এম মনিরুল ইসলাম বুড়িগোয়ালিনী।
এসো জ্ঞানের সন্ধানে,ফিরে যাও দেশের সেবায়,,, সাতক্ষীরা সহ পার্শ্ববর্তী উপজেলাগুলোতে ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থায় ধস নেমেছে। নতুন সংস্করণে এসেছে আমূল পরিবর্তন। খোঁজখবর নিয়ে জানা যায়,শ্যামনগর উপজেলা দুর্যোগ প্রবণ উপকূলবর্তী এলাকা, মুন্সিগঞ্জ বুড়িগোয়ালিনী ও দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরা। উক্ত মাদ্রাসাটি প্রায় এক যুগের ও অধিক সময় পার করেছে। অবহেলিত হয়ে, হাটি হাটি পা পা করে প্রায় 16 বছর পূর্বে, এলাকার বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজ সেবীদের উদ্যোগে নির্মিত হয়েছিল এই মাদ্রাসাটি। প্রথম অবস্থায় কাঠের খুঁটি, কোনরকম বেড়া দিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল মহতী কর্মশালা, দাতিনাখালি দারুস সুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসা। প্রায় সাত আর্ট বছর পূর্বে এমপিও ভুক্ত হয়েছে। অধ্যবধি মাদ্রাসার ভবনগুলো জরা জীর্ণ অবহেলিত থেকে গেছে। শিক্ষকরা শুরু থেকে অক্লান্ত পরিশ্রম করে, নিয়মিত ঘরোয়া পরিবেশে পাঠদানের মাধ্যমে, মাদ্রাসাটির রেজাল্ট অত্যন্ত ভালো। চমকপ্রদ ও প্রশংসনীয়। ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জনাব আলতাফ হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে অথবা সরাসরি যোগাযোগ করা যায়নি যে কারণবশত বিস্তারিত তথ্য উদঘাটন সম্ভব হয়নি।ভূমিদাতা মরহুম আলহাজ্ব আবু মুসা গাজী সহ অন্যান্য ইসলামী শিক্ষানুরাগী, এলাকাবাসী সকলেই সহযোগিতা করেছেন ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থা তথা দাখিল মাদ্রাসাটি স্থাপন করতে। ছাত্র বৈষম্য কোটা বিরোধী আন্দোলনে দেশ যেন নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়েছে। যে দেশে তিন ভাগের দুই ভাগ মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের বসবাস।সে দেশের হাসিনা সরকারের তৈরি করা নতুন সংস্করণে মাত্র পাঁচটি বিষয়ের পরীক্ষা হবে। মাদ্রাসাগুলির ক্ষেত্রে হয়তো দুই একটি বিষয় সংযোজিত হতে পারে। অন্যতম বাংলা অংক ইংরেজি বিজ্ঞান সাধারণ জ্ঞান।জেনারেল শিক্ষা ব্যবস্থাসহ সকল প্রতিষ্ঠানের জন্য। অত্র মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা আবুল হাসান বলেন,যদিও নতুন সংস্করণে পাঁচটি বিষয়ে এসেছে।মাদ্রাসার ক্ষেত্রে হয়তো ইসলামী কয়েকটি বিষয় যোগ করা হতে পারে।বাংলাদেশের প্রাণ তারুণ্যের অহংকার, ছাত্র সমাজ দেশ বাঁচাতে এগিয়ে এসেছেন। বিনা ট্রেনিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে প্রশংসনীয় হয়েছেন।এলাকাবাসী ও অভিভাবক রেজাউল ইসলাম বলেন,জরাজীর্ণ হুমকি কবলিত মাদ্রাসায়, বাচ্চাদের পাঠিয়ে আমরা ফিরে না আসা পর্যন্ত দুশ্চিন্তা ভোগ করি। উদ্বোধন কর্তৃপক্ষের নিকট সুধীজন শিক্ষানুরাগী ও অভিভাবক মহলসহ এলাকাবাসীর বিনীত আবেদন, অতি দ্রুত দাতিনা খালি দারুস সুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসাটির উন্নতিকল্পে, উপযুক্ত ভবন তৈরি করা হোক।ইসলামী শিক্ষা একজন মানুষকে সত্যিকারের মানুষ হতে সাহায্য করে।স্বৈরাচার সরকার দেশ ছেড়ে পালিয়েছে।এখন সাম্যতা প্রতিষ্ঠিত হবে। ছাত্রসমাজ হাল ছাড়েনি। দেশে সুষ্ঠু অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত হয়তো জনগণের,জনমতের দাবি বিবেচনা করবেন। হতদরিদ্র মধ্যবিত্ত মানুষের মৌলিক খাবারগুলোর যে বিক্রয় তালিকা, ছাত্র সমাজ দিয়েছে, শ্যামনগরের এলাকাগুলোতে এখনো বাস্তবায়নের বিন্দুমাত্র চিহ্ন দেখা যায়নি। সার্বিক সহযোগিতা করছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। পরিশেষে দলমত নির্বিশেষে, ইসলামী শিক্ষা একজন মানুষকে। একটি পরিবারকে। একটি সমাজকে বদলে দিতে পারে।