1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
ইতিহাসের কালের সাক্ষী ঠাকুরগাঁওয়ে জামালপুর জমিদার বাড়ি জামে মসজিদ - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০১:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফয়সল আমীন ​দেবহাটায় জামায়াতের কর্মী ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত: সৎ নেতৃত্বের মাধ্যমেই ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠন সম্ভব। দিরাই জারুলিয়া গ্রামে ১৪টি বসতঘর ও আসবাবপত্র পুড়ে ছাই,আনুমানিক ৪/৫ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি বেলকুচিতে প্রশাসনের অভিযানের পরও থামছে না ডাইং কারখানার দূষণ নারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মিনি ম্যারাথন প্রতিযোগিতা আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে আট দফা দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের সংবাদ সম্মেলন পাঁচবিবিতে ভারতীয় সিরাপ ও ইয়াবাসহ আটক ৩ পাঁচবিবিতে উচ্চতা ৪ ফুট তবু থেমে নেই জীবনযুদ্ধ ১৬ বছর ধরে পরিশ্রমে সংসার চালান আল-আমিন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কলকলিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মুহিত মিয়ার নির্বাচনী মতবিনিময় সভা  সাতক্ষীরায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত

ইতিহাসের কালের সাক্ষী ঠাকুরগাঁওয়ে জামালপুর জমিদার বাড়ি জামে মসজিদ

সিরাজুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি;
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৫
  • ১৫৫ বার পঠিত

ঠাকুরগাঁওয়ের জামালপুর ইউনিয়নে রয়েছে ঐতিহাসিক জামালপুর জমিদার বাড়ী। ভারতের পশ্চিম বঙ্গের তৎকালীন তাজপুর পরগনার রওশন আলীর বংশধর জামাল উদ্দিন এই অঞ্চলের জমিদারিত্ব পেয়ে ১৮৬২ সালে জমিদার বাড়ীর ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করেন কিন্তু জমিদার বাড়ির নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার পূর্বেই ১৮৬৭ সালে জামিদার বাড়ির সাথে একটি মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু করেন। মসজিদের নাম রাখা হয় জামালপুর জমিদার বাড়ী জামে মসজিদ।

প্রায় দেড়শ বছরের পুরনো জামালপুর জমিদার বাড়ির প্রবেশ মুখেই রয়েছে বিশাল তোরণ। বাংলাদেশ প্রত্নতত্ন অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত জামালপুর জমিদার বাড়ী জামে মসজিদে একসাথে প্রায় ৩০০-৬০০ জন মুসল্লি নামাজ পড়তে পারে। মূল কক্ষ, ছাদ সহ ও ছাদ বিহীন বারান্দা ও মূল দরজা- এই চারটি অংশে বিভক্ত জামালপুর জামে মসজিদের ৩৫ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট আশিটি মিনার ও তিনটি কারুকার্য মণ্ডিত গম্বুজ আগর দর্শনার্থীদের নজর কাড়ে। গম্বুজ ও মিনারের অপূর্ব সমন্বয়ে ফুলেল নকশাকৃত এমন মসজিদ খুব কমই আছে বাংলাদেশে।

মসজিদ অঙ্গনে প্রবেশমুখে বেশ বড় সুন্দর একটি তোরণ রয়েছে। মসজিদে উপরে বড় আকৃতির তিনটি গম্বুজ আছে। গম্বুজের শীর্ষদেশ কাচ পাথরের কারুকাজ করা আছে। এই মসজিদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর মিনারগুলো নকশা। মসজিদের ছাদে মোট আটাশটি মিনার আছে। একেকটি মিনার উচ্চতা প্রায় ৩৫ ফুট এবং প্রতিটিতে নানা নকশা করা রয়েছে। এত মিনারয়ালা কোন মসজিদে দেখতে পাওয়া বিরল ব্যপার। মসজিদটির চারটি অংশে ভাগ করা। তাহলো মূল কক্ষ, মূল কক্ষের সঙ্গে ছাদসহ বারান্দা, ছাদবিহীন বারান্দা এবং ছাদবিহীন বারান্দাটি অর্ধ প্রাচীরে বেষ্টিত হয়ে পূর্বাংশে মাঝখানে চার থামের উপর ছাদ বিশিষ্ট মূল দরজা। খোলা বারান্দার প্রাচীরে এবং মূল দরজার ছাদে ছোট ছোট মিনারের নানান নকশা রয়েছে। মূল কক্ষের বাইরের দিক থেকে পরিমাপ হচ্ছে ২৯ × ৪৭ ফুট এবং ছাদবিহীন বারান্দার পরিমাপ ২১ × ৪৭ ফুট। মূল কক্ষের কোণগুলো তিন থাম বিশিষ্ট। এর জানালা দুটি, দরজা তিনটি, কুলুঙ্গি দুটি। পুরো মসজিদটির ভিতরে ও বাইরের দেয়ালগুলোতে প্রচুর লতাপাতা ও ফুলের নকশা দ্বারা খচিত। প্রতি নিয়ত এই জমিদার বাড়িটির ইতিহাস জানতে দুরদুরান্ত থেকে আসা অনেক দর্শনার্থী ভিড় জমায়।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park