল আবেদীন, সাধারণ সম্পাদক জিকির উল্লাহ জিকু, সাবেক সভাপতি আবুল বশর পারভেজ, হারুনুর রশিদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছালামত উল্লাহ, যুগ্ম সম্পাদক সাহাব উদ্দিন, অর্থ সম্পাদক মকছুদুর রহমান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক বশির উল্লাহ, নুরুল করিম, সুমন চন্দ্র দে, মোঃ মহিউদ্দিনসহ প্রেসক্লাবের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park