
বেবি চক্রবর্ত্তী:- ভারত চিরন্তন শান্তির দেশ। আবার তা প্রমাণ করবার উদ্দেশ্যেই ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা ৬০টি দেশকে নিয়ে গড়তে চলেছে ‘পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ’।
এই উদ্যোগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাংসদদের নেতৃত্বে রাখা হয়েছে, আর সেই তালিকায় উল্লেখযোগ্য নাম তৃণমূল কংগ্রেসের লোকসভার দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সংসদীয় স্তরে আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বাড়াতে তাঁর ভূমিকা বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে রাজনৈতিক মহলে। লোকসভা সচিবালয়ের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সংসদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, নীতি বিনিময় এবং গণতান্ত্রিক অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার লক্ষ্যেই এই বন্ধুত্বপূর্ণ গোষ্ঠীগুলি গঠন করা হয়েছে। বাণিজ্য, প্রযুক্তি, সামাজিক নীতি, সংস্কৃতি ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে নিয়মিত আলোচনা চালানোর ক্ষেত্রও তৈরি হবে এই প্ল্যাটফর্মে। প্রতিটি প্রতিনিধি দলে প্রায় ১১ জন সদস্য থাকবেন এবং বিভিন্ন সময়ে বিদেশ সফরের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশের সংসদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
এই উদ্যোগে দলমত নির্বিশেষে বহু নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তালিকায় রয়েছেন রবি শংকর প্রসাদ, পি চিদাম্বরম, অখিলেশ যাদব, শশী থারুর-সহ একাধিক সাংসদ। তৃণমূলের পক্ষ থেকেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পাচ্ছেন আরও কয়েক জন নেতা, যেমন তৃণমুলের লোকসভার মুখ্য সচেতক কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও ব্রায়ান। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সামনে রেখে এই দায়িত্ব দেওয়া তৃণমূলের জন্যও তাৎপর্যপূর্ণ। জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে দলের অবস্থান তুলে ধরার সুযোগ বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সংসদীয় কূটনীতির মাধ্যমে ভারতের অবস্থান আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যই স্পষ্ট এই পদক্ষেপে।